অতীত ভুলে সুযোগ দেখছেন মোহাম্মদ মিঠুন

মোহাম্মদ মিঠুন
Vinkmag ad

কথায় আছে কষ্ট করলে কেষ্ট মিলে। নিউজিল্যান্ড সফরে বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাংলাদেশ দল অপেক্ষায় সেরকম কিছুরই। ঠিকঠাকভাবে এই ১৪ দিন কাটাতে পারলেই বাধাহীনভাবে দাপিয়ে বেড়াতে পারবে কিউই মুল্লুকে। এমনকি মুখে মাস্ক পরার ক্ষেত্রেও থাকবেনা কোন বাধ্যবাধকতা। টাইগার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন বলছেন সব ছাপিয়ে সিরিজে ভালো কিছু করা সম্ভব। অতীত থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পাওয়া যাবে সাফল্য।

কোয়ারেন্টাইনের দিনগুলো বেশ কঠিনই কাটছে টাইগারদের। প্রথম তিনদিন পুরোপুরি গৃহবন্দী। চতুর্থ দিন থেকে কেবল দুই বেলা আধা ঘন্টা করে হাঁটার সুবিধা। তৃতীয়বার কোভিড নেগেটিভ হওয়ার পর আজ (৩ মার্চ) থেকে মিলেছে জিমে যাওয়ার সুযোগ। অন্যদিকে আগামীকাল থেকে ছোট ছোট গ্রুপে করা যাবে অনুশীলনও। ১৫ তম দিন থেকে অবশ্য স্বাভাবিক জীবনযাপনেই ফিরবে টাইগাররা।

এর আগে নিউজিল্যান্ডের কন্ডিসনে খাপ খাওয়ানো নিয়েই ঝামেলা পোহাতে হত সফরকারীদের। মোহাম্মদ মিঠুন বলছেন এবার তেমনটা না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকে করোনা কালে স্বাভাবিক জীবন যাপন ফিরে পেতে ১৪ দিনের কঠোর কোয়ারেন্টাইন ত্যাগ স্বীকারে অসুবিধা দেখেন না এই ব্যাটসম্যান।

এক ভিডিও বার্তায় আজ মিঠুন বলেন, ‘আগে ওয়েদারের জন্য যে স্ট্রাগলটা করতে হতো আশা করি এবার এমন ওয়েদার থাকলে সে কষ্টটা হবে না। তা ছাড়া ১৪ দিন পরে আমাদের যে স্বাভাবিক চলাফেরা শুরু হবে। অবশ্যই এটা পজেটিভ দিক। অবশ্যই সবাই জিনিসটা ইনজয় করবে। কারণ প্রায় ১ বছর ধরে আমরা এই কোভিডের মধ্যে আছি। বাংলাদেশেও যতগুলো টুর্নামেন্ট খেলেছি হোটেল থেকে বের হওয়ার সুযোগ হয়নি।’

‘এখানে জিনিসটা একটু ভিন্ন। আমরা ১৪ দিন পর ফ্রি মুভ করতে পারবো। সেটা ভেবে ভালো লাগছে। অন্তত ১৪ দিন কষ্ট হলেও পরে আমরা ফ্রি ভাবে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবো। নরমালি এতোদিন আমাদের মুভমেন্টা রেস্টিকশন্স ছিল। এখন আস্তে আস্তে বিষয়গুলো নরমাল হচ্ছে। আজকে আমরা জিম করার সুযোগ পেয়েছি। প্রায় এক সপ্তাহ পরে জিম ব্যবহার করে ভালো লাগছে।’

‘এই ব্যাপারে অনেক বেশি এক্সাইটেড। কারণ ঘরের মধ্যে থাকা খুব কষ্টকর। এখানে খুব একটা কিছু করার নাই সারাদিন ঘরের মধ্যে থেকে। এ ছাড়া আমরা একটা টুর্নামেন্ট খেলতে এসেছি সিরিজ খেলার মধ্যে কাল থেকে আমরা মাঠে যেতে পারবো। এই ব্যাপারটা ভাবতে আলাদা ভালো লাগা কাজ করছে। কালকে থেকে যখন ক্রিকেট অনুশীলনে ফিরবো আস্তে আস্তে আমরা সবকিছু এডজাস্ট করে নিতে পারবো।’

নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে নতুন বল ঠিকঠাক সামলে নিতে পারাটাই মূল চ্যালেঞ্জ বলছন এই ব্যাটসম্যান, ‘আমাদের খুব বেশি এই কন্ডিশনে খেলার সুযোগ হয় না। তারপরও আমরা সবাই জানি নিউজিল্যান্ডে নতুন বলটা খুব চ্যালেঞ্জিং হয়। আমরা দল হিসেবে নতুন বলে যদি সারভাইভ করতে পারি অবশ্যই আশা করছি আগের চেয়ে অনেক ইতিবাচক ফলাফল হবে।’

‘এটাকে আমরা অবশ্যই সুযোগ হিসেবে নিচ্ছি। কারণ আগে কি হয়েছে এর চেয়ে সামনে কি করবো যেহেতু এবার অনেক আগে এসেছি। অনেক অনুশীলনের সুবিধা পাবো। আশা করা যায় দলের সবাই যত দ্রুত সম্ভব নিজেদের স্কিলটায় এডজাস্ট করে নিতে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ভারতে ম্যাচ সেরার পুরষ্কার ৫ লিটার ‘পেট্রোল’!

Read Next

দারুণ জয়ে সিরিজে ফিরল অস্ট্রেলিয়া

Total
3
Share