ফিরে গেছেন শান্ত-মুমিনুল, ৫০০ এর পথে বাংলাদেশ

ফিরে গেছেন শান্ত-মুমিনুল, ৫০০ এর পথে বাংলাদেশ

ক্যান্ডি টেস্টের দ্বিতীয় দিন প্রথম সেশনে কোন উইকেট না হারানো বাংলাদেশ চা বিরতির আগে হারালো দুই সেঞ্চুরিয়ানের উইকেট। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের বিদায়ের পরও অবশ্য চালকের আসনে বাংলাদেশই।

২ উইকেটে ৩৭৮ রান নিয়ে লাঞ্চে যাওয়া বাংলাদেশ চা বিরতিতে গেল ৪ উইকেটে ৪৪০ রান নিয়ে। ক্রিজে অপরাজিত আছেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন কুমার দাস।

২২৬ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটিতে লাঞ্চে যাওয়া মুমিনুল-শান্ত রেকর্ড গড়েন লাঞ্চের পর। ২০১৮ সালে চট্টগ্রামে মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হকের গড়া ২৩৬ রানের জুটি এতদিন তৃতীয় উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি ছিল। এবার শান্ত-মুমিনুল সেটাকে পেছনে ফেলে ২৪২ রানের জুটি গড়লেন। যা বর্তমানে যেকোনো উইকেটে বাংলাদেশের পঞ্চম সর্বোচ্চ রানের জুটিও।

লাঞ্চের পর সপ্তম ওভারে পেসার লাহিরু কুমারাকে ফিরতি ক্যাচ দেন শান্ত। তাতেই ইতি ঘটে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের ৩৭৮ বলে ১৭ চার ১ ছক্কায় সাজানো দারুণ এক টেস্ট ইনিংসের। ১৫৫ রানে লাঞ্চে যাওয়া তরুণ এই ব্যাটসম্যানকে থামতে হয় ১৬৭ রানে। ক্রিজে আসা নতুন ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমকে প্রথম দুই বলেই পরাস্ত করেন লাহিরু।

প্রথম বলেতো বেশ জোরালো এলবিডব্লিউর আবেদনও করেন। ব্যক্তিগত ৯ রানে তার বিপক্ষে লেগ স্পিনার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার গুগলিতে এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়াও দিয়ে দেয় আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা। পরে অবশ্য মুশফিক রিভিউ নিলে দেখা যায় বল ব্যাট ছুঁয়েছে আগে।

তবে শুরুর জড়তা কাটিয়ে মুমিনুলের সাথে জুটি বড় করতে পারেননি। এ যাত্রায় অবশ্য ফিরেছেন মুমিনুলই। স্পিনার ধনঞ্জয়া ডি সিলভার বলে ক্যাচ স্লিপে লাহিরু থিরিমান্নেকে ক্যাচ দেন টাইগার অধিনায়ক। তার আগে বিদেশের মাটিতে পাওয়া প্রথম সেঞ্চুরিকে টেনে নেন ১২৭ রান পর্যন্ত। ৩০৪ বলে ১১ চারে সাজানো ইনিংসে ছিল ধৈর্য্যের ছাপ, বল ছাড়াতে পুরো ইনিংসেই দেখিয়েছেন দক্ষতা। এই প্রথম টেস্টে এক ইনিংসে ৩০০ এর বেশি বল খেলেছেন মুমিনুল।

মুমিনুলের সাথে মুশফিকের জুটি ৩০ রানে থামলেও ততক্ষণে দলীয় সংগ্রহ পার হয়েছে ৪০০। চা বিরতির আগে লিটন দাস ও মুশফিকের ব্যাটে আর কোন বিপত্তি ঘটেনি টাইগার শিবিরে। ৪ উইকেটে ৪৪০ রান তুলে চা বিরতিতে যাওয়ার সময় মুশফিক অপরাজিত ২২ ও লিটন ১২ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (২য় দিন, চা বিরতি পর্যন্ত):

বাংলাদেশ ৪৪০/৪ (১৪৫), তামিম ৯০, সাইফ ০, শান্ত ১৬৩, মুমিনুল ১২৭, মুশফিক ২২*, লিটন ১২*; বিশ্ব ২৮-৮-৭৫-২, কুমারা ২৭-৪-৮৫-১, ধনঞ্জয়া ২৪-১-১০৩-১।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

মুস্তাফিজদের সামনে আজ কঠিন পরীক্ষা

Read Next

আলোক স্বল্পতায় আগেভাগে শেষ ২য় দিনের খেলা

Total
5
Share