পদে বহাল আছেন কিনা সেটাই জানেন না খালেদ মাহমুদ সুজন

পদে বহাল আছেন কিনা সেটাই জানেন না খালেদ মাহমুদ সুজন
Vinkmag ad

খালেদ মাহমুদ সুজন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবির) বেশ কয়েকটি পদে আছেন, এই খবর পুরোনো। তবে নতুন খবর তিনি নিজেই জানেন না কোন পদে বহাল আছেন আর কোন পদে নেই। এই যেমন ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান হয়েও সদ্য নিয়োগ পাওয়া দুই কোচের ব্যাপারে অবগত ছিলেন না। বোর্ডের অব্যবস্থাপনার আরও এক দৃশ্য যেন সামনে এলো এমন খবরে।

বোর্ড পরিচালক, গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান, ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান, বিসিবির কোচ সহ নানা ভূমিকায় কাজ করেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। কিন্তু জিম্বাবুয়ে সিরিজ সামনে রেখে ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্স, স্পিন বোলিং কোচ রঙ্গনা হেরাথের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত নিয়োগ পাওয়ার ব্যাপারে কিছুই জানতেন না।

বোর্ডের যে বিভাগ কাজটি করে থাকে সেই ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান হয়েও বিষয়টি জানতে না পেরে নিজের পদ নিয়েই সন্দিহান খালেদ মাহমুদ সুজন। অথচ বিসিবিকে রঙ্গনা হেরাথের বিষয় প্রথম তিনিই জানিয়েছেন।

আজ (২৮ জুন) সংবা মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুজন বলেন, ‘আমিতো ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান। আমি আপনাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম এই দুটো লোককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাকে কেউ শেয়ার করেনি, হয়তো আমি বায়ো-বাবলে ছিলাম বলে। বাবলে অবশ্য ফোন ছিল, আমাকে হয়তো জানানো হয়নি। আমি পত্রিকা পড়ে খবর শুনে জানতে পারলাম অ্যাশওয়েল প্রিন্স ও রঙ্গনা হেরাথকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। হেরাথের কথাটা আমিই বলেছি বিসিবিকে।’

‘যেহেতু ড্যানিয়েল ভেট্টরি সাথে আমাদের সেভাবে কাজ করা হচ্ছে না, সে আমাদেরকে সময় দিতে পারছেনা সেহেতু একজন অভিজ্ঞ কাউকে প্রয়োজন ছিল। সেদিন থেকে হেরাথকে… আসলে কোচ কি? কোচ জিনিসটা কি এখানে অভিজ্ঞতার একটা ব্যাপার তো আছেই কিন্তু যারা ক্রিকেট খেলছে মাত্রই খেলা শেষ করেছে, অভিজ্ঞতা সাথে লেভেল থ্রি কোচিং কোর্স করা আছে হেরাথের।’

‘সে ভালো বিকল্প হতে পারে। আরো এরকম অনেক নামই উঠে এসেছিল। কিন্তু আমি সত্যিকার অর্থেই জানতাম না এদের দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরে দেখলাম অ্যাশওয়েলকে এক সিরিজ আর হেরাথকে বিশ্বকাপ পর্যন্ত নিয়োগ দিয়েছে।’

নিজের পদ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি আসলে ভাইস চেয়ারম্যান আছি কিনা ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের সেটাও আমি নিশ্চিত না। নামে আছি হয়তো, কারণ কোন মিটিংয়ে যাওয়া হয় না বা কখনও ডাকে না। মাঝের দুই বছর তো ইমেইলই পায়নি, এখন কিছু কিছু পাই।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন আভিষ্কা

Read Next

অনতিবিলম্বে শ্রীলঙ্কা ফিরছেন ৩ ক্রিকেটার, হয়েছেন নিষিদ্ধ

Total
15
Share