তামিমের মত ব্যাটিং করলে ‘১১’ সেঞ্চুরি হত না মুমিনুলের

তামিমের মত ব্যাটিং করলে সেঞ্চুরি হত না মুমিনুলের
Vinkmag ad

ড্র হওয়া ক্যান্ডি টেস্টে বাংলাদেশ ওপেনার তামিম ইকবাল দেখিয়েছেন আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ঝকল। যেখানে দুই দলের সফল হওয়া অন্য ব্যাটসম্যানরা রান পেয়েছেন টেস্ট মেজাজে খেলে। তামিম তার নিজের মতই খেলেছেন বলছেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। তামিমের মত খেললে ১১ টি টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা পেতেন কিনা সন্দেহ আছে টাইগার টেস্ট কাপ্তানের। তুলে ধরেন খেলোয়াড় ভিন্নতায় ব্যাটিং ধরণে ভিন্নতার বাস্তবতাও।

মূলত একেক জন ব্যাটসম্যানের ধরণ একেক রকম। যে কারণে ব্যাটিং পরিকল্পনা কিংবা রান করার ধরণেও দেখা যায় ভিন্নতা। ক্রিকেট ইতিহাসে বীরেন্দর শেবাগের মত মারকুটে টেস্ট ব্যাটসম্যান যেমন দেখেছে তেমনি রাহুল দ্রাবিড়, শিবনারায়ন চন্দরপালের মত দেখেশুনে ধীর গতিতে এগোনো ব্যাটসম্যানের দেখাও মিলেছে।

ক্যান্ডি টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক সেঞ্চুরির দেখা পান। দুজনেই আউট হওয়ার আগে খেলেছেন ৩০০ এর বেশি বল। অন্যদিকে ১০ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করা তামিম ১০১ বলেই ১৫ চারে ৯০ রানের ইনিংসটি সাজান। দ্বিতীয় ইনিংসেও খেলেছেন অনেকটা একই ঘরানায়। আজ পঞ্চম দিন বৃষ্টি বাধায় শেষ সেশনে খেলা মাঠে না গড়ালেও চা বিরতির আগের সেশনেই ৯৮ বলে তুলে ফেলেন ৭৪ রান। সময় সময় ডাউন দ্য ট্র্যাকে এসে হাঁকিয়েছেন ছক্কাও।

যেখানে তাকে সঙ্গ দেয়া মুমিনুল অপরাজিত ৮৬ বলে ২৩ রানে। প্রথম ইনিংসেও ১২৭ রানের ইনিংস খেলতে মুমিনুল বল খরচ করেন ৩০৪ টি। ১৬৩ রানের ইনিংস খেলা শান্ত বল খরচ করেন ৩৭৮ টি। প্রথম ইনিংসে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিকের বল খরচ হয়েছে ১৫৬ টি। প্রতিপক্ষ দলের অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে ২৪৪ রানের ইনিংস খেলার পথে ৪২৭ বল মোকাবেলা করেছেন, ধনঞ্জয়া ডি সিলভার ১৬৬ রানের ইনিংসে বল লেগেছে ২৯১ টি।

ম্যাচ শেষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে টাইগার কাপ্তান মুমিনুল হক জানিয়েছেন উইকেট কিংবা অন্য কোনো কারণ নয় তামিমের ব্যাটিং ধরণই এমন, ‘আপনারা যদি প্রথম থেকে দেখেন, আপনারাতো আমার চাইতে বেশি দেখেছেন উনার খেলার ধরণটা এমন। আর আমার খেলার ধরণ এক রকম, একেক জনের খেলার প্যাটার্ন একেক রকম হয়। উনি শটস খেলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে আমার তুলনায়।’

‘আমি যদি উনার মত খেলতে যাই আমার যে এখন ১১ টা টেস্ট শতক এটা হয়তো পাঁচটা হত কিনা সন্দেহ আছে। একেকজনের খেলার খেলার প্যাটার্ন একেক রকম, একেক জনের প্ল্যান একেক রকম। যে যেভাবে প্ল্যান করে খেলতে পারে, খেলার চেষ্টা করে।’

এদিকে দেশের মাটিতে ১০ টেস্ট সেঞ্চুরির পর প্রথমবার বিদেশের মাটিতে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন মুমিনুল হক। নিজের ইনিংস সম্পর্কে বলতে গিয়ে টাইগার টেস্ট অধিনায়ক জানিয়েছেন ভালো লাগার কথা।

মুমিনুল বলেন, ‘যখন থেকেই আমি বাংলাদেশ দলে খেলার সুযোগ পেয়েছি চেষ্টা করেছি দলে অবদান রাখার জন্য। বিদেশে এসে হয়তো এত বড় ইনিংস কেহেল এর আগে দলে অবদান রাখা হয়নি। আল্লাহর কাছে শোকরিয়া এই প্রথম বিদেশের মাটিতে আমি কিছুটা অবদান রাখতে পেরেছি। সেঞ্চুরি পেয়েছি দলে অবদান রেখেছি। আর অধিনায়ক হিসেবে দলে অবদান রাখাতো জরুরি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

রেকর্ড সংগ্রহের দিন নেপালের শিরোপা জয়

Read Next

রাজস্থান রয়্যালসের অ্যান্ড্রু টাইও ফিরে গেলেন দেশে

Total
17
Share