কাছে যেয়ে যে রোমাঞ্চ টের পেলেন শরিফুল ইসলাম

কাছে যেয়ে যে রোমাঞ্চ টের পেলেন শরিফুল ইসলাম
Vinkmag ad

ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী সংস্করণ টেস্ট, সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ফরম্যাটও। পাঁচ দিনের টেস্টে প্রতিটি সেশনেই রাখতে হয় দৃঢ় মনযোগ। সেশনে সেশনে বদলে যায় পরিকল্পনা, টিকে থাকতে সাজাতে হয় নতুন নতুন রণ কৌশল। প্রথমবারের মত টেস্ট দলে জায়গা পেয়ে বিষয়গুলোকে খুব কাছ থেকে দেখলেন বাঁহাতি টাইগার পেসার শরিফুল ইসলাম।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের মূল স্কোয়াডে জায়গা পেলেও মূল একাদশে সুযোগ হয়নি। তবে ড্রেসিং রুমে থাকা, দলের ক্ষণে ক্ষণে বদলানো পরিকল্পনা কাছ থেকে দেখে টেস্ট ক্রিকেটের মজাটা টের পেয়েছেন হাড়ে হাড়ে। রোমাঞ্চিত শরিফুল এসব উপভোগও করেছেন বেশ।

যুব দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন, বেশ তরুণ বয়সেই অভিষেক হয় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের নিয়মিত মুখও হয়ে উঠেছেন বাঁহাতি এই পেসার। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড সফরে গায়ে চাপিয়েছেন জাতীয় দলের জার্সি, অভিষেক হল টি-টোয়েন্টিতে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অভিষেক না হওয়া শরিফুলের অপেক্ষা হয়তো আরও দীর্ঘ হতে পারে। তবে ২৯ এপ্রিল শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টের আগে আজ (২৭ এপ্রিল) বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় জানালেন কাছ থেকে টেস্ট ক্রিকেট দেখার অনুভূতি।

শরিফুল বলেন, ‘প্রথমবারের মতো চতুর্দশ ক্রিকেটার ছিলাম আর এতো কাছ থেকে টেস্ট ক্রিকেট আমি কখনও দেখি নাই। তো আমার জন্য একটু এক্সাইটিং ছিল। টেস্ট খেলাটা আসলে মজার খেলা। প্রতি সেশনে সেশনে মুভমেন্ট চেঞ্জ হয়। একেকরকম মেসেজ পাঠানো হয়। তো আমি খুব এক্সাইটেড ছিলাম। মনে হয় নাই যে আমি ম্যাচের বাইরে আছি। মনে হয়েছে যে আমি ম্যাচের মধ্যেই আছি, সবসময় ইনফরমেশনের ভেতরেই ছিলাম।’

‘আসলে টেস্ট খেলাটা একটু হার্ড। যে ওয়েদারে খেলা হচ্ছে অনেক রোদ ছিলো। পেস বোলারদের একটু পরপর পানি খাওয়ানো, তাদের সাথে কথা বলা, তাদের কাছ থেকে কিছু জানা। সবমিলিয়ে মনে হচ্ছিল যেমন মজার আছে, তেমন ওদের কষ্টও আছে। এটা আসলে খেলার পার্ট। এটা আমাদের হাতে নেই। এটা জয় করেই আমাদের ভালো কিছু করতে হবে।’

ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরুতেই স্বপ্ন দেখেছেন তিন ফরম্যাটে সমানতালে খেলবেন। শৈশব কোচ আলমগীর কবিরের (বাংলাদেশের হয়ে তিন টেস্ট খেলেছেন) সংস্পর্শে গিয়েও টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে আগ্রহের জায়গাটা বেড়েছিল বলে জানান এই তরুণ পেসার।

১৯ বছর বয়সী শরিফুল বলেন, ‘আসলে আমি যখন খেলা শুরু করছি তখনই আমার চিন্তা ছিল যে তিনটা ফরম্যাটই খেলব। ইন শা আল্লাহ যদি আমি টেস্ট খেলি কখনও, নিজের বেস্টটা দেয়ার চেষ্টা করব। আমার কোচ, যার কাছে আমি প্র‍্যাকটিস করছি, শিখছি উনি টেস্ট প্লেয়ার ছিলেন। তো উনি বলতেন যে টেস্ট ক্রিকেট খেলাটা হলো সর্বোচ্চ একটা মানের খেলা। তো ওইখানে খেলতে পারলে ভাল হবে আর নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করবা। তো কখনও যদি সুযোগ পাই সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করব ইন শা আল্লাহ।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে স্কোয়াড প্রস্তুত

Read Next

‘৩’ নয়, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ‘৫’ ম্যাচের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ!

Total
1
Share