মিঠুনের সফল হবার কারণ ব্যাখ্যা করলেন ব্যাটিং কোচ

মিঠুনের সফল হবার কারণ ব্যাখ্যা করলেন ব্যাটিং কোচ

ডানেডিনে ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রথম ওয়ানডেতে হারের পর ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটসম্যানদের গড়ে দেওয়া ভীতেই জয়ের সুবাস পেয়েছিল বাংলাদেশ। যেখানে তামিম ইকবালের ৭৮ রানের ইনিংসের সাথে মোহাম্মদ মিঠুনের দ্রুতগতির ৭৩ রানের ইনিংসে বড় পুঁজি পেয়েছিল টাইগাররা। ফিল্ডিং ও ক্যাচ মিসের মাশুল গুনে হারতে হয় শেষ পর্যন্ত। তবে ওয়েলিংটনে তৃতীয় ওয়ানডের আগে টাইগারদের ব্যাটিং কোচ জন লুইস মিঠুনের সফল হওয়ার গল্প শোনালেন।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধ কন্ডিশনে সফরকারী দলের ব্যাটসম্যানদের বেশ ভুগতে হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা খুব একটা ধারাবাহিকতার ছাপ রাখতে পারেন না। স্রোতের বিপরীত এই কাজটি দারুণভাবে করছেন মোহাম্মদ মিঠুন। কিউইদের মাটিতে ৪ ওয়ানডে খেলে ফিফটি হাঁকালেন তিনটি। সর্বশেষ ম্যাচেতো দলের হয়ে দুর্দান এক ইনিংসই উপহার দিলেন।

তার ৫৭ বলে ৬ চার ২ ছক্কায় অপরাজিত ৭৩ রানে ভর করে বাংলাদেশ পায় ৬ উইকেটে ২৭১ রানের পুঁজি। অধিনায়ক তামিম ইকবালের গড়ে দেওয়া ভীত কাজে লাগিয়েছেন দারুণভাবে। তবে এই ম্যাচে হেরে ১ ম্যাচ আগেই সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। আগামীকাল (২৬ মার্চ) ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।

তার আগে আজ অনুশীলন শেষে বিসিবির পাঠানো ভিডিও বার্তায় ব্যাটিং কোচ জন লুইস মিঠুনের সফলতা প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি মনে করি বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের অন্যতম দিক হল নতুন বল ও বাউন্সের সাথে মানসম্পন্ন পেসারদের সামলানো। তামিম দলের অন্য অনেকের চেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ইনিংসের শেষদিকের জন্য ভিত্তিটা সেই গড়ে দিতে পারে।’

‘মিঠুন ক্রাইস্টচার্চে দারুণ এক ইনিংস খেলেছে। সে বলের লাইনের খুব কাছে শরীর ও ব্যাট এনে খেলার চেষ্টা করেছে। সে অফসাইডে বেশি না দেখে লেগ সাইডে খেলার চেষ্টা করেছে। যেখানে ঢাকা ও চট্টগ্রামের চেয়ে একটু বাউন্স বেশি, সেখানে এমন খেলা যায়।’

এদিকে তৃতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ড পেসারদের নতুন বল সামনে সফল হতে ঝুঁকি নেওয়ার পরামর্শও দিলেন লুইস, ‘আমরা যদি প্রথমে ব্যাট করি, তাহলে আমাদের চিন্তা করতে হবে নতুন বলে কী ঘটতে যাচ্ছে। তাদের আছে ট্রেন্ট বোল্ট ও এই ম্যাচে যদি টিম সাউদি আসে, তাহলে তারা পাবে শক্তিশালী পারফর্মারদের। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন তারা শুরুতেই আমাদের বেশি ক্ষতি না করতে পারে। যদি বড় স্কোর তাড়া করতে হয়, তাহলে পাওয়ার প্লের ফায়দা নিতেই হবে- কিছু ঝুঁকি নিতে হবে, খেলতে হবে কিছু শট।’

‘প্রথম ১০ ওভারে যদি আমরা যথেষ্ট রান নাও করতে পারি, আমরা বিশ্বাস করি শেষ ভাগে তা পুষিয়ে নিতে পারবো। আমরা যদি প্রথম ১০ ওভারে ৩০-৪০ রানের বিনিময়ে একটিও উইকেট না হারাই কিংবা সর্বোচ্চ একটিও উইকেট পড়ে, তাহলেও বলবো আমাদের অবস্থা ভালো।’

‘ডানেডিনে আমরা দুটি কিংবা তিনটি উইকেট হারিয়েছিলাম, তাতে নিউ জিল্যান্ড ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরের ম্যাচে যখন তামিম ও সৌম্য ভালো জুটি গড়লো, তা মিঠুনকে ভালো খেলতে সহায়তা করেছিল এবং আমরা শোভনীয় স্কোর পেলাম।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

নিজের একাডেমিতে ‘অন্যরকম’ সময় কাটালেন সাকিব

Read Next

খুলনায় দল হারলেও ম্যাচসেরা সিলেটের জাকির

Total
18
Share