সাকিব না থাকায় যে সুবিধা পাচ্ছেন না ডোমিঙ্গো

সাকিব না থাকায় যে সুবিধা পাচ্ছেন না ডোমিঙ্গো

সাকিব আল হাসান থাকা মানেই দলে একজন বাড়তি ব্যাটসম্যান ও বোলার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলমান টেস্ট সিরিজে সাকিব ছুটি নেয়াতে একাদশ সাজাতে কিছুটা ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে বাংলাদেশ দলকে। বিশেষ করে যখন ৬ ব্যাটসম্যান ৫ স্পিনারের আক্রমণাত্মক একাদশে অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ।

ড্র হওয়া প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ৬ ব্যাটসম্যানের সাথে ৫ বোলার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছিল। প্রথম টেস্টের একদম ফ্ল্যাট উইকেট যে দ্বিতীয় টেস্টে থাকছেনা সেটা অনুমেয়ই। আগামীকাল (২৯ এপ্রিল) থেকে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টে লঙ্কানরা বাড়তি স্পিনার খেলানোর পরিকল্পনা করছে। তবে বাংলাদেশ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে আজ রাতে। যদিও ৬ ব্যাটসম্যান, ৫ বোলারের কম্বিনেশন থেকে বের না হওয়ার আভাস কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোর।

আজ ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ডোমিঙ্গো বলেন, ‘আমাকে এটা (৬ ব্যাটসম্যান) নিয়ে নির্বাচকদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। তবে এটা ঠিক আমাদের সামনে এখন এ পথটাই খোলা আছে। সাকিব থাকলে আমরা হয়ত সাতজন ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলতাম। সাকিবের ওভারগুলো বাড়তি কাজে দিত। কিন্তু এখন এই সুবিধাটা না থাকায় আমাদের সাহসী হতে হবে। ৫ বোলার নিয়ে খেলতে হবে যেন তারা ২০ উইকেট এনে দিতে পারে। তো এটা নিয়ে আমার নির্বাচকদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।’

এদিকে আগের টেস্টের তিন পেসারকেই রাখার পরিকল্পনা রাসেল দোমিঙ্গোর। কিন্তু গরমের কারণে টানা বল করার সামর্থ্য আছে কিনা সেটা নিশ্চিত করতে হবে তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন, আবু জায়েদ রাহিদের। ভবিষ্যত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাদের নিয়মিত টেস্টে সুযোগ দেয়ার প্রয়াস। এদিকে নেটে ভালো বল করা অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা পেসা শরিফুল মুগ্ধ করেছেন ডোমিঙ্গোকে।

তিনি বলেন, ‘অবশ্যই ওরা তিনজনই (তাসকিন, এবাদত, রাহি) এখন আমাদের প্রথম সারির পেসার। এছাড়া শরিফুল নেটে খুব ভাল কাজ দেখিয়েছে। আমি চাই এই তিনজনকেই এই টেস্টে খেলাতে। কিন্তু আগে যেমনটা বললাম, দেখতে চাই ওরা এই গরমে টানা বোলিংয়ের চাপটা কতটা নিতে পারছে। গত টেস্টে যেমন তাসকিন ৩০ ওভার করেছে, এবাদত ২০ এর মতো, রাহিও ১৫ ওভারের মতো বল করেছে।’

‘আমাকে দেখতে হবে সামনের টেস্টে তারা শতভাগ দিতে পারবে কিনা। আমরা এখনও শেষ সিদ্ধান্তটা নেইনি, তবে চেস্টা করবো ওরা তিনজনই যেন খেলতে পারে। আমরা চাচ্ছি ওদের দলে রাখার ব্যাপারে-সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে ধারাবাহিক হতে। কারণ ওদের তিনজনেরই আরো টেস্ট অভিজ্ঞতা দরকার।’

‘আমি এটাই চাচ্ছি। দলে ৫-৬ জন পেসার থাকবে যারা যে কোন সময় মাঠে নামার জন্য প্রস্তত থাকবে। আমি আগেও এই লক্ষ্যের কথা বলেছি। আমরা সেই পথেই আছি। সেরা তিনজন ছাড়া আমাদের অভিজ্ঞ মুস্তাফিজুর আছে, শরিফুল আছে, খালেদ আছে। তো সব মিলিয়ে আমাদের এখন পেস বোলিংয়ে বেশ গভীরতা আছে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বেতন কর্তন ইস্যুতে লঙ্কান ক্রিকেটারদের বিদ্রোহ

Read Next

প্রথমবারের মতো র‍্যাংকিংয়ের সেরা দশে রিজওয়ান

Total
1
Share