পরের টেস্টে ভিন্ন কিছু অপেক্ষা করছে বলছেন খালেদ মাহমুদ

দলের পারফরম্যান্স ফেরাতে নিজের মন্ত্র কাজে লাগাবেন সুজন
Vinkmag ad

ক্যান্ডি টেস্টের উইকেট নিয়ে হতাশ বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা দুই দলই। অন্তত ফল প্রত্যাশা করা যায় এমন উইকেট কোনভাবেই ছিল না পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সদ্য সমাপ্ত দুই দলের প্রথম টেস্টের উইকেট। তবে দ্বিতীয় টেস্টেই ভিন্ন কিছু অপেক্ষা করছে বলে মত বাংলাদেশ দলের টিম লিডার খালেদ মাহমুদ সুজনের। একদম ফ্ল্যাট উইকেট ছিল বলে প্রথম টেস্টে বল করা দুই দলের বোলারদের জন্য দুঃখ প্রকাশও করলেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক।

পাল্লেকেলে এমনিতে স্পিনারদের হয়ে কথা বলে নিয়মিত। তবে এবার টাইগারদের অভিজ্ঞ স্পিন আক্রমণ সামলাতে গিয়ে বিপদে পড়তে চায়নি শ্রীলঙ্কা। পেস নির্ভর উইকেট বানিয়ে কোণঠাসা করতে চেয়েছিল সফরকারী বাংলাদেশকে। তবে ম্যাচে উইকেট আচরণ করেছে ভিন্ন, একদম ফ্ল্যাট উইকেটে দেখলো রান বন্যা। বোলারদের জন্য পঞ্চম দিনে গিয়েও ছিলনা কোন বাড়তি সুবিধা। নিস্প্রাণ ড্রয়েই শেষ হয়েছে ম্যাচ।

বাংলাদেশ দলের সাথে যাওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবির) পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন বলছেন একই ভেন্যুতে ২৯ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টেই ভিন্ন কিছু দেখা যাবে। পেস কিংবা স্পিন নির্ভর যাই হোক অন্তত ফ্ল্যাট উইকেট হচ্ছেনা অনেকটা জোর দিয়েই বললেন।

বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় আজ (২৬ এপ্রিল) তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ আমি বিশ্বাস করি এই ম্যাচের উইকেট একদম ফ্ল্যাট ছিল। যেখানে এই কন্ডিশনে, এই উইকেটে টেস্ট ম্যাচের ফল হওয়া খুবই কঠিন আসলে। তবে আমি মনে করি এরপরে আমাদের জন্য অন্যরকম কিছু অপেক্ষা করছে। সেটা এখনই বলা যাবেনা উইকেট না দেখে।’

‘কালকে আমরা মাঠে যাবো আশা করি, সিমিং উইকেট হতে পারে, কতটুকু সিমিং হবে আমরা জানিনা। হয়তো স্পিন উইকেট হতে পারে। কিন্তু অবশ্যই ফ্ল্যাট উইকেট হবেনা বলে আমি মনে করি। কারণ শ্রীলঙ্কা দলও হয়তো পছন্দ করেনি এই উইকেটকে।’

এদিকে মহাসড়কের মত ফ্ল্যাট উইকেটে পাঁচ দিনে ১২৮৯ রানের বিপরীতে পড়েছে মাত্র ১৭ উইকেট। যার ১৬ টি নিতে পেরেছে দুই দলের বোলাররা, একটি রান আউট। বোলারদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছেন টাইগারদের সাবেক এই অধিনায়ক।

খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘আমি দুঃখিত বোলারদের জন্য, দুই দলের বোলারদের জন্যই। এই উইকেটে টেস্ট ম্যাচ জেতানো, বোলারদের জন্য খুবই কঠিন, ২০ উইকেট তোলা। আর আমাদের বোলিং আক্রমণের চেয়েতো ওদের পেস বোলিং আক্রমণ বেশি অভিজ্ঞ। হয়তোবা আমরা স্পিনারদের দিক থেকে অভিজ্ঞ ছিলাম। কিন্তু পেস বোলারদের দিক দিয়ে ওরা অভিজ্ঞ। ওরাও কিন্তু এখান থেকে উইকেট তুলতে পারেনি।’

‘পুরো পাঁচদিন শেষে আমরা দেখলাম মাত্র ২০ টা (মূলত ১৭ টি) উইকেটের মত পড়েছে। আমি বলবো যে টেস্ট ক্রিকেটে রেজাল্ট অরিয়েন্টেড উইকেট এটা না। আমরা আশা করছি পরের ম্যাচে এর থেকে ভালো উইকেট পাবো।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

১১ ঘন্টা ব্যাট করেও ক্লান্তি উপভোগ করলেন করুনারত্নে

Read Next

শ্রীলঙ্কার টেস্ট স্কোয়াডে দুই পরিবর্তন

Total
1
Share