মেন্টালি টাফ চ্যালেঞ্জে তাসকিনের প্রো অ্যাকটিভ থাকার বার্তা

মেন্টালি টাফ চ্যালেঞ্জে তাসকিনের প্রো অ্যাকটিভ থাকার বার্তা

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডে দিয়ে আড়াই বছর পর জাতীয় দলের জার্সিতে খেললেন তাসকিন আহমেদ। নিউজিল্যান্ড সফরের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডেও আছেন এই পেসার। করোনা পরবর্তী এটাই বাংলাদেশের প্রথম বিদেশ সফর। যেখানে মানতে হবে কড়া কোয়ারেন্টাইন নিয়ম, প্রথম ৬ দিন পুরোপুরি গৃহবন্দী। এর আগে বায়ো বাবলে অভ্যস্ত হলেও এমন ঘরবন্দী জীবনের অভিজ্ঞতা টাইগারদের জন্য প্রথম। তাসকিন বলছেন মানসিকভাবে চাপের, তবে নিজের কাজ নিজে করতে পারবেন।

নিউজিল্যান্ড সফরের প্রথম ৬ দিন ক্রিকেটাররা একদমই ঘরবন্দী থাকবেন। এমনকি নিজেদের কাজ নিজেদেরই করতে হবে। ঘর, ওয়াশরুম পরিষ্কার সহ কোন কিছুতেই এই ৬ দিন সাহায্য পাবে না হাউজ কিপারের।

সফরে সমান তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। আজ (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে টাইগাররা। নিউজিল্যান্ড পৌঁছে ৫ দিনের অনুশীলন ক্যাম্প করবে বাংলাদেশ। ২০ মার্চ শুরু হবে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। কিন্তু সব ছাপিয়ে আলোচনায় ৬ দিনের কোয়ারেন্টাইন।

নতুন এই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে গতকাল (২২ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরে গণমাধ্যমকে পেসার তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘এটা আসলে মেন্টালি টাফ চ্যালেঞ্জ, এরকম সিচুয়েশনে এর আগে কখনো থাকা হয় নাই। যদিও আমরা লাস্ট দুইটা সিরিজ বা টুর্নামেন্টে সব কিছু জৈব সুরক্ষা বলয়ের আন্ডারেই খেলেছি কিন্তু এটা একটু ডিফরেন্ট হবে সম্পূর্ণ ৬ দিন একই রুমে বন্দী এবং নিজেরই সবকিছু করা, তারপর হয়ত কোয়ারেন্টাইন পিয়িয়ডটা শেষ হলে ট্রেনিং স্টার্ট হবে তো এটা মেন্টালি স্ট্রং থাকাটা আমাদের জরুরি এবং ভালো মানে ডিফরেন্ট এক্সপেরিয়েন্স হবে।’

নিজের কাজ নিজে করা প্রসঙ্গে এই পেসারের অভিমত, ‘আসলে বায়ো বাবলে অনেকটা অভ্যাস হয়েছে। তাও দেখা যায় যে ৬ দিন হাউজ কিপার ছাড়া থাকা কিন্তু আমরা পারব নরমালি ক্যাম্প করার অভ্যাস থাকে। তো সবকিছু এডজাস্ট করে নিতে পারব।’

নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে পূর্বে খেলার অভিজ্ঞতা থেকে ২৫ বছর বয়সী এই পেসার জানালেন নিজেদের জন্য কাজটা কতটা কঠিন, ‘নিউজিল্যান্ডে এর আগেও দুইবার খেলেছি আমি । বিশ্বকাপ খেলেছি এবং নিউজিল্যান্ড সিরিজ খেলেছি। সবসময় অনেক চ্যালেঞ্জিং হয় বাইরে থেকে যারাই খেলতে যায় ওদের কন্ডিশনে ওদের সঙ্গে।’

‘ওইখানে ভালো করতে হলে আসলে সহজে কোনা কিছু পাওয়া সম্ভব না বোলার, ব্যাটসম্যান দুজনের জন্যই। কারণ ওদের কন্ডিশনে সবসময় ওরাই ফেভারিট থাকে এবং টাফ হয় প্রতিপক্ষ দলের জন্য। তবে আমাদের শতভাগ তো দিতেই হবে সঙ্গে প্রো একটিভ থাকতে হবে।’

নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে বাতাসটা বেশ ভোগায় অনভ্যস্ত সফরকারী দলগুলোকে। তবে এসবকে অজুহাত হিসেবে দেখাতে নারাজ তাসকিন, ‘মানিয়ে নেওয়া চ্যালেঞ্জিং হয়ে যায় অনেক সময়। প্রচন্ড বাতাস থাকে। যে বাতাসটা নিউজিল্যান্ডে আসলে ফিল্ডিং করার সময় বা বোলিংয়ে রান আপের সময় ও ব্যাটিংয়ে ফোকাস করতে প্রবলেম হয়। কিন্তু এগুলা আসলে এক্সকিউজ হতে পারে না। এগুলা নিয়েই আমরা চেষ্টা করব মানিয়ে নেওয়ার, ভালো করার।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক হলেন শানাকা, স্কোয়াডে লাকমাল

Read Next

‘যখন খেলতে যাচ্ছি, খেলার জন্য যাচ্ছি’

Total
9
Share