আইসিসি প্লেয়ার অব দ্য মান্থঃ মনোনয়ন পেলেন যারা

আইসিসি প্লেয়ার অব দ্য মান্থঃ মনোনয়ন পেলেন যারা

দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সম্প্রতি চালু করেছে প্লেয়ার অব দ্য মান্থ প্রথা। পুরুষ ও নারীদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পারফরম্যান্সের বিচারে আইসিসি বেছে নেয় মাসের সেরা ক্রিকেটার। তিন ফরম্যাটই আসে বিবেচনায়।

২০২১ সালের জুন মাসের জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি।

পুরুষ বিভাগের মনোনয়ন তালিকায় রয়েছেন- ডেভন কনওয়ে (নিউজিল্যান্ড), কুইন্টন ডি কক (দক্ষিণ আফ্রিকা) ও কাইল জেমিসন (নিউজিল্যান্ড)।

নারী বিভাগের মনোনয়ন তালিকায় রয়েছেন- সোফি একলেস্টোন (ইংল্যান্ড), স্নেহ রানা (ভারত) ও শেফালী ভার্মা (ভারত)।

কিউই ওপেনার ডেভন কনওয়ে টেস্ট অভিষেকে লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। পরের দুই টেস্টেও ফিফটির দেখা পান। ভারতের বিপক্ষে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালেও ফিফটি করেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে সিরিজ সেরা হন। জুনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩ টি-টোয়েন্টি খেলে করেন ২৩৭ রান।

আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচ সেরার পুরষ্কার পান কাইল জেমিসন। ম্যাচে ৬১ রান খরচে ৭ উইকেট নেন তিনি। এই মাসে দুই টেস্ট খেলে ১০ উইকেট পান তিনি।

ইংল্যান্ড নারী দলের বাঁহাতি স্পিনার সোফি একলেস্টোন ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে সফলতম বোলার ছিলেন। ২০৬ রান খরচে ৮ উইকেট নেন তিনি। জুন মাসে ভারতীয় নারীদের বিপক্ষে খেলা ২ ওয়ানডেতে ৬ উইকেটও নেন তিনি।

ভারতীয় নারী দলের অলরাউন্ডার স্নেহ রানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ড্র করতে বড় ভূমিকা রাখেন। তার খেলা ১৫৪ বলে অপরাজিত ৮০ রানের ইনিংসে ম্যাচ বাঁচাতে পারে সফরকারীরা।

হার্ড হিটিং ব্যাটার শেফালী ভার্মা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকে নিজের জাত চেনান। প্রথম ভারতীয় নারী ক্রিকেটার হিসাবে অভিষেক টেস্টের দুই ইনিংসেই ফিফটি করেন তিনি। দুই ওয়ানডেতে ৮৫.৫০ স্ট্রাইক রেটে করেন ৫৯ রান।

আইসিসি প্লেয়ার অব দ্য মান্থ এর ভোটিং প্রসেসঃ

দুই ক্যাটাগরিতে (নারী ও পুরুষ) মনোনীতরা শর্টলিস্টেড হন এক মাসে অন ফিল্ডে তাদের পারফরম্যান্স ও মাসে তাদের অর্জন দিয়ে।

মনোনীতরা আইসিসির স্বাধীন ভোটিং অ্যাকাডেমি ও বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের ভোট পান। সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া ক্রিকেটার হন আইসিসি ক্রিকেটার অব দ্য মান্থ। ভোটিং অ্যাকাডেমি তাদের ভোট দেন ই-মেইলের মাধ্যমে, ভোটের ৯০ শতাংশ নির্ধারিত হয় তাদের ভোটের মাধ্যমে। বাকি ১০ শতাংশ থাকে সমর্থকদের আওতায়।

আইসিসি প্রতি মাসের দ্বিতীয় সোমবার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে তাদের ডিজিটাল চ্যানেলে।

আইসিসি ভোটিং অ্যাকাডেমিঃ

আফগানিস্তান- হামিদ কাইয়ুমি ও জাভেদ হাকিম, অস্ট্রেলিয়া- মেলিন্দা ফারেল ও লিসা স্থালেকার, বাংলাদেশ- তারেক মাহমুদ ও মোহাম্মদ ইসাম, ইংল্যান্ড- এলিজাবেথ এমন ও ক্লেয়ার টেইলর, আয়ারল্যান্ড- ইয়ান চালেন্ডার ও ইসোবেল জয়েস, ভারত- অন্বেষা ঘোষ ও ভিভিএস লক্ষণ, নিউজিল্যান্ড- মার্ক গিন্টি ও জন রাইট, পাকিস্তান- ফাইজান লাখানি ও রমিজ রাজা, দক্ষিণ আফ্রিকা- ফিরদোস মুন্ডা ও মাখায়া এনটিনি, শ্রীলঙ্কা- নেভিল ভিক্টর অ্যান্থনি ও রাসেল আরনল্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ- ইয়ান বিশপ ও মেরিসা অ্যাগুইলেইরা, জিম্বাবুয়ে- ট্রিস্টান হোম ও পুমেলেলো এম্বাঙ্গুয়া, অন্যান্য- পল রেডলি ও ডার্ক ন্যানেস।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

তিন ফিফটির দিনে লিটনের সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ

Read Next

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলছেন ম্যাথুস!

Total
1
Share