তামিম-মুশফিকদের জন্য শ্রীলঙ্কার প্ল্যান ‘এ’, ‘বি’ প্রস্তুত

তামিম-মুশফিকদের জন্য শ্রীলঙ্কার প্ল্যান 'এ', 'বি' প্রস্তুত

বাংলাদেশের বিপক্ষে আগামীকাল (২৯ এপ্রিল) শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টে স্পিনারদের প্রাধান্য দেয়ার পক্ষে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। পাল্লেকেলের উইকেটে প্রথম টেস্ট কেবল রান বন্যাই দেখেছে। দ্বিতীয় টেস্টে ফল প্রত্যাশিত উইকেট চাইছে দুই দলই। স্পিন নির্ভর উইকেট হলে বাংলাদেশের চাইতে পিছিয়েই পড়ার কথা লঙ্কানদের। চোটের কারণে দলে নেই মূল স্পিনাররা। যারা আছে তাদের নিয়েই অবশ্য বাজি ধরতে রাজি লঙ্কান দলপতি দিমুথ করুণারত্নে। তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিমদের জন্য থাকছে প্ল্যান ‘এ’, ‘বি’।

স্পিন নির্ভর উইকেটে বাঁহাতি স্পিনার লাসিথ এম্বুলদেনিয়া ও অফ স্পিনার দিলরুয়ান পেরেরা লঙ্কানদের মূল অস্ত্র। দুজনেই ফিটনেস ইস্যুতে সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন। তবে আছেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, লাসকান সান্দাকান, প্রবীন জয়াবিক্রমার মত স্পিনাররা। দ্বিতীয় ম্যাচে তিন স্পিনার নিয়ে খেলার কথা জানালেন লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। ২ পেসারের সাথে থাকবে ৩ স্পিনার।

আগের ম্যাচে খেলা ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার সাথে তৃতীয় স্পিনার হিসেবে অনভিষিক্ত প্রবীন জয়াবিক্রমার চেয়ে ১১ টেস্টে ৩৭ উইকেট নেয়া অভিজ্ঞ লাসকান সান্দাকানই এগিয়ে থাকার কথা। দুই পেসার সুরাঙ্গা লাকমল ও বিশ্ব ফার্নান্দোর খেলা নিশ্চিতই। শেষ পর্যন্ত যারাই খেলুক টাইগার ব্যাটসম্যানদের সামলে নেয়ার কৌশল ঠিক করে রেখেছে বলে জানালেন লঙ্কান দলপতি।

প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসেই তামিমের ব্যাটিং বদলে দিয়েছিল দলের মানসিকতা। প্রথম ইনিংসে তার ৯০ রানের ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হকরা পেয়েছিল সেঞ্চুরি তুলে নেয়ার ভীত। ফিফটি হাঁকিয়েছে লিটন দাস, মুশফিকুর রহিমও। দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাটিং স্বর্গ না হলেও যেকোনো কন্ডিশনে তামিম, মুশফিকরা হুমকি হতে পারে যেকোনো দলের জন্য।

বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের সামলাতে কতটা প্রস্তুত লঙ্কান তরুণ বোলাররা এমন প্রশ্নে আজ (২৮ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে শ্রীলঙ্কা অধিনায়কের জবাব, ‘এখানে মিটিং হয়েছে, শুধু নতুন নয়, পুরোনোদের জন্যও। এটা বোলারদের নিয়ে মিটিং ছিল। যা তাদেরকে অনেক কিছু সম্পর্কে বুঝতে সাহায্য করেছে। তারা পুরোপুরি বুঝতে পেরেছে কোথায় স্কোর হবে, কোথায় হবে না, প্ল্যান ‘এ’ কি আর প্ল্যান ‘বি’ কি সে সম্পর্কেও।’

‘কখনো কখনো প্রথম পরিকল্পনা কাজে নাও আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভিন্ন পরিকল্পনা থাকছে। যদি সেটিও কাজে না আসে তবে বেসিকে ফিরে যাওয়াই উত্তম। সে ক্ষেত্রে আরও ভিন্ন পন্থায় যেতে হবে এবং উইকেট তুলে নেয়ার চেষ্টা করতে হবে। আমি সবসময় কোচের সাথে আলাপ করে কয়েকটি পরিকল্পনা তৈরি করি।’ যোগ করেন দিমুথ করুনারত্নে।

 

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

টেস্ট ড্র করাকে বিশাল সাফল্য মনে করায় হতাশ ডোমিঙ্গো

Read Next

রানপ্রসবা পাল্লেকেলের পিচ পেল ‘বিলো অ্যাভারেজ’ ট্যাগ

Total
8
Share