দুই দেশের হয়ে খেলা বয়েড র‍্যানকিনের অবসরের ঘোষণা

দুই দেশের হয়ে খেলা বয়েড র‍্যানকিনের অবসরের ঘোষণা

আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড দুই দেশের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাতানো ডানহাতি মিডিয়াম পেসার বয়েড র‍্যানকিন ১৮ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন। ২০০৭ সালে আয়ারল্যান্ডের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয় র‍্যানকিনের। এরপর ইল্যান্ডের জার্সিতে ২০১৪ সালে টেস্ট ম্যাচে অভিষেক হয় তাঁর।

উত্তর আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার বয়েড র‍্যানকিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড– উভয় দলের হয়েই খেলেছেন।

বয়েড র‍্যানকিন ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করেন নিজের দেশ আয়ারল্যান্ডের হয়েই। ২০০৭ সালে বারমুডার বিপক্ষে কেনিয়ার নাইরোবিতে আইসিসির ওয়াল্ড ক্রিকেট লিগের চতুর্থ ওয়ানডেতে অভিষেক হয়। এরপর ২০০৯ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ড টি-টোয়েন্টি দলেও ডাক পেয়ে যান।

২০১২ সালের আগস্টে বয়েড আয়ারল্যান্ডের হয়ে না খেলার ঘোষণা দেন। এরপর তিনি ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে ২০১৩ সালে টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের জার্সিতে অভিষেক হয়। এরপর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম টেস্টে ডাক পান ইংলিশদের সেরা একাদশে।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর অভিষেক হয়েছিল ২০০৩ সালে। ১৮ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারকে বিদায় জানানোর আগে আন্তর্জাতিক সব সংস্করণ মিলিয়ে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট ১৬৯টি উইকেট।

২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের হয়ে ৭৫টি ওয়ানডে (ইংল্যান্ডের হয়ে ৭ ওয়ানডে ও আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৬৮ ওয়ানডে), ৫০টি টি-টোয়েন্টি (ইংল্যান্ডের হয়ে ২ টি-টোয়েন্টি ও আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৪৮ টি-টোয়েন্টি) ও ৩টি টেস্ট (ইংল্যান্ডের হয়ে ১ টেস্ট ও আয়ারল্যান্ডের হয়ে ২ টেস্ট) ম্যাচে খেলার সুযোগ পান বয়েড র‍্যানকিন।

অবসরের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বয়েড র‍্যানকিন বলেছেন,

‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়াটা সব সময় কঠিন সিদ্ধান্ত। তবে আমি মনে করেছি, ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য এটাই সঠিক সময়। ২০০৩ সাল থেকেই পেশাদার ক্রিকেট আমি মন-প্রাণ দিয়ে নিজেকে নিংড়ে দিয়েছি। এবং প্রতিটা মুহূর্তকেই আমি ভালবেসে খেলেছি। আমি স্বপ্নেও ভাবিনি, আয়ারল্যান্ডের হয়ে আমি খেলব। বিশ্বকাপ খেলব। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপেও আমি খেলেছি। ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে ৫০ ওভারের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ দু’বার জিতেছি। ২০১৪তে টি-টোয়েন্টিতে জেতাটাও খুব স্পেশ্যাল ছিল আমার কাছে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

ফিল্ডিং দিয়ে সিরিজে বড় প্রভাব রাখতে চায় শ্রীলঙ্কা

Read Next

সাত ব্যাটসম্যান ও তিন পেসার নিয়ে বাংলাদেশের সেরা একাদশ

Total
25
Share