ব্যাট হাতে টাইগারদের প্রস্তুতিটা হল দারুণ

ব্যাট হাতে টাইগারদের প্রস্তুতিটা হল দারুণ
Vinkmag ad

প্রস্তুতি ম্যাচ বলতে যা বোঝায় জিম্বাবুয়ে নির্বাচিত একাদশের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট দল ঠিক সেটাই করেছে। দুইদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার কাজটা দারুণভাবে করলো সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্তরা। প্রস্তুতি ম্যাচ হলেও লম্বা সময় পর হেসেছে সাকিব আল হাসানের ব্যাট। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে গিয়েও স্বেচ্ছায় ফিরেছেন বাকিদের সুযোগ দিতে।

ফিফটির দেখা পেয়েছেন সাকিব, সাইফ ও শান্ত তিনজনেই। তিনজনেই স্বেচ্ছায় অবসরে যান বাকিদের সুযোগ দিতে। সাইফ-শান্ত টেস্ট মেজাজে খেললেও সাকিব খেলেছেন ঝড়ো ইনিংস, ৫৬ বলে তার ব্যাটে ৭৪ রান। বাংলাদেশ দিন শেষ করে ২ উইকেটে ৩১৩ রানে।

দিনের প্রথম সেশনে মাত্র ১ উইকেট পড়ে বাংলাদেশের। স্কোরবোর্ডে রান উঠে ৯৩। সাদমান ইসলামের সাথে সাইফ হাসানের জুটি ১০.৪ ওভারের, রান যোগ হয় ১৬। ৩০ বলে কোনো রান না করেই আউট হন সাদমান।

তবে তিন নম্বরে নামা নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ৯৪ রানের জুটি গড়ে স্বেচ্ছায় অবসরে যান সাইফ হাসান। তার আগেই তুলে নেন ফিফটি, ৮০ বলে ফিফটি ছুঁয়ে বাকিদের সুযোগ দিতে থামেন ১০৮ বলে ১৩ চার ১ ছক্কায় ৬৫ রানে।

সাইফের পর ফিফটি তুলে নেন শান্তও, স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়ার আগে তিনে নেমে খেলেন ৫২ রানের ইনিংস। ১০৭ বল খেলে শান্ত হাঁকান ৭ চার ও ২ ছক্কা।

এরপর অধিনায়ক মুমিনুল হক ও সাকিব আল হাসানের ৬৭ রানের জুটি। এবার অবশ্য স্বেচ্ছায় অবসর নয় ফিরতি ক্যাচে মুমিনুলকে সাজঘরের পথ দেখা ব্রাইটন শিপুঙ্গু। ৭৭ বলে তার ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।

তবে অন্য প্রান্তে সাকিব ছিলেন চেনা ছন্দে, টেস্টের প্রস্তুতি হলেও খেলেছেন শুরুতে ওয়ানডে ও পরে টি-টোয়েন্টি মেজাজে। প্রায় প্রতি ওভারেই আদায় করেন বাউন্ডারি। টাপিওয়া মুফুজার ৬০তম ওভারে হাঁকান টানা ৩ চার, ব্রাইটন শিপুঙ্গুকে ৬৩তম ওভারে হাঁকান আরও ৩ তিনটি। ঐ ওভারেই ফিফটি ছুঁয়েছেন ৪৯ বলে।

৬৬তম ওভারে যেন আরও আক্রমণাত্মক, ওয়েস্লি মাধেব্রেকে হাঁকান ২ চার ১ ছক্কা। পরের ওভার খেলেই অবশ্য স্বেচ্ছায় অবসরে যান, তার আগে নামের পাশে ৫৬ বলে ১৪ চার ১ ছক্কায় ৭৪ রান। এর আগে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে গত বছর ঘরোয়া লিগ দিয়ে মাঠে নামা সাকিবের ব্যাটে যেন মরচে পড়েছিল। ব্যর্থতার ধারবাহিকতা বজায় রাখেন সদ্য সমাপ্ত ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে (ডিপিএলে)।

শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও লিটন দাসও সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন। মূল লড়াইয়ে নামার আগে নিজেদের বাজিয়ে দেখলেন। ধৈর্যের পরীক্ষাটা ভালোই দিলেন লিটন, স্বেচ্ছায় ফেরার আগে ৮২ বলে করেছেন ৩৭ রান। মেহেদী হাসান মিরাজকে (৫) নিয়ে শেষ পর্যন্ত দিন শেষ করা মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত ছিলেন ৭১ বলে ৮ চারে ৪০ রানে। ২ উইকেটে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে ৩১৩ রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (১ম দিন শেষে):

বাংলাদেশিস ৩১৩/২ (৯০), সাদমান ০, সাইফ ৬৫ (স্বেচ্ছা অবসর), শান্ত ৫২ (স্বেচ্ছা অবসর), মুমিনুল ২৯, সাকিব ৭৪ (স্বেচ্ছা অবসর), লিটন ৩৭ (স্বেচ্ছা অবসর), মাহমুদউল্লাহ ৪০*, মিরাজ ৫*; জঙ্গে ১১-৫-২৩-১, শিপুঙ্গু ৮-১-৩৪-১।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

পাকিস্তানের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ওয়ানডে স্কোয়াড ঘোষণা

Read Next

খারাপ জায়গায় মানিয়ে নিতে পারেননি বলে কোথাও নেই পাইলট

Total
8
Share