দুই ফিফটিতে দুই সেশনই বাংলাদেশময়

দুই ফিফটিতে দুই সেশনই বাংলাদেশময়

তামিম ইকবাল সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে গিয়ে আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেও নাজমুল হোসেন শান্তের ব্যাটে দ্বিতীয় সেশনটাও বাংলাদেশের। তামিমের ৯০ রানের সাথে শান্তের অপরাজিত ৭৮ রানে চা বিরতির আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ২০০ রান।

ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সাইফ হাসানের (০) উইকেট হারিয়ে ১০৬ রান নিয়ে লাঞ্চে গিয়েছিল বাংলাদেশ। ৯৮ রানের জুটিতে অবিচ্ছেদ্য ছিল তামিম-শান্ত। আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা তামিম ২৯তম টেস্ট ফিফটি তুলে অপরাজিত ছিলেন ৬৫ রানে, টেস্ট মেজাজে খেলা শান্ত অপরাজিত ছিলেন ৩৭ রানে।

লাঞ্চের পরও দুজনে বেশ সাবলীলভাবে খেলছিলেন। নিজের ফিফটিকে তিন অঙ্কে রূপ দেয়ার পথেই ছিলেন ওপেনার তামিম। বিপত্তিটা ঘটে সেশনের ১২তম ওভারে বিশ্ব ফার্নান্দোর করা তৃতীয় বলে। অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বল ওয়াইড স্লিপে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা, পরিকল্পনা কাজে লাগেনি।

তালুবন্দী হয়েছেন প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো লাহিরু থিরিমান্নের। সেঞ্চুরির এত কাছে গিয়ে অমন শট নিশ্চিতভাবেই উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসা। ৫৩ বলে ফিফটি তুলে নেওয়া এই ওপেনার ৯০ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১০১ বলে ১৫ চারের সাহায্যে। তামিম ফিরলে ভাঙে শান্তের সাথে দ্বিতীয় উইকেটে ১৪৪ রানের জুটি।

তামিমের বিদায়ের পর অধিনায়ক মুমিনুল হককে নিয়ে চা বিরতির আগে শান্তের অবিচ্ছেদ্য ৪৮ রানের জুটি। ততক্ষণে শান্ত পেয়ে গেছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট ফিফটির দেখা। ১২০ বলে ৭ চারে ছুঁয়েছেন ফিফটি। আগের ক্যারিয়ার সেরা ৭১ রানকে পেছনে ফেলে অপরাজিত আছেন ১৭২ বলে ১০ চার ১ ছক্কায় ৭৮ রানে। অধিনায়ক মুমিনুল হক অপরাজিত ৪২ বলে ২১ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (১ম দিন, ২য় সেশন শেষে):

বাংলাদেশ ২০০/২ (৫৩), তামিম ৯০, সাইফ ০, শান্ত ৭৮*, মুমিনুল ২১*; বিশ্ব ১১-১-৫২-২।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে বাবরের উন্নতি, হারিসের লম্বা লাফ

Read Next

১ সেঞ্চুরি, ২ ফিফটিতে প্রথম দিন বাংলাদেশের

Total
16
Share