খাদের কিনারা থেকে বেঁচে রেকর্ড সংগ্রহে জয় পেল রুপগঞ্জ

খাদের কিনারা থেকে বেঁচে রেকর্ড সংগ্রহে জয় পেল রুপগঞ্জ

আগের ম্যাচে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে প্রিমিয়ার লিগে টিকে থাকা নিশ্চিত করেছে লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জ। মাঝারি মানের দল গড়েও রেলিগেশন পর্বে খেলতে হয়েছে বর্তমান রানার আপ ক্লাবটিকে। তবে গতকাল (২৩ জুন) রেলিগেশন উতরানোর পর আজ পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে জয় পেয়েছে লিগের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ তুলে।

ওল্ড ডিওএইচএসকে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগে টিকে থাকা নিশ্চিত করেছে গতকাল। আগেই প্রথম বিভাগে অবনমন হওয়া পারটেক্সের বিপক্ষে আজ অনেকটা স্বস্তি নিয়ে মাঠে নামে লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জ। যার প্রভাব পড়ে দলের পারফরম্যান্সেও। নিয়ম রক্ষার এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে মেহেদী মারুফ ও জাকের আলি অনিকের ব্যাটে ৩ উইকেটে ২০০ রান তোলে রুপগঞ্জ। মারুফের ৯৪ রানের সাথে জাকের আলির ব্যাট থেকে আসে ৭৬ রান।

জবাবে বড় হার চোখ রাঙালেও শেষদিকে ইশারুল ইসলাম ও জয়নুল ইসলামের ব্যাটে ২৭ রানে হারতে হয় পারটেক্সকে। ফলে রাউন্ড রবিন ও রেলিগেশন পর্ব মিলে ১৩ ম্যাচে জয় শূন্য থেকে লিগ শেষ করলো পারটেক্স।

বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নেমে রুপগঞ্জের দুই ওপেনার মেহেদী মারুফ ও জাকের আলি লিগের সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়েন। ১৭.১ ওভার স্থায়ী জুটিতে দুজনে তোলেন ১৬৯ রান। এর আগের সর্বোচ্চ ওল্ড ডিওএইএসের রাকিন আহমেদ ও জাহিদ উজ্জামানের অবিচ্ছেদ্য ১৩১ রান।

নিহাদুজ্জামানের বলে জাকের আলি বোল্ড হলে ভাঙে জুটি। ৩৮ বলে ফিফটি ছুঁয়ে ফিরেছেন ৪৮ বলে ৫ চার ৪ ছক্কায় ৭৬ রান করে। পরের বলেই নতুন ব্যাটসম্যান শামসুল ইসলাম রান আউটে কাটা পড়েন (০)।

তবে সাব্বির রহমানকে নিয়ে সেঞ্চুরির পথে হাঁটছিলেন মেহেদী মারুফ। যদিও ইনিংসের ১ বল বাকি থাকতে তাকে ফিরতে হয়েছে সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে। ২০ তম ওভারের ৫ম বলে শাহাদাত হোসেন তাকে সায়েম আলমের ক্যাচে পরিণত করে। ৬৩ বলে ৯ চার ৬ ছক্কায় থামতে হয় ৯৪ রানে। ৩ উইকেটে রুপগঞ্জের স্কোরবোর্ডে ২০০। ৮ বলে সাব্বির অপরাজিত ছিলেন ১৩ রানে।

জবাবে সোহাগ গাজী, নাবিল সামাদ, সানজামুল ইসলামদের তোপে ১০০ রানেই ৮ উইকেট হারায় পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব। ওপেনার জনি তালুকদার ২৬, মিডল অর্ডারে রাজিবুল ইসলাম ২০ ও নিহাদ উজ্জামানের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান।

তবে অবিচ্ছেদ্য ৯ম উইকেট জুটিতে মাত্র ৩০ বলে ৭৩ রান তোলে ইশারুল ইসলাম ও জয়নুল ইসলাম। ২২ বলে ৪ চার ২ ছক্কায় ৩৮ রানে ইশারুল ও মাত্র ১৪ বলে ১ চার ৪ ছক্কায় ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন জয়নুল ইসলাম। ২৭ রানের জয় পাওয়ার পথে রুপগঞ্জের সোহাগ গাজীর শিকার ১৭ রানে ৩ উইকেট। সানজামুল ইসলাম ৩৭ রান খরচায় নেন ২ উইকেট।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

সুপার লিগে মোহামেডানের পরাজয়ের হ্যাটট্রিক

Read Next

জাজাই ঝড়ে পিএসএলের ফাইনালে পেশোয়ার জালমি

Total
24
Share