ইনজেকশনেই সমাধানের পথ খুঁজছেন শফিউল

ইনজেকশনেই সমাধানের পথ খুঁজছেন শফিউল

পিঠের পুরোনো চোটে লম্বা সময় মাঠের বাইরে পেসার শফিউল ইসলাম। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবির) মেডিকেল বিভাগের পরামর্শে ভারত থেকে ইনজেকশন প্রয়োগ করে এসেছেন দেড় মাস আগে। তবে পুরোপুরি ফল না পাওয়ায় আরও একবার ইনজেকশন নেওয়ার অপেক্ষায় থাকা শফিউল যেতে পারছেন না করোনা প্রভাবে। অপেক্ষা অন্তত রমজানের ঈদ পর্যন্ত। এদিকে যথাযথ ডকুমেন্ট জমা দিতে না পারায় পাননি প্রথমবার ইনজেকশন নেওয়ার পেছনে ব্যয় হওয়া অর্থ।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাসময়ে জমা পড়েনি বলেই প্রক্রিয়াগত কারণে চিকিৎসা ব্যয় থেকে বঞ্চিত হয়েছেন শফিউল। তবে সব ঠিক থাকলে পরবর্তী চিকিৎসা ব্যয় বোর্ডের কাছ থেকে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন নিজেই।

ক্যারিয়ারজুড়েই ভোগানো এই চোট পুরোপুরি সারবেনা কখনোই। যতদিন খেলবেন ওয়ার্ক লোড কমিয়ে, বেশ সচেতনতার সাথে খেলতে হবে। বিসিবির মেডিকেল বিভাগ জানিয়েছে ইনজেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে কেবল খেলার মত অবস্থায় ফেরানো সম্ভব। ইনজেকশনে কাজ না হলে করাতে হবে সার্জারিও।

গত নভেম্বরে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের মাঝপথে জেমকন খুলনা শিবির ছেড়ে যেতে হয় চোটের তীব্রতা বাড়াতে। শফিউল এরপরই মাঠের ক্রিকেট থেকে ক্রমশ দূরে সরেছেন। বিসিবি চিকিৎসকদের পরামর্শেই ভারতে গিয়ে ইনজেকশন নিয়েছেন। প্রথম দফায় পুরোপুরি ফল না পাওয়া এই পেসার নিজে মনে করেন আরেকটা ইনজেকশন নিলে বেশ খানিকটাই সেরে উঠবেন।

দেড় মাস আগে প্রথম ইনজেকশন নেওয়া ৩১ বছর বয়সী এই পেসার দ্বিতীয়বার ইনজেকশন নিতে প্রস্তুতি নিলেও আটকে আছেন করোনা জটিলতায়। ভারতের ভিসার জন্য আবেদন করেও পাচ্ছেন না দ্রুতই। যেতে হবে অন্তত রমজানের ঈদের পর।

‘ক্রিকেট৯৭’ কে শফিউল বলেন, ‘আমি গত দেড় মাস আগে কোলকাতা গিয়ে ইনজেকশন দিয়ে এসেছি। এই ইনজেকশন দেওয়ার পর ৬০-৭০ শতাংশ ফিট আমি। মানে ফলটা পুরোপুরি পাইনি, কার্যকর হয়নি। তবে পুরোপুরি ফিট হতে আরও একটা ইনজেকশন দিতে হবে। আসলে কয়টা ইনজেকশন লাগে সেটা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন।’

‘কারও একটা দিলেই হয়ে যায়, কারও দুইটা লাগে, অনেকের চার-পাঁচটাও লাগে। আমি মনে করি আমার আর একটা দিলেই হয়তো অনেকটা সেরে উঠবো। আমি ভিসার প্রসেসিং শুরুও করেছিলাম। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি আবার খারাপ হওয়ায় প্রক্রিয়াটা জটিল হয়ে গেছে। অন্তত রমজানের ঈদের আগে আর হচ্ছেনা।’

এদিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাসময়ে জমা দিতে না পেরে বিসিবির কাছ থেকে প্রথম ইনজেকশন বাবদ আর্থিক সুবিধা নিতে পারেনি টাইগার জার্সিতে ১০৭ উইকেট নেওয়া এই পেসার। তবে শফিউল জানালেন সবকিছু ঠিক থাকলে পরবর্তী চিকিৎসা ব্যয় বিসিবিই বহন করবে।

তিনি বলেন, ‘প্রথম ইনজেকশনটার ব্যয়ভার আমাকেই বহন করতে হয়েছে। কারণ বোর্ড থেকে চিকিৎসা ব্যয় পেতে একটা প্রক্রিয়া থাকে। সব ধরণের কাগজপত্র জমা দিতে হয়। চিকিৎসা খাতে ব্যয়ের ডকুমেন্ট যথাযথভাবে জমা দিতে হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমার কিছু কাগজপত্র মিসিং ছিল, কোলকাতায় আমাকে সেভাবে হাসপাতালে থাকতে হয়নি। কাগজপত্রগুলোর অভাবে প্রথম ইনজেকশনের খরচটা বিসিবি দিতে পারেনি। তবে পরবর্তী ইনজেকশনের খরচটা পাবো বলে আশা করছি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

আইসিসি প্লেয়ার অব দ্য মান্থ: মনোনীত হলেন যারা

Read Next

শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য ২১ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা

Total
1
Share