বিসিবি কর্তাদের জরুরি সভায় যে আলোচনা হল

বিসিবি কর্তাদের জরুরি সভায় যে আলোচনা হল

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হবার পরে চটে আছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। সংবাদ সম্মেলনে তার কথাতে ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে স্পষ্টতই। বিসিবি পরিচালক নাইমুর রহমান দুর্জয়ও ক্রিকেটারদের দায় দেন। দলের ভরাডুবির পর নড়েচড়ে বসেছেন বিসিবি কর্তারা।

আজ (১৭ ফেব্রুয়ারি) এক জরুরি সভায় বসেন বিসিবি সভাপতি। সভাতে ছিলেন নির্বাচক ও বিসিবি পরিচালকরা। সভা শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নাইমুর রহমান দুর্জয় জানান সভাতে কি আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটার নিয়ে আলোচনা ছিল, আমরা খোলামেলা আলাপ আলোচনা করেছি। এর আগের কিছু সিরিজ, বাংলাদেশ দলের ব্যাপার ছিল। সেখানে আমাদের ডেভেলপমেন্ট, এইচপি সবকিছেু নিয়েই আলোচনা ছিল। বিশেষ করে সম্প্রতি যেটা শেষ হলো সেই বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ। সবকিছু নিয়েই আমাদের আলোচনা ছিল।’

সভা শেষে তারা কি বার্তা পেলেন জানতে চাওয়া হলে দুর্জয় বলেন,’বার্তা তো আমাদের কাছে যাবে না, বার্তা তো আমরা দিবো। সেই বার্তাটা এখনও দেয়ার সময় হয় নাই। বেশ কিছু জিনিস আছে আমাদের খেলোয়াড়দের অ্যাভেইলেবলিটি, সামনে আরও সিরিজ আছে সেই গুলোতে আমাদের বোর্ডের পলিসি কি হবে এগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো কিছু হয় নাই।’

বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে বাংলাদেশের ভুল কার চোখে কিভাবে ধরা পড়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান দুর্জয়।

‘এটা (বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ) আলোচনায় আসছে, আসাটাই স্বাভাবিক। কার চোখে কিভাবে ধরা পড়েছে, কার মাথায় কি এসেছে, কি করলে ভালো হতো আরও ভালো উন্নতি করতে পারতাম। এই ধরনের আলোচনা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে আপনারাও করেন এই ধরনের আলোচনা।’

সামনেই বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড সফর। এই সিরিজকে সামনে রেখে হুট করে কোন বড় পরিবর্তন আসবে না বলে মনে করেন দুর্জয়।

‘সামনে যেহেতু কাছাকাছি আরেকটা সিরিজ আছে তো সেই ক্ষেত্রে আমার মনে হয় যে পরিবর্তনের যেসব কথা বলছেন সেরকম কিছু মনে হয়নি। প্রধান কিছু পরিবর্তন না করে আমরা কিভাবে ওইখান থেকে উত্তরণ করতে পারি। সবার মাথা থেকে, সবার আইডিয়া থেকে শেয়ার করা হয়েছে। ‘

আলোচনায় এসেছে লঙ্গার ভার্সনের ঘরোয়া টুর্নামেন্টের প্রসঙ্গও।

‘আপনারা প্রশ্ন করছেন আমরা কেন প্রস্তুতির জন্য বিসিএল বা আমাদের জাতীয় লিগ করিনি। প্রস্তুতির যে সুযোগ ছিল আমরাও বলেছি যে আমাদের ইচ্ছা ছিল, বোর্ডের ইচ্ছা ছিল প্রস্তুতির জন্য লঙ্গার ভার্সনের একটা দুইটা ম্যাচ আয়োজন করা।’

‘কিন্তু সেখানে আমরা এটাও জানি যে এখন পরিস্থিতিটাও স্বাভাবিক না কোভিডের কারণে, বায়ো বাবল যেন লম্বা না হয় যে কারণে টিম ম্যানেজমেন্ট চাচ্ছিলো না এতদিন বায়ো বাবল সিকিউরিটির মাঝে থাকতে। আল্টিমেটলি সেখানে তো প্রস্তুতির ঘাটতিটা তো রয়ে গেল। তো সেই জিনিসগুলো সামনে আরও গভীরভাবে চিন্তা করে ম্যানেজমেন্ট। সেটা আমাদেরও তো চিন্তা আছে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

টেস্ট দলেই ফেরার স্বপ্ন আশরাফুলের

Read Next

সাকিব-মুস্তাফিজদের পুরোটা সময় পাওয়া যাবে না আইপিএলে

Total
2
Share