যতটুকু সুযোগ পাচ্ছেন, কাজে লাগাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহরা

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
Vinkmag ad

দিন দুয়েক পরেই নিউজিল্যান্ডে মুক্তভাবে চলাফেরার সুযোগ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। তার আগে বর্তমানে বেশ কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে দুই ঘন্টা করে অনুশীলনের সুযোগ পাচ্ছে তামিম ইকবাল, মাহমুদউলাহ রিয়াদরা। পুরোপুরি মুক্ত হওয়ার আগে এই দুই ঘন্টাকেই যথাযথভাবে কাজে লাগানোতে মনযোগ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর।

নিউজিল্যান্ডে কোয়ারেন্টাইন নিয়মে যেমন কড়াকড়ি তেমনি আছে ইতিবাচক দিকও। ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন শেষে করোনা নেগেটিভ হলেই আগের মত স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে যেকেউ।

করোনা পরবর্তী ক্রিকেটে ফিরে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের থাকতে হয়েছে দীর্ঘ সময় বায়ো বাবলে। নিউজিল্যান্ডে কোয়ারেন্টাইন শেষেই মিলবে স্বাভাবিক জীবন যাপন, বায়ো বাবলের অস্বস্তি পেছনে ফেলে মুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় টাইগাররা। বর্তমানে ক্রাইস্টচার্চে থাকা বাংলাদেশ কোয়ারেন্টাইন শেষে ১০ মার্চ রওয়ানা দিবে কুইন্সটাউনের উদ্দেশ্যে।

সেখানে পাঁচ দিনের অনুশীলন শেষে খেলবে প্রস্তুতি ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ শুরু ২০ মার্চ। সফরে সমান তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ।

আজ (৮ মার্চ) অনুশীলন শেষে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পাঠানো ভিডিও বার্তায় টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমরা অনুশীলন করতে পারছি, উইকেটগুলোও খুব ভালো। যে দুই ঘন্টা আমরা সময় পাচ্ছি পুরোটা সময় কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি, উপভোগ করছি। আর একটা দিন কোয়ারেন্টাইনের আছে। দোয়া করছি যেন সবার ফল নেগেটিভ আসা তাহলে সবাই বাইরে যেতে পারব।’

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এর আগে ২৬ টি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ জিততে পারেনি একটিতেও। বিরুদ্ধ কন্ডিশন বলে চ্যালেঞ্জটাও জানা টাইগারদের, তার উপর কিউইদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স তুঙ্গে। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

মাহমুদউল্লাহ অবশ্য এসবে মাথা না ঘামিয়ে নিজেদের কাজেই মনযোগী থাকতে চান, ‘নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন সব সময় চ্যালেঞ্জিং। আমাদের জন্য সহজ হবে না। দল হিসেবে আমাদের পারফর্ম করতে হবে তিন বিভাগেই।’

‘নিউজিল্যান্ড দল খুব ভাল ছন্দে আছে। মাত্রই অস্ট্রেলিয়াকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারাল। ওই জিনসগুলো মাথায় না এনে আমাদের শক্তি ও দুর্বলতার দিকগুলোর দিকে তাকালে আমাদের খেলার জন্য ভাল হবে। আমি মনে করি যে আমাদের ক্রিকেট খেলার মন মানসিকতা থাকলে ইন শা আল্লাহ আমরা ভাল করব।’

মাহমুদউল্লাহ বলছেন উইকেটের গতি সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা নিয়ে নিজেদের বেসিক কাজগুলো করাতেই নজর বাংলাদেশের, ‘আমি যত দ্রুত সম্ভব উইকেটটা বোঝার চেষ্টা করি। উইকেটের বাউন্সটা মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি কারণ এ সমস্ত উইকেটে বাউন্সটা বরাবরই থাকে। তো উইকেটে গতিটা কেমন ওটা ধরা দরকার। বেসিক ক্রিকেটটা গুরুত্বপূর্ণ। নিজেদের প্রাথমিক কাজগুলো ঠিকমতো করতে পারলে ফল ভাল হবে।’

‘বোলারদের আমার কাছে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের মনে হয় ওদের প্রয়োগের ধাপটা কোন জায়গায় আছে। ওটা নিশিত করা। তাদের ফ্রেম অফ মাইন্ড কেমন ওই জিনিসটা দেখা। কারণ এখানে লেন্থের ব্যাপারটা খুব জরুরি। কারণ লেন্থের একটু বেখেয়াল হলে হয়তবা বাউন্ডারির সুযোগ বেড়ে যায়। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে সহজে বাউন্ডারি যেন না দেই। এবং প্রপার লাইন লেন্থে ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করতে পারি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

টানা দুই জয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ ব্লু দল

Read Next

রেকর্ড বইয়ে নাম লেখালেন দেবদূত পাডিকাল

Total
19
Share