যেভাবে মায়ের্সদের অনুপ্রাণিত করেছেন গ্যাব্রিয়েল

যেভাবে মায়ের্সদের অনুপ্রাণিত করেছেন গ্যাব্রিয়েল
Vinkmag ad

রেকর্ড গড়া ডাবল সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মহাকাব্য লিখলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান কাইল মায়ের্স। অভিষেক ম্যাচে ২১০ রানের হার না মানা ইনিংসে রেকর্ড রান তাড়া করে জেতালেন দলকে। বাংলাদেশকে ভুলে যাওয়ার মত একটি দিন উপহার দেওয়া মায়ের্স জানালেন বিরুদ্ধ কন্ডিশনে এমন কিছু করতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন দলের অভিজ্ঞ পেসার শ্যানন গ্যাব্রিয়েল।

বাংলাদেশের স্পিন নির্ভর উইকেট সবসময়ই পেসারদের জন্য কঠিন মঞ্চ। দুই ইনিংস মিলিয়ে চট্টগ্রাম টেস্টে ক্যারিবিয়ায়ন দুই অভিজ্ঞ পেসার কেমার রোচ ও শ্যানন গ্যাব্রিয়েল নিয়েছেন মাত্র তিন উইকেট। কেমার রোচের এক উইকেটের বিপরীতে গ্যাব্রিয়েলের শিকার দুইটি।

খুব বেশি উইকেট না পেলেও টাইগার ব্যাটসম্যানদের বেশ ভুগিয়েছেন গ্যাব্রিয়েল। সাদমান, শান্ত, মুমিনুলদের দুর্বলতা বিবেচনায় নিয়ে দারুণ ফিল্ড সেটাপ করে টানা করে গেছেন শর্ট বল। যা সামলাতে বেগ পেতে হয়েছে টাইগার ব্যাটসম্যানদের।

৩৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দল ৫৯ রানেই তিন উইকেট হারানোর পরও অভিষিক্ত কাইল মায়ের্সের ডাবল সেঞ্চুরিতে চড়ে ৩ উইকেটের জয় পায় ক্যারিবিয়ানরা। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন আরেক অভিষিক্ত ক্রুমাহ বোনার (৮৬)।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by cricket97 (@cricket97bd)

অভিষেক ম্যাচেই ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে মায়ের্সই অবশ্য নায়ক। অভিষেক ম্যাচে চতুর্থ ইনিংসে ডাবল হাঁকানো প্রথম ব্যাটসম্যান এই বাঁহাতি। বাংলাদেশের স্পিনারদের বিপক্ষে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন গ্যাব্রিয়েলের কাছে থেকে।

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মায়ের্স বলেন, ‘আমি সবসময় ইতিবাচক থাকি এবং নিজের সামর্থ্যের উপর বিশ্বাস রাখি, আর বিশ্বাস করেছি যে আমরা লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো। আমরা কখনো হাল ছাড়িনি এবং লড়াই চালিয়ে যাই। অধিনায়ক ও কোচ আমাদের বলেছে লড়াই চালিয়ে যেতে। শ্যানন (গ্যাব্রিয়েল) এই উইকেটেও দারুণ প্রচেষ্টা দেখিয়েছে। যা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করেছে ভালো কিছু করতে।’

টি-টোয়েন্টির এই মার মার কাট কাট ক্রিকেটের যুগেও টেস্ট ক্রিকেটই যে অভিজাত সংস্করণ তা আবারও তুলে ধরলেন ক্যারিবিয়ান এই ব্যাটসম্যান। ৪১৫ মিনিট ক্রিজে কাটিয়ে ৩১০ বলে ২০ চার ১৭ ছক্কায় অপরাজিত ২১০ রানের ইনিংসে টেস্টের মহত্ব অভিষেকেই বুঝালেন মায়ের্স নিজেই।

তিনি বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেট খেলাটা সত্যি অন্যরকম অনুভূতি। আর ১০০, ২০০ কিংবা ম্যাচ জেতা সেটাতো বিশেষ কিছু। আমি কোচ, অধিনায়ক, সতীর্থ ও আমার পরিবারকেও ধন্যবাদ দিতে চাই। আমি সবার প্রতি সত্যি কৃতজ্ঞ। একজন ক্রিকেটারের অভিষেক হল এবং সে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকালো অবশ্যই তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

টুইটার জুড়ে চলছে কাইল মায়ের্স বন্দনা

Read Next

উইকেট নয়, বোলারদের দুষলেন মুমিনুল

Total
10
Share