ব্যাঙ্গালোরে এসে জাতীয় দলের ভূমিকা পেলেন ম্যাক্সওয়েল

ব্যাঙ্গালোরে এসে জাতীয় দলের ভূমিকা পেলেন ম্যাক্সওয়েল

২০১২ সাল থেকে আইপিএল খেলা অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবারের আসরে খেলছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে। সর্বশেষ কয়েক মৌসুমে আইপিএল নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে না পারা ম্যাক্সওয়েল এবার শুরু থেকেই আছেন ছন্দে। দলের জয়ে প্রথম দুই ম্যাচেই রাখলেন অবদান। গতকাল (১৪ এপ্রিল) সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে ম্যাচসেরার পুরষ্কার জিতে এই অজি ব্যাটসম্যান জানালেন দায়িত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়াটাই সাফল্য পেতে সাহায্য করছে।

ম্যাক্সওয়েলের মতে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলে যে ভূমিকায় তিনি খেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কর্তৃপক্ষ তাকে সে ভূমিকাই দিয়েছে। এই নিয়ে আইপিএলে চতুর্থ ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলছেন এই অস্ট্রেলিয়ান তারকা। এটা কিছুটা চাপের কারণ হলেও ব্যাঙ্গালোর সাপোর্ট স্টাফদের সমর্থন, এবি ডি ভিলিয়ার্স, ভিরাট কোহলির মত ক্রিকেটারদের পাশে পেয়ে স্বস্তিতে ম্যাক্সওয়েল।

এর আগে ৮ মৌসুমে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে খেললেও টুর্নামেন্ট রাঙাতে পারেননি কখনোই। সর্বশেষ দুই মৌসুমে পাঞ্জাবের হয়ে (২০২৮ ও ২০২০) ২৫ ম্যাচ খেলে ৩০০ রানও করতে পারেননি, ছিলনা কোন ফিফটি।

পাঞ্জাব এবার আর দলে না ভেড়ালেও আস্থা রেখে প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে কিনে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এবারের আসরে ৪ নম্বর পজিশনে খেলে প্রথম ম্যাচে ২৮ বলে ৩৯ এর পর দ্বিতীয় ম্যাচেই দলের হাল ধরা ৪১ বলে ৫৯ রানের ইনিংস।

দারুণভাবে মৌসুম শুরু করতে পেরে ম্যাক্সওয়েল গতকাল হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে বলেন, ‘এটা খুবই দারুণ শুরু, আমার জন্য নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি আর তারা আমাকে নির্দিষ্ট একটা ভূমিকা দিয়েছে। এভাবে শুরু করতে পারা সত্যি দারুণ ব্যাপার।’

উপরের দিকে খেলার ফলে কাজটা সহজ হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা ভালো ব্যাপার যে আপনার পরে ভালো কিছু ব্যাটসম্যান আছে, আপনার স্বাধীনতা আছে যে এবি ডি ভিলিয়ার্স আসবে। আর এটা অনেকটা অস্ট্রেলিয়া দলে আমার যে ভূমিকা সেটার মতই।’

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ইতোমধ্যে ৫ হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক রান করা ম্যাক্সওয়েল আরও বলেন, ‘সাপোর্ট স্টাফরা আমাকে পেছন থেকে দারুণভাবে সমর্থন জুগিয়েছে। এটা কেবল অভিজ্ঞতার ব্যবহার। আমি নিজেকে ভেতরে এনেছি এবং রান করতে শুরু করেছি। সম্ভবত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে এসব লোকজনকে পাওয়াটা বিলাসি আমার জন্য বিলাসি ব্যাপার।’

‘অবশ্যই এটা আমার চতুর্থ আইপিএল দল, আর কিছুটা চাপ তো ছিলই। সুতরাং নিজেকে মেলে ধরা এবং ভালো করার জন্য এটা চাবিকাঠি বলা যায়।’

এখনো বল হাতে দেখা না গেলেও অপেক্ষায় আছেন বলে জানালে অফ স্পিন করতে পারা ম্যাক্সওয়েল। যদিও তিনি নিজে সবচেয়ে খুশি হবেন ব্যাট হাতে দলে যত বেশি অবদান রাখতে পারবেন তাতে।

অজি অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমি বল করার সুযোগের জন্য অপেক্ষায় থাকবো। ওয়াশি (ওয়াশিংটন সুন্দর) আমাদের জন্য সুপারস্টার। আমি যত বেশি বলই করিনা কেন, আশা করি আমি ব্যাট হাতেই বেশি অবদান রাখতে পারবো, আর সেটা হলেও আমি বেশি খুশি হব।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

আচরণবিধি ভঙ্গ করা কোহলিকে ম্যাচ রেফারির ভর্ৎসনা

Read Next

শেষ ওভারে নো-বলের ব্যাখ্যায় হারশাল প্যাটেল

Total
1
Share