চিন্তার কিছু না হলেও আরও সতর্ক হচ্ছে বিসিবি

চিন্তার কিছু না হলেও আরও সতর্ক হচ্ছে বিসিবি

আবহাওয়া পূর্বাভাসে সিরিজ চলাকালীন সময়ে প্রতিকূল আবহাওয়ার আভাস থাকাতে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে শঙ্কা ছিলই। সেই শঙ্কা আরও বেড়ে যায় প্রথম ওয়ানডের আগে। তবে তা আবহাওয়ার কারণে নয়, বরং করোনা ভাইরাসের জন্য।করোনা টেস্টে পজিটিভ প্রমাণিত হন সফরকারী শিবিরের ৩ ও বাংলাদেশের ২ জন। পরে আরেকদফা টেস্ট করানো হলে নেগেটিভ প্রমাণিত হন ৫ জনের ৪ জনই, খেলাও নির্ধারিত সময়ে মাঠে গড়ায়। 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলছেন যেকোন পরিস্থিতির জন্য আইসিসির বেঁধে দেওয়া গাইডলাইন আছে। আছে দুই দেশের বোর্ডের মধ্যে সমঝোতাও। কখন কি করতে হবে, কোন পরিস্থিতিতে কি পদক্ষেপ নিতে হবে সবই প্রটোকলে আছে।

গতকাল (২৩ মে) ম্যাচের ইনিংস ব্রেকে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘আসলে যেটা হয়েছে, আমাদের আইসিসির একটা গাইডলাইন আছে। আর যে দলের সঙ্গে খেলা তাদের সঙ্গে একটা সমঝোতা হয়। এবং কী হলে কী হবে সেটার সব কিছু সেখানে লেখা আছে। কেউ যদি পজিটিভ হয়, তখন কী হবে। ডাক্তার দেখাতে হলে কে দেখবে, টেস্ট করাতে হলে কোন জায়গায় গিয়ে করবে, সমস্ত কিছু প্রোটোকল করা আছে। আমাদের এখানে যেটা হয়েছে শ্রীলঙ্কার তিন জনের পজিটিভ এসেছে, আগের টেস্টগুলোতে নেগেটিভ ছিল। আমাদের জানামতে আমাদের বায়ো বাবলে নেগেটিভ কারও গিয়ে পজেটিভ হওয়াটা অস্বাভাবিক। মানে এটা আমরা মনে করি এটা এমন কিছু যেটা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তারপরও হতে তো পারেই।’

‘সে জায়গায় তিন জনের হয়েছে। তিন জনের হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই তাদের আইসোলেট করা হয়। তারপর যখন টেস্ট করতে দিলাম কারণ তাদের কোনো লক্ষণ নাই। দ্বিতীয়বার যখন টেস্ট করল তখন নেগেটিভ। কিন্তু একজনের আসলো পজিটিভ (শিরান ফার্নান্দো)। কেনো পজিটিভ আসলো সেটি দেখতে গিয়ে আমাদের ধারণা, যেহেতু সে কিছু দিন আগেই কোভিড থেকে রিকভার করেছে, তার ডেড আরএনএ ডিটেক্ট করে পিসিআর। এটা হতে পারে, অনেকের কিন্তু ২৮ দিন পর্যন্ত পাওয়া যায়। যেহেতু ওর ২৮ দিন হয়নি তাই পেতে পারে। এজন্য আমরা আবার তৃতীয় বার টেস্ট করতে পাঠিয়েছি। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া’, পাপন যোগ করেন। 

একই রকম পরিস্থিতি হয়েছে বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজনকে নিয়েও। দুই দফা নেগেটিভ ফল আসার পর পজিটিভ ফল আসে তার। পরে আরও দুই দফা টেস্ট করলে দুই বারই নেগেটিভ প্রমাণিত হন তিনি। তাই চিন্তার কিছু নেই বলে জানান বিসিবি সভাপতি, তবে বলছেন বাড়াবেন সতর্কতা।

তিনি বলেন, ‘একইরকম জিনিস কিন্তু হয়েছে আমাদের খালেদ মাহমুদ সুজনকে নিয়ে। সুজন বায়ো বাবলে ঢোকার আগে টেস্ট করেছে নেগেটিভ। তারপর লাস্ট টেস্ট করতে গিয়ে এসেছে পজিটিভ। কিন্তু ও বলে আমার তো কিছু হয় নাই। তারপর আমরা আবার টেস্ট করালাম, আসে নেগেটিভ। আজকে আবার করালাম নেগেটিভ। মাঝেমধ্যে এরকম আসতে পারে, কিন্তু তার জন্য প্রোটোকল করা আছে, একবার পজিটিভ হলে কী করতে হবে, কতবার টেস্ট করে শিওর হতে হবে যে সে নেগেটিভ। আমরা ওটা ফলো করছি। কাজেই এইটা নিয়ে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি যেটা খুব চিন্তার বিষয়। তবে নিশ্চিতভাবেই আমরা সতর্কতা আরও বাড়াব।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ভয় পাইয়ে দেয়া হাসারাঙ্গাকে নিয়ে যা ভেবেছিল বাংলাদেশ

Read Next

সাকিবের পর পিএসএল খেলা হচ্ছেনা মাহমুদউল্লাহ, লিটনেরও

Total
1
Share