মিরাজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য, খেলাঘরের প্রথম জয়

মিরাজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য, খেলাঘরের প্রথম জয়

মিরপুরে তিন ফিফটির ম্যাচে লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জের বিপক্ষে জয় পেল খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি। খেলাঘরের মেহেদী হাসান মিরাজ ও জহরুল ইসলাম অমির জোড়া ফিফটির বিপরীতে বৃথা গেল রুপগঞ্জের আল আমিন জুনিয়রের ফিফটি।

চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) প্রথম দুই ম্যাচে হারা খেলাঘর পেল প্রথম জয়ের স্বাদ। অন্যদিকে বৃষ্টিতে প্রথম ম্যাচ পরিত্যক্তের পর রুপগঞ্জ বরণ করে নিল টানা দুই হার।

শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে আল আমিন জুনিয়রের ৫১ রানের ইনিংসে ভর করে ৫ উইকেটে ১৩৮ রানের পুঁজি লেজেন্ডস অফ রুপগঞ্জের। জবাবে বাজে শুরুর পরেও মিরাজের ৫৪ ও অমির অপরাজিত ৫৩ রানে সহজ জয়ই পেল খেলাঘর।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই দুই ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন ও সাদিকুর রহমানকে হারায় খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি। দুজনেই ফিরেছেন সমান ৯ রান করে। ২৫ রানে দুই উইকেট হারানো খেলাঘরকে আর কোনো বিপর্যয়ে পড়তে দেননি অধিনায়ক জহরুল ইসলাম অমি ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

দুজনের ৯৭ রানের জুটিতে লিগে প্রথম জয়ের পথটা মসৃণ হয় খেলাঘরের। জয় থেকে দলকে মাত্র ১৭ রান দূরে রেখে ফিরে যান মিরাজ। ততক্ষণে তুলে নেন ফিফটি, ৪৫ বলে ৬ চার ১ ছক্কায় সাজান ৫৪ রানের ইনিংসটি। ফিফটির দেখা পান অধিনায়ক অমিও।

সালমান হোসেনকে (৭) নিয়ে শেষের কাজটা সেরেছেন উইকেট ও ৩ বল হাতে রেখেই। দলের জয় সূচক বাউন্ডারিতে ফিফটিতে পোঁছান এই উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন সমান ৩ টি করে চার, ছক্কায় ৫৩ রানে।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জের। ২৬ রানে ২ ও ৪৫ রানে হারায় ৩ উইকেট। বাঁহাতি ওপেনার সাদমান ইসলাম ব্যর্থ আরেক দফা, খেলেছেন টি-টোয়েন্টি বিবেচনায় দৃষ্টিকটুভাবে। ২২ বলে ৮ রান করে ফিরেন মাসুম খানের বলে, একই ওভারে অধিনায়ক নাইম ইসলাম খালি হাতে ফেরেন। ২১ বলে ২৮ রান করে রিশাদ হোসেনের বলে আউট হন আরেক ওপেনার আজমির আহমেদও।

সেখান থেকে সাব্বির রহমানকে নিয়ে আল আমিন হোসেন জুনিয়রের ৫৫ রানের জুটি। ২১ বলে ২৩ রান করে সাব্বির ফিরে গেলেও ফিফটির দেখা পেলেন আল আমিন। খালেদ আহমেদের বলে ৪২ বলে ৬ চারে ৫১ রানে আউট হয়েছেন ইনিংসের ১ বল বাকি থাকতে। ১২ বলে সমান ১ টি করে চার, ছক্কায় ১৯ রানে অপরাজিত থাকা জাকের আলি অনিক শেষদিকে যোগ্য সঙ্গ দেন আল আমিনকে।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জ ১৩৮/৫ (২০), সাদমান ৮, আজমির ২৮, নাইম ০, আল আমিন ৫১, সাব্বির ২৩, জাকের ১৯*, মুক্তার ০*; মিরাজ ৪-০-২০-১, খালেদ ৪-০-২৫-১, মাসুম ৪-১-৩৪-২, রিশাদ ১-০-৮-১

খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি ১৪০/৩ (১৯.৩), ইমতিয়াজ ৯, সাদিকুর ৯, মিরাজ ৫৪, জহুরুল ৫৩*, সালমান ৭*; সানজামুল ৪-০-৩১-১, শহিদ ৪-০-২৬-১, মুক্তার ৪-০-২২-১

ফলাফলঃ খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি ৭ উইকেটে জয়ী

ম্যাচসেরাঃ জহুরুল ইসলাম অমি (খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি)।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দলে মইন খানের ছেলে

Read Next

পাকিস্তানের টেস্ট স্কোয়াডে ফিরলেন নাসিম-আব্বাস

Total
12
Share