অপেক্ষা বেড়েই চলেছে টাইগার যুবাদের

অনূর্ধ্ব-১৯

২০২০ সালে যুব বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ যুব দলের ফাইনাল ম্যাচটিই অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের সর্বশেষ ম্যাচ। এরপর কোভিড হানা দিলে এখনো বিশ্বের কোনো দেশই যুব পর্যায়ের কোনো সিরিজ খেলতে পারেনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, আইসিসির অন্যান্য ইভেন্টও সরব হচ্ছে তবে অপেক্ষা বাড়ছে যুব পর্যায়ে।

গত মার্চে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে বাংলাদেশই এই যাত্রার শুরু করতে চেয়েছিল। ভারতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলে দেশের মাটিতে এপ্রিলে আতিথেয়তা দেওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানকেও। তবে কোভিড পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় দুইটি সিরিজই স্থগিত হয়।

সূচি অনুসারে ঘনিয়ে আসছে আরেকটি যুব বিশ্বকাপ, তবে সেটি যথাসময়ে মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা কমই বলা যায়। দুই বিশ্বকাপের মাঝে কোনো ম্যাচ, সিরিজই যে খেলতে পারেনি দলগুলো।

টাইগার যুবাদের স্থগিত হওয়া সিরিজগুলো পুনরায় শুরু করার চেষ্টায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে যথাসময়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলে তার আগেই সিরিজগুলো শেষ করতে চায় দেশের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এ প্রসঙ্গে ‘ক্রিকেট৯৭’ কে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের ম্যানেজার এইএম কায়সার বলেন, ‘অভ্যন্তরীনভাবে বোর্ডগুলোর সাথে আলোচনা হচ্ছে। আমাদের যে ট্যুরগুলো আছে সবগুলো অঞ্চলেই কোভিডের কারণে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। আসলে অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে কোনো দেশই ট্যুর করছেনা। ২০২০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের পরে এই পর্যায়ের কোনো খেলাই মাঠে গড়ায়নি বিশ্বের কোথাও।’

‘আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি, রিশিডিউল করার চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি একবার নিয়ন্ত্রণে আসছে আবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। যখনই একটু সুবিধাজনক সময় হবে, আমরা আয়োজন করে ফেলবো ইন শা আল্লাহ। বিশ্বকাপ যদি সময়মত হয় জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে তবে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগেই আমরা সিরিজগুলো খেলে যাবো। যদিও বিশ্বকাপ পেছানোর একটা সম্ভাবনা আছে।’

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সর্বশেষ যুব বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশই যুব পর্যায়ে প্রথম দল হিসেবে সফর করবে কিংবা প্রতিপক্ষকে আতিথেয়তা দিবে। নিজেরা প্রস্তুত আছেন উল্লেখ করে গেম ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার জানালেন চলতি মাসের ১৫ তারিখ পুনরায় শুরু হচ্ছে অনুশীলন ক্যাম্পও।

এইএম কায়সার বলেন, ‘আমরাই সবার আগে শুরু করতে যাচ্ছিলাম আফগানিস্তান, পাকিস্তানের সাথে। মূলত এই তিনটা দলই খেলার মত অবস্থায় ছিল। বাংলাদেশের পর আফগানিস্তান, এরপর পাকিস্তান ছিল করোনার দিক থেকে নিরাপদ অবস্থানে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এই তিন দলও খেলার মত সাহস করছেনা। এর বাইরে অন্য দলগুলোতো চিন্তাই করছেনা।’

‘আপাতত আমাদের একটু ধৈর্য ধরতে হবে যতদিন পরিস্থিতি অনুকূলে না আসে। আমাদের এখানেও বর্ষা মৌসুম চলছে। দেখা যাক কি হয়। আমরা প্রস্তুত আছি, চলতি মাসের ১৫ তারিখ থেকে অনুশীলও শুরু হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

২০২৭ বিশ্বকাপ ভাবনাতেই শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম নিয়ে সচেষ্ট বিসিবি?

Read Next

অথচ অ্যান্ডারসন ভেবেছিলেন তিনি যথেষ্ট যোগ্য নন

Total
1
Share