ইংলিশ কোচ ও অধিনায়কের বৈঠকঃ প্রসঙ্গ ৩য় টেস্টের উইকেট

ইংলিশ কোচ ও অধিনায়কের বৈঠকঃ প্রসঙ্গ ৩য় টেস্টের উইকেট

আহমেদাবাদের পিচ নিয়ে সর্বত্র চলছে সমালোচনার ঝড়। পিচের মান নিয়ে ইংল্যান্ড কোন অফিসিয়াল বক্তব্য উপস্থাপন করবে কীনা, তা নিয়ে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জো রুটের সাথে আলোচনায় বসবেন কোচ ক্রিস সিলভারউড।

২য় দিনের শেষ সেশনের শুরুতেই টেস্টের নিষ্পত্তি ঘটে যায়, যা ১৯৩৫ সালের পর সবচেয়ে কম সময়ের টেস্ট বলে বিবেচিত হয়েছে। ইংল্যান্ড এবং ভারত উভয়েরই পিচে ব্যাটিং পারফরম্যান্স হতাশাজনক ছিল। ২য় দিনে ভারত মাত্র ৪৭ রানে ৭ উইকেট হারায়, সেখানে ইংল্যান্ডের রুট ৮ রানে নেন ৫ উইকেট। এরপর ইংল্যান্ড তাদের ২য় ইনিংসে ৮১ রানে সবকটি উইকেট হারিয়ে বসে। ২য় দিনের প্রথম দুই সেশনে ১৭ উইকেটের পতন ঘটে।

ভারতের অধিনায়ক ভিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মা পিচকে ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো বললেও যুবরাজ সিং এবং স্যার অ্যালিস্টার কুক তীব্র সমালোচনা করেছেন।

আইসিসির কাছে পিচ নিয়ে ইংল্যান্ড কোন অফিসিয়াল অভিযোগ করবে কীনা, তা নিয়ে রুটের সাথে কথা বলবেন কোচ সিলভারউড। ‘আমরা এ বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলবো,’ সিলভারউড বলেন।

‘তিন বাকি থাকতে টেস্টের নিষ্পত্তি হয়ে যাওায় আমরা ভীষণ হতাশ। দর্শকরাও হয়তো আমাদের মতই হতাশ হয়েছে। একইসাথে পিচের চেয়ে বড় কথা হচ্ছে ভারত আমাদের চেয়ে বেশি ভালো খেলেই জয় পেয়েছে। তবে আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য কষ্ট দায়ক হয়েছে, অন্তত অভিজ্ঞতার দিক দিয়ে।’

‘জো আর আমি একসাথে আলোচনায় বসবো। এসব পিচে আমাদের ভালো করতে হবে এবং আমাদের মানতে হবে এসব জায়গায় খেলতে গেলে আমাদের অনেক উন্নতির প্রয়োজন। প্রথম ইনিংস লক্ষ্য করলেই দেখা যায় আমাদের বড় স্কোর করা সম্ভব ছিল।’

পার্ট টাইম বোলার জো রুটের প্রশংসাও করেন সিলভারউড। ‘এটা ভুললে চলবে না যে তারাও ৪৭ রানে ৮ উইকেট হারিয়েছিল। রুট দারুণ বোলিং করেছে। তবে এখানে উল্লেখ্য আমাদের ব্যাটসম্যানরা সবচেয়ে বেশি ভুগেছে। এই পিচে স্পিন খেলাটা বেশ কঠিনই ছিল। দুই দলেরই অনেকগুলো এলবিডব্লিউ এবং বোল্ড হয়েছে। ব্যাপারটা আসলেই সহজ ছিল না। আশা করি দুই দলই একই বিষয় নিয়ে কথা বলছে।’

‘ভারতের স্পিনারদের প্রশংসা করাই উচিত। ওদের রবিচন্দ্রন অশিনের মত বিশ্বসেরা স্পিনার রয়েছে। এছাড়া আক্সার প্যাটেল খুবই নিখুঁত ছিল। কিছু বল টার্ন করেছে, কিছু করেনি। ওর বল খেলাটাও কঠিন ছিল।’

২য় ও ৩য় টেস্টের অভিজ্ঞতা থেকে খেলোয়াড়রা শিক্ষা নিবে বলেও আশাবাদী কোচ সিলভারউড।

‘পোপ, ক্রলি, সিবলিরা এই মুহুর্তে এ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিবে, যা ভবিষ্যতে তাদের কাজে দিবে। ফ্ল্যাট উইকেটে তারা প্রচুর রান করে। তবে এসব উইকেটে রান করার মত ধৈর্য তাদের শিখতে হবে। আশা তারা এ অবস্থা থেকে ভালোভাবে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে কাজে লাগাবে। যদিও এখনকার মুহুর্তটা দুংখজনক, তবে আশা করি আমরা ভালো শিক্ষা নিতে পারবো।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

রাব্বির ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং, ‘৮’ রানের আক্ষেপ

Read Next

বুমরাহ’র আবদার রাখল বিসিসিআই

Total
2
Share