সিলেটের মাঠ যখন রাহির অনুপ্রেরণা

সিলেটের মাঠ যখন রাহির অনুপ্রেরণা

বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াডে আবু জায়েদ রাহি এখন অটোমেটিক চয়েজ। চট্টগ্রাম টেস্টে একাদশের বাইরে থাকলেও ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনেই নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন আরেকবার। একমাত্র স্বীকৃত পেসার হয়ে তুলে নিয়েছেন দুই উইকেট, উইকেটের চাইতে ব্যাটসম্যানকে ভোগাতে পারাটা নজরে পড়েছে বেশ ভালোভাবে। শুধু টেস্ট খেলেন বলে নিজেকে প্রস্তুত রাখার কাজটা কঠিন। তবে নিজ শহর সিলেটে অনুশীলন করতে পেরে সবসময় সতেজ থাকেন বলে জানালেন রাহি।

এমনিতে দেশের সবচেয়ে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন ও সুন্দর স্টেডিয়ামের নাম বলতে গেলে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নাম আসবে প্রথমেই। পাহাড়ে ঘেরা সবুজ মখমলের মত গুছানো মাঠ যে কাউকে আলাদাভাবে টানবে। আর মাঠের প্রাণ ক্রিকেটারদের কাছে তো দারুণ কিছু। বিশেষ করে সিলেটের সন্তান আবু জায়েদ রাহি সবসময় মুখিয়ে থাকেন ওখানে অনুশীলন করতে।

করোনা দীর্ঘ বিরতিতেও সিলেটে আবু জায়েদ রাহি, এবাদত হোসেন, নাসুম আহমেদরা নিয়মিত অনুশীলন করেছেন সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। সিলেটে থাকলে এই মাঠে অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেকে চাঙা রাখেন বলে জানান রাহি।

ঢাকা টেস্টের প্রথম দিন শেষে সফল এই পেসার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘অনুপ্রেরণা বলতে গেলে নিজের অনুপ্রেরণা, হ্যা সিলেটের কথা বলতে হবে। কারণ ওই মাঠে প্র্যাকটিস করতে আলাদা আনন্দ লাগে আমার।’

‘আমি বেশিরভাগ সময় সিলেটে থাকলে ওখানে লোকাল কোচকে ফোন দিতাম বা উনি আমাকে ফোন দিত যে আসো মাঠে। সিলেটের মাঠে প্র্যাকটিস করতে আমার আলাদা ইন্টারেস্ট লাগত, আমি সিলেটের মাঠে যাব , প্র্যাকটিস করব, সুন্দর গ্রাউন্ড, আমার কাছে আকর্ষণটা একটু বেশি।’

মিরপুরের পিচ এমনিতেই রহস্যময়ী, ১৮ ওভার বল করে ৪৬ রান খরচায় প্রথম দিন রাহির উইকেট দুইটি। স্পিন নির্ভর বাংলাদেশ প্রথম দিন পছন্দ মত উইকেট পায়নি বলে মত ডান হাতি এই পেসারের।

রাহি বলেন, ‘যেরকম আশা করেছিলাম, ওরকম ছিল না। উইকেট এখনও ফ্ল্যাট আছে। আমার কাছে মনে হয় আমরা যেরকম আশা করেছিলাম উইকেট ওই রকম না। উইকেটটা আরও ফ্ল্যাট এবং আরও সময় লাগবে উইকেটে টার্ন এবং আমরা যেটা আশা করছি সেটা পেতে।’

প্রথম দিন পাঁচ উইকেট হারিয়ে ক্যারিবিয়ানদের সংগ্রহ ২২৩। দিনশেষে অপরাজিত আছেন সেট ব্যাটসম্যান এনক্রুমাহ বোনার। ৭৪ রানে অপরাজিত থাকা বোনারের সাথে ২২ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন জশুয়া ডা সিলভা।

দিনশেষে নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট রাহি, ‘অবশ্যই আমি সন্তুষ্ট। আপনি যদি স্কোরকার্ড দেখেন, ৯০ ওভারে ২২৩ করেছে এই উইকেটে, আমার কাছে মনে হয় যে এখন ফিফটি ফিফটি, দুই টিমের জন্যই।’

৫ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে দিন শেষ করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে দ্বিতীয় দিন তাদের ২৭০ থেকে ৩০০ রানের মধ্যে আঁটকে দেওয়ার পরিকল্পনা বাংলাদেশের।

টাইগার একাদশের একমাত্র স্বীকৃত পেসার রাহি যোগ করেন, ‘অবশ্যই আমাদের টেস্ট জেতা প্রয়োজন। তো আমার কাছে মনে হয় যে আমাদের ২৭০ থেকে ৩০০ এর মধ্যে আউট করা উচিত।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

গিবসন বললেন: আমাদের সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে

Read Next

৩৫০ পার করতে চান বোনার

Total
2
Share