বিচার করার ভার আইসিসিকে দিলেন জো রুট

বিচার করার ভার আইসিসিকে দিলেন জো রুট

আহমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার দিবারাত্রির টেস্ট শেষ হয়েছে দুই দিনের মধ্যেই। ৮৪২ বল স্থায়ী এই টেস্ট ফল আসা টেস্টের মধ্যে সংক্ষিপ্ততম (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর)। পতন হওয়া ৩০ উইকেটের ২৮ টি উইকেটই নিয়েছেন স্পিনাররা। স্পিনারদের জন্য স্বর্গ হয়ে ওঠা আহমেদাবাদের উইকেট নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে বিস্তর।

এই উইকেটেই টেস্ট তথা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথমবারের মত ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করেছেন ইংলিশ দলপতি জো রুট। সেটাও কেবল ৮ রান খরচে। উইকেটের আচরণ বুঝতে এটিই যথেষ্ট। রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ওয়াশিংটন সুন্দর ও আক্সার প্যাটেলের সামনে নাভিশ্বাস উঠেছে রুট-স্টোকসদের।

ম্যাচ শেষে রুটের কাছে প্রশ্ন এসেছিল উইকেট নিয়ে। জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এই উইকেট টেস্ট ম্যাচের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী হয়েছে কিনা। উত্তরে রুট বলেন, ‘এটা খুবই ভাল প্রশ্ন, এবং এটার উত্তর দেওয়াটা একটু ট্রিকি।’

রুট যোগ করেন, ‘আমি মনে করি এই উইকেট খুবই চ্যালেঞ্জিং। ব্যাটিং করা খুবই কঠিন। এটা খেলোয়াড়দের দায়িত্ব না যে বলা এটা স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী হচ্ছে কিনা। এটা আইসিসির ওপর, তারাই সিদ্ধান্ত জানাতে পারবে। আমাদের কাজ হল যেকোন পরিস্থিতিতে সেরাটা দেবার চেষ্টা করা।’

হোম অ্যাডভান্টেজ থাকাটা দোষের কিছু নয় বলছেন জো রুট। তবে সেটার মাত্রা থাকা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

‘আমি আগেও বলেছি সবসময়ই হোম অ্যাডভান্টেজ থাকা উচিত। কারণ, এটা টেস্ট ক্রিকেটের সৌন্দর্যের অংশ। আপনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে খেলতে যান, আপনাকে আপনার খেলায় উন্নতি আনতে হবে, ভিন্ন উপায় খুজে বের করতে হবে। যদি আপনাকে ধারাবাহিকভাবে ভালো করতে হয় তাহলে যে উইকেটে স্পিন করে সেই উইকেটেও আপনাকে ভালো খেলার উপায় খুজে বের করতে হবে। তবে দেখতে হবে আপনি উইকেট থেকে কোন মাত্রায় সাহায্য চান।’

আহমেদাবাদ টেস্টের ৩য় ও ৪র্থ ইনিংসে কোন পেসার বল করেননি। এটাকে লজ্জাজনক মনে করছেন রুট।

‘সবসময়ই হোম অ্যাডভান্টেজ থাকবে তবে এটা লজ্জার যখন দারুণ কিছু ক্রিকেটার খেলে, তবে ম্যাচে তারা কোন ইনপুট দিতে পারে না। আপনি ইশান্ত শর্মার দিকে তাকান। সে তার ১০০ তম টেস্ট খেলেছে, সে কয়েকটি ওভার বল করেছে মাত্র। জাসপ্রীত বুমরাহ, স্টুয়ার্ট ব্রড, জফরা আর্চার, জিমি অ্যান্ডারসনের দিকে তাকান। তারা দুনিয়ার অন্যতম সেরা কয়েকজন ফাস্ট বোলার। আমরা তাদেরকে বেশি সুযোগ পেতে দেখিনি।’

‘সিদ্ধান্ত আইসিসিকে নিতে হবে। ক্রিকেটার হিসাবে আপনি চাইবেন যেকোন কন্ডিশনে লড়াই করতে। তবে সেখানে প্রতিযোগিতাটা থাকতে হবে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

চট্টগ্রামে দাপট দেখাচ্ছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল

Read Next

নিউজিল্যান্ডে যেভাবে কাটছে তাসকিনদের সময়

Total
20
Share