আবারও শঙ্কা, অনিশ্চয়তায় অপেক্ষা বিজয়দের

আবারও শঙ্কা, অনিশ্চয়তায় অপেক্ষা বিজয়দের

করোনার ভয়াল থাবাকে পেছনে ফেলে গতমাসে জাতীয় লিগ দিয়ে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু হয়েছিল পুনরায়। তবে আবারও করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতির দিকে যাওয়াতে মাত্র দুই রাউন্ড শেষেই স্থগিত করতে হয় টুর্নামেন্টটি। ইতোমধ্যে দেশে লকডাউনও ঘোষণা হয়েছে। আর এমন পরিস্থিতিতে ফের অনিশ্চয়তায় ক্রিকেটাররা। ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয় বলছেন অনিশ্চিত এই সময়টা বেশি ভোগাবে ঘরোয়া লিগই আয়ের মূল উৎস এমন ক্রিকেটারদের।

গত বছর ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) এক রাউন্ড মাঠে গড়ানোর পর স্থগিত হয় দেশের ক্রিকেট। বেশ কয়েকমাস পর বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ও বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ নামে দুইটি টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ালেও নিয়মিত ঘরোয়া আসরগুলো দেখেনি আলোর মুখ। ঐ দুই টুর্নামেন্টে জায়গা হয়েছে কেবল জাতীয় দল ও তার আশে পাশে থাকা কিছু ক্রিকেটারের। জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল), বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) ও ডিপিএলের মত নিয়মিত আসরগুলো আয়োজন না হওয়াতে আর্থিক দিক থেকে কঠিন সময় পার করে জাতীয় দল ও তার আশেপাশে না থাকা ক্রিকেটাররা।

দেশের করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে যাওয়া ও করোনা টিকা আসায় গত ২২ মার্চ থেকে জাতীয় লিগ দিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট চালু করে বিসিবি। এমনকি আগামী তিন বছরের জন্য তৈরি করা ঘরোয়া ক্রিকেট ক্যালেন্ডারও ছিল বেশ ব্যস্ত সূচি। এই বছরই মাঠে গড়ানোর কথা ছিল ডিপিএল, বিসিএল সহ আরো একটি এনসিএল।

কিন্তু দেশের করোনা পরিস্থিতি আবারও অবনতির দিকে যাওয়াতে এবং বায়ো বাবলে থেকেও এনসিলের ক্রিকেটাররা করোনা পজিটিভ হওয়া শুরু করলে টুর্নামেন্ট স্থগিত করে বিসিবি। এদিকে ৫ এপ্রিল থেকে ৭ দিনের লকডাউনও ঘোষণা করেছে সরকার। ফলে ফের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ক্রিকেটই যাদের আয়ের উৎস তাদের জন্য।

আজ (৩ এপ্রিল) মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে খুলনা বিভাগের ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয় বলেন, ‘আমরা তো জাতীয় দলে খেলেছি অনেকেই, আলহামদুলিল্লাহ প্রতিষ্ঠিত। মোটামুটি এক বছর চালানো যায়। তবে যদি নিচের দিক থেকে চিন্তা করেন যে, কোয়ালিফাই, সেকেন্ড ডিভিশন, থার্ড ডিভিশন, ফার্স্ট ডিভিশন, প্রিমিয়ার লিগের এতগুলো দল, প্রথম শ্রেণির এতগুলো খেলোয়াড়। সবমিলিয়ে ক্রিকেট অ্যাকাডেমিগুলো যত বলেন, বাংলাদেশের যত ক্রিকেট অ্যাকাডেমি আছে সবাই কিন্তু আসলে ক্রিকেট নির্ভর। যারা ক্রিকেট ভালোবাসে এবং তাদের ফিউচারের তাগিদে প্রাকটিস করছিল। তাদের কিন্তু সবকিছু থমকে গেছে।’

‘শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবী থমকে যাওয়ার মতো অবস্থা। এরকম অবস্থা যে খেলাটা আবার ফেরত আসলো, আমরা সবাই খুশি হলাম। ঐভাবে চলছিল। আবার করোনার কারণে আবার কিন্তু হুমকিত মুখে সবাই। যে কি হবে, ফিউচারটা কেমন হবে। লকডাউন করতে করতে তিন-চার মাস, ছয় মাস কিন্তু শেষ হয়ে গেছে। আদৌ এর অবস্থান কিরকম দাঁড়াবে, ফিনিশিং টাচ টা কোথায়- এগুলো নিয়ে আমরা সবাই সন্দিহান। তাই অবশ্যই খারাপ লাগার বিষয়। এর মধ্যে থেকেই যতটুকু সেইফটি-সিকিউরিটি মেইনটেইন করে, নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে, মাস্ক পরে যতটুক নিরাপদ থাকা যায়।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

আবারও অনিশ্চয়তায় টাইগারদের শ্রীলঙ্কা সফর

Read Next

প্রশংসায় পঞ্চমুখ ডুসেন, উচ্ছ্বসিত বাবর

Total
1
Share