ডিপিএল আয়োজনে বিসিবির বড় অঙ্কের ভর্তুকি

লকডাউনেও নারীদের সিরিজ চালিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিসিবির

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে (ডিপিএল) খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিকের সাথে, আবাসন, যাতায়ত সহ যাবতীয় খরচ সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোকে বহন করতে হয়। তবে করোনা প্রভাবে গত বছর স্থগিত হওয়া ডিপিএল ফের চালু করতে গিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)।

মূলত ১২ টি ক্লাবের প্রায় ৩০০ জন খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফকে নিয়ে চারটি পাঁচ তারকা হোটেলে তৈরি করতে হচ্ছে বায়ো-বাবল (জৈব সুরক্ষিত বলয়)। প্রায় এক মাসের এই টুর্নামেন্টে এই খাতে পুরো ব্যয়টা করছে বিসিবি। ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের সাথে টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কোচ, মাঠ কর্মীরা তো আছেনই।

অনুশীলন মাঠ, ম্যাচের ভেন্যু ও হোটেলে আসা যাওয়ার জন্য প্রতি দলের জন্য একটি করে আলাদা বাসের ব্যবস্থা করেছে দেশের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আবাসনের মত যাতায়তের ব্যবস্থা সাধারণত সংশ্লিষ্ট ক্লাবকেই করতে হয়। তবে বায়ো-বাবল সিকিউরিটিকে শক্ত রাখতে বিসিবি নিজেদের অর্থায়নের পাশাপাশি তত্বাবধানও করছে। তবে পারিশ্রমিকের বিষয়টি ক্লাবের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে চূড়ান্ত করবে ক্রিকেটাররা।

করোনার এই ভয়াল সময়ে ১২ টি ক্লাবকে বায়ো-বাবলে রাখা ছাড়া সম্ভব হতনা টুর্নামেন্ট আয়োজন। সেক্ষেত্রে পাঁচ তারকা হোটেলে রাখতে হচ্ছে বলে ক্লাবের উপর চাপ পড়ার কথা থাকলেও সেটার পুরোটাই বহন করছে বিসিবি। মূলত ডিপিএল নির্ভর ক্রিকেটারদের রুটি রুজির পথ সুগম করা ও ঘরোয়া লিগ সক্রিয় করতেই বিসিবির এই ভর্তুকি। আর্থিক অঙ্কে যা কয়েক কোটি টাকা।

ক্রিকেট৯৭‘ কে ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম) সদস্য সচিব আলি হোসেন বলেন, ‘পুরো বায়ো-বাবল ব্যবস্থাপনায় অর্থায়ন করছে বিসিবি। খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ সহ প্রতিটি ক্লাবের ২৪ জন করে নির্দিষ্ট পাঁচ তারকা হোটেলে রাখা হচ্ছে। প্রতিটি দলের জন্য আলাদা বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে বায়ো-বাবলের মধ্যেই অনুশীলন মাঠ, ম্যাচের ভেন্যু ও হোটেলে যাতায়ত করার জন্য।’

‘বাসের ড্রাইভার, মাঠকর্মী, আম্পায়ার থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবাইকেই বায়ো-বাবলের মধ্যে রাখা হচ্ছে। আর এটার পুরো অর্থায়ন ও দেখভাল বিসিবি করছে।’

এর আগে বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীস চৌধুরীও জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনে যে বায়ো-বাবল তৈরি করে আসছেন তারা ঠিক সেরকম করার চেষ্টা থাকবে ডিপিএলেও।

উল্লেখ্য, এর আগে আন্তর্জাতিক দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ছাড়া ৫-৬ টি দল নিয়ে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ও বঙ্গবন্ধু টি-টয়েন্টি কাপ নামে দুইটি ঘরোয়া ক্রিকেটের আয়োজনও করে বিসিবি। তবে এবার ১২ টি ক্লাব নিয়ে টুর্নামেন্ট বলেই চ্যালেঞ্জটা বেশি।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

তামিম শতভাগ নিশ্চিত যে তিনি আউট হননি!

Read Next

ড্রাফট শেষে যেমন হল সিপিএলের ৬ দল

Total
3
Share