‘দেড়-দুই মাস থাকলে আমাদেরও ফিল্ডিংয়ে ইম্প্রুভ হইতো’

‘দেড়-দুই মাস থাকলে আমাদেরও ফিল্ডিংয়ে ইম্প্রুভ হইতো’

বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে (অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৯) নিজেকে প্রমাণ করে জাতীয় দলে জায়গা প্যেছেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। ২৬ বছর বয়সী এই স্পিনারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় নিউজিল্যান্ডে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের ৩ ম্যাচেই খেলেছেন নাসুম।

৩ ম্যাচে ২ উইকেট পেলেও বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে কম ইকোনমি রেট (৮.৪০) ছিল নাসুমের। তাতে অবশ্য খুব খুশি হবার কারণ নেই নাসুমের। দল যে হেরেছে সবকটি ম্যাচেই।

ভুলে যাবার মত এক সফর শেষে আজ দেশে ফিরেছেন নাসুম আহমেদরা। বেলা ১১ টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে নাসুম মুখোমুখি হন উপস্থিত সংবাদমাধ্যমের।

তিনি বলেন, ‘আমি চেষ্টা করছি নিজের মতো। যেহেতু পেশাদার ক্রিকেটার, সবজায়গায় সবকিছুর সাথে মানিয়ে নিতে হবে। তো আমিও চেষ্টা করছি। বাকিটা…’

দলের ব্যর্থতার আলাদা করে কোন কারণ খুজে বের করতে চাননি নাসুম। তার সহজ স্বীকারোক্তি-

‘ব্যর্থতা বলতে… সত্য কথা বললে আমাদের দ্বারা হয় নাই। আমরা যে খারাপ খেলছি বা… আমাদের দ্বারা হয় নাই, এই আর কি। এর চেয়ে বেশি কিছু না।’

‘আমাদের একটা চিন্তাভাবনা ছিল যে আমরা ম্যাচ জিতব। বাট হয় নাই। তাই এজন্য এ কথা। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি। আমাদের দ্বারা হয় নাই। আমি তো প্রথমেই বললাম, আমরা পারতাম, আমাদের দ্বারা হয় নাই।’

নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন সফরকারী দলের জন্য সবসময়ই কঠিন। বাংলাদেশের উইকেটের সঙ্গে, কন্ডিশনের সঙ্গে যার আকাশ-পাতাল পার্থক্য। নাসুম বলছেন উইকেটের দিক থেকে পিছিয়ে আছেন তারা।

‘কন্ডিশনে একটু প্রবলেম ছিল। আমার মনে হয় আমরা উইকেটের দিক দিয়ে একটু পিছিয়ে আছি। কারণ আমাদের দেশের উইকেট আর ওখানের উইকেট পুরোপুরি আলাদা। এদিক দিয়ে একটু পিছিয়ে আছি। ওইটা পেসবান্ধব উইকেট ছিল। তারপরও চেষ্টা করছি স্পিনাররা ভালো কিছু করার। আমরা ভালোও করছি।’

‘(প্রস্তুতি) সবকিছুই ভালো ছিল। কিন্তু আমাদের আরেকটু সময় দরকার ছিল ওদের কন্ডিশনের জন্য।’

নাসুম বলছেন কন্ডিশনের কারণে যে সমস্যায় ভুগেছে বাংলাদেশ দল, নিউজিল্যান্ড দল বাংলাদেশে আসলেও একইরকম সমস্যায় ভোগে।

‘আমাদের যেই সমস্যাটা হয়েছে, ওদেরও (বাংলাদেশে এলে) একই সমস্যাটা হয়। আমরা বিশেষ করে আমি যে প্রবলেম ফেস করছি, ওরা আসলে ওদেরও সেইমই হয়।’

ওয়ানডে সিরিজ কিংবা টি-টোয়েন্টি- সবখানেই বাংলাদেশ দলের ফিল্ডিং ছিল দৃষ্টিকটু। নাসুম বলছেন সেখানে দেড়-দুই মাস থাকলে দলের ফিল্ডিং এ উন্নতি হত!

‘ফিল্ডিংয়ে… দেড়-দুই মাস থাকলে আমাদেরও ফিল্ডিংয়ে ইম্প্রুভ হইতো। কারণ এক নম্বর ওখানের আকাশ অনেক পরিষ্কার। আর দুই নম্বর ওখানের ওয়েদার আমাদের ওয়েদারের মতো না। পুরোপুরি আলাদা। আমাদের একটু সময় লাগতো। হয়তোবা আমরা যদি ১৫ দিন বা আরেকটু ক্যাম্প করতে পারতাম, তাহলে আরেকটু ভালো হতো।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

যেকারণে বিমানবন্দর থেকে বের হননি মুস্তাফিজুর রহমান

Read Next

শেবাগের কাছ থেকে যখন অধিনায়কত্বের পাঠ নিয়েছিলেন সৌরভ

Total
6
Share