ক্যাচ মিসের হতাশা নিয়ে লাঞ্চে গেল বাংলাদেশ

ক্যাচ মিসের হতাশা নিয়ে লাঞ্চে গেল বাংলাদেশ
Vinkmag ad

প্রথম টেস্টে রান উৎসব উপহার দিয়ে ডিমেরিট পয়েন্ট পাওয়া ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট যে দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন হবে তার আভাস মিলেছে। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম সেশন শেষে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংও সেটির প্রমাণ দেয়। লাঞ্চের আগে বিনা উইকেটে শ্রীলঙ্কা ৬৬ রান তুললেও টাইগার বোলারদের বিপক্ষে ভুগতে হয়েছে, আউট হওয়ার সুযোগও তৈরি হয়েছিল একাধিকবার।

প্রথম সেশনে খেলা হয়েছে ২৭ ওভার। ৬৬ রানের অবিচ্ছেদ্য উদ্বোধনী জুটির পথে অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে ও লাহিরু থিরিমান্নে অপরাজিত সমান ৩২ রানে।

একাদশে শ্রীলঙ্কা দুই ও বাংলাদেশ এক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে। দুই দলেই একটি করে অভিষেক। বাংলাদেশ দলে শরিফুল ইসলামের, শ্রীলঙ্কার প্রবীন জয়াবিক্রমার।

দুই দলই একাদশ সাজিয়েছে দুই স্বীকৃত স্পিনার নিয়ে। লঙ্কান একাদশে দুই পেসার থাকলেও বাংলাদেশ একাদশে পেসার তিনজন।

বাংলাদেশ একাদশে শরিফুল ইসলামকে জায়গা দিতে বাদ পড়েছেন এবাদত হোসেন। শ্রীলঙ্কা একাদশে প্রবীন জয়াবিক্রমার সাথে ঢুকেছেন রমেশ মেন্ডিসও। বাদ পড়েছেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, ইনজুরির কারণে ১ম টেস্টের মাঝপথেই ছিটকে যাওয়া লাহিরু কুমারা নেই সঙ্গত কারণেই।

ইনিংসের শুরুতেই টাইগার পেসার তাসকিন আহমেদ ও আবু জায়েদ রাহিতে অস্বস্তি দিমুথ করুনারত্নে ও লাহিরু থিরিমান্নের। প্রথম তিন ওভারেই বেশ কয়েকবার পরাস্থ হয়েছেন। চতুর্থ ওভারে প্রথম আক্রমণে আসে স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজকে সাবলীলভাবে সামলে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেয় দুই লঙ্কান ওপেনার।

অভিষিক্ত বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম বোলিংয়ে আসেন ৯ম ওভারে। নিজের প্রথম ওভারেই গতি দিয়ে ভড়কে দেয়ার চেষ্টা এই তরুণের। বল করেছেন ঘন্টায় ১৪০ এর আশেপাশে, ওভারের শেষ বলটি ছিল ১৪১ গতিতে। ৪ ওভারের প্রথম স্পেলে শরিফুলের খরচ ১৪ রান।

এদিকে ১২ তম ওভারে রাহির বলে রিভিউ নষ্ট করে বাংলাদেশ। ১২ তম ওভারের চতুর্থ বলে উইকেটের পেছনে করুনারত্নের বিপক্ষে ক্যাচের আবেদন লিটন দাসের, বোলার রাহি কিংবা লিটন কেউই খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিলনা। এরপরও রিভিউ নিয়ে সেটি হারান বাংলাদেশ কাপ্তান মুমিনুল হক।

শুরুর জড়তা কাটিয়ে ছন্দে ফেরার সময়টাতেই তাসকিনের বলে স্লিপে ক্যাচ দেন করুনারত্নে। ২০তম ওভারের শেষ বলে স্লিপে সহজ ক্যাচ ছাড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। ঠিকঠাক তালুবন্দী করতে পারলে লঙ্কান দলপতি ফিরতেন ব্যক্তিগত ২৮ রানে। এদিন ৮ রান করেই ছুঁয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫ হাজার রান।

শেষ পর্যন্ত সেশনের বাকি সময় অনায়েসেই পার করেন লঙ্কান দুই ওপেনার। সমান ৩২ রানে অপরাজিত থাকার পথে করুনারত্নে ৮৫ ও থিরিমান্নে ৭৮ বল খরচ করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (১ম দিন, ১ম সেশন শেষে):

শ্রীলঙ্কা ৬৬/০ (২৭), থিরিমান্নে ৩২*, করুনারত্নে ৩২*

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই আম্পায়ার

Read Next

৪ সদস্যের এলিট ক্লাবে ডেভিড ওয়ার্নার

Total
10
Share