জানুয়ারিতে বিপিএল আয়োজনে যা সহায়তা করবে বিসিবিকে

জানুয়ারিতে বিপিএল আয়োজনে যা সহায়তা করবে বিসিবিকে

১২ টি ক্লাব নিয়ে ৩১ মে থেকে শুরু হচ্ছে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল)। বায়ো-বাবল (জৈব সুরক্ষিত বলয়) সিকিউরিটি নিশ্চিতের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পরবর্তী আসর আয়োজনে অন্যতম ধাপ হিসেবে মনে করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

এর আগে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ও বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ নামে দুটি টুর্নামেন্টও জৈব সুরক্ষিত বলয়ে আয়োজন করে বিসিবি। ঐ ঘরোয়া টুর্নামেন্ট দুটি ছাড়াও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজও সফলভাবে শেষ করছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

তবে বিপিএলে বিদেশি ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফের সংশ্লিষ্টতা থাকায় জৈব সুরক্ষিত বলয় নিশ্চিতে বাড়তি সতর্ক হতে হচ্ছে। আর সে ক্ষেত্রে ডিপিএলকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছে বিসিবি। ১২ টি ক্লাবের প্রায় ৩০০ জন খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফ নিয়ে প্রায় একমাস ধরে চলবে এই টুর্নামেন্ট।

আজ (২৮ মে) মিরপুরে সাংবাদিকদের বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, ‘অবশ্যই হবে (ডিপিএলে সফল হলে বিপিএল আয়োজনে সুবিধা)। আরও গুরুত্বপূর্ণ খেলা আছে, প্রথম শ্রেণির খেলা আছে, বিসিএল বিপিএল আছে। এখানে যদি ভালোভাবে বায়োবাবল করতে পারি… এর আগে তো করেছি আমরা, বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ করেছি। আমাদের কিছু অভিজ্ঞতা তো আছেই। এর মধ্যে একটা টিমও তৈরি হয়েছে তারা জানে এটা কীভাবে করতে হয়।’

‘অবশ্যই বড় চ্যালেঞ্জ। দুইশ-আড়াইশ খেলোয়াড়ের মধ্যে কয়েকজন শিকার হতে পারে। ইতোমধ্যে ৫-৬ জন পজিটিভ হয়েছিল। আবার পরীক্ষার পর নেগেটিভ হয়েছে। এমন দুই-একটা হতে পারে। আইসিসির যে প্রটোকল আছে- কেউ যদি পজিটভ হয়, সাথে সাথে আইসোলেশনে নিয়ে খেলা চালানোর বিধান আছে। আমরা চেষ্টা করব যতদূর সম্ভব… অবশ্যই বড় একটা চ্যালেঞ্জ।’

আগস্টের শেষ দিকে বাংলাদেশ সফরে আসবে অস্ট্রেলিয়া, এরপর পর্যায়ক্রমে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। ডিপিএল ছাড়াও বিপিএল আয়োজনে সহায়ক হতে পারে এসব হোম সিরিজ সফলভাবে সম্পন্ন করা।

এ প্রসঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘অবশ্যই বড় সুযোগ। যদি এগুলো ভালোভাবে আয়োজন করতে পারি, এই মহামারীর পরিস্থিতিতে এত বড় দলের বিরুদ্ধে সিরিজ আয়োজন করতে পারি অবশ্যই উৎসাহ তো পাবেই (বিপিএল)।’

‘যদি জানুয়ারিতে বিপিএল করি… ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টটা যদি ছড়িয়ে যায়, জুনের ১৫ তারিখ পর্যন্ত খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়। এর মধ্যে যদি কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি আর কোভিড বেশি না ছড়ায়, আমাদের জন্য সামনের খেলাগুলো আয়োজন করতে আরও সুবিধা হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

টাইগারদের বড় লক্ষ্য ছুঁড়ে দিল শ্রীলঙ্কা

Read Next

ইউটিউবে দেখা যাবে ডিপিএলের ম্যাচ

Total
13
Share