ক্যারিয়ার লম্বা করতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে রিয়াদকেই

ক্যারিয়ার লম্বা করতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে রিয়াদকেই

শ্রীলঙ্কা সফরের স্কোয়াড ঘোষণার আগেই জোর গুঞ্জন টেস্ট দলে ফিরতে যাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোর পরিকল্পনায় না থাকলেও অভিজ্ঞতা বিচারে তাকে দলে ভিড়িয়ে ভারসাম্য বাড়াতে চেয়েছিলেন নির্বাচকরা। পিঠের চোটে পড়া রিয়াদের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেও ফিজিওর পরামর্শে স্কোয়াডের বাইরেই রাখতে হয় তাকে। এদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবির) মেডিকেল বিভাগ জানিয়েছে পুরোনো এই চোট নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে রিয়াদের, ক্যারিয়ার লম্বা করতে ওয়ার্ক লোড ঠিক করতে হবে নিজেকেই।

টাইগারদের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের পিঠের এই চোট দীর্ঘদিনের, যা প্রকট আকার ধারণ করে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে। তবে নিউজিল্যান্ড সফর থেকে ফিরেই তীব্রতা অনুভব করেন ভালোভাবে। যে কারণে বিসিবির মেডিকেল বিভাগ, ফিজিও, ট্রেনাররা আলাদা পর্যবেক্ষণে রেখেছিল ৩৫ বছর বয়সী অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারকে। তবে দল ঘোষণার সময় পুরোপুরি সেরে না ওঠায় তাকে ছাড়াই লঙ্কান বিমানে চড়ে বাংলাদেশ দল।

রিয়াদের চোট প্রসঙ্গে বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীস চৌধুরী জানান এখনই খেলা ছেড়ে দেওয়ার মত অবস্থা তৈরি হয়নি রিয়াদের। ওয়ার্ক লোড ম্যানেজম্যান্টের মাধ্যমে দীর্ঘায়িত করা সম্ভব টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের ক্যারিয়ার। সে ক্ষেত্রে রিয়াদের সাথে বসে সিদ্ধান্ত নিতে হবে নির্বাচক, ফিজিও ও মেডিকেল বিভাগের।

গতকাল (১২ এপ্রিল) মিরপুরে সাংবাদিকদের দেবাশীস চৌধুরী বলেন, ‘মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের যে ইনজুরিটা আছে পিঠের সেটা প্রকট আকার ধারণ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সময়। এরপর থেকেই ব্যথাটা তাকে অন অ্যান্ড অফ ভোগাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদী একটা পরিকল্পনা অবশ্যই দরকার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জন্য। ওর বোলিং, ফিল্ডিং…যেহেতু অনেকদিন ধরে খেলছে সে নিজেই বোঝে ওর শরীর সম্পর্কে। কিছু কিছু সিদ্ধান্ত ওকেই নিতে হবে যে কতটুকু ইন্টেন্সিটিতে বল করলে কিংবা ফিল্ডিং করলে ও নিরাপদ থাকবে।’

‘আমাদের কাজ হচ্ছে ওকে যথাসাধ্য চোটমুক্ত রাখার চেষ্টা করা। সে কারণেই ফিজিওর সাথে আলাপ করে নির্বাচকরা তাকে এই সিরিজ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে যেন রিকভারির পর্যাপ্ত সময় পায়।’

‘আমার মনে হয়না যে ৩৫ এমন বয়স যেটার কারণে ওকে খেলা ছেড়ে দিতে হবে। অবশ্যই ও ফিটনেস ধরে রাখতে পারলে আরও অনেকদিন খেলতে পারবে। বিশ্ব ক্রিকেটে এমন নজিরের অভাব নেই। ওর অভিজ্ঞতাটাও আমাদের দরকার আছে। আমরা চেষ্টা করবো ওর খেলোয়াড়ি জীবন যেন দীর্ঘায়িত করা যায়। এই সিদ্ধান্তগুলো আসলে ফিজিও, প্লেয়ার, মেডিকেল টিম ও নির্বাচক সবাই মিলে নিতে হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বাংলাদেশে থেকে গেছেন ‘৫’ প্রোটিয়া নারী ক্রিকেটার

Read Next

সেরা একাদশেই আস্থা রাখছে কোলকাতা

Total
26
Share