ভূমিকা বদলে সৌম্য এখন ফিনিশার

ভূমিকা বদলে সৌম্য এখন ফিনিশার

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ সামনে রেখে শুরু হওয়া বাংলাদেশ দলের অনুশীলন ক্যাম্পে একটা দৃশ্য নিয়মিত দেখা গেছে। কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো জোর দিয়েছেন সৌম্য সরকারের বোলিংয়ে। নিয়মিত বোলারদের মত সৌম্যকেও টানা বল করিয়েছেন। মূলত সৌম্যের ব্যাটিং অর্ডারে অবনতি হচ্ছে বলেই বল হাতেও তার কাছ থেকে সার্ভিস পেতে চান ডোমিঙ্গো। ব্যাটিং অর্ডারে তাকে বিবেচনা করা হচ্ছে ৭ নম্বরে, তবে সেটি তার উপর আস্থা রেখেই।

শেষদিকে ফিনিশার হিসেবে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানকে নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত টাইগারদের প্রধান কোচ। তার মতে ৬ নম্বরে নামা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সাথে ক্লিন হিটে সামর্থ্যবান সৌম্য দলকে দারুণ সমর্থন দিবেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ সামনে রেখে আজ (১৮ জানুয়ারি) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে রাসেল ডোমিঙ্গো ধারণা দিলেন কেমন হতে পারে ব্যাটিং অর্ডার। ওপেনিংয়ে তামিম-লিটনের পর তিন নম্বরে খেলবেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তিন নম্বরে ২০১৯ বিশ্বকাপে দারুণ সফল হওয়া সাকিবকে চারে পাঠিয়ে মিডল অর্ডারকে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন করতে চান এই প্রোটিয়া। যেখানে পাঁচ ও ছয় নম্বরে দেখা যাবে মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে।

ফলে ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময় টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডারে খেলা সৌম্যের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে উঠে প্রশ্ন। ডোমিঙ্গো জানিয়েছেন তাকে লোয়ার মিডলে ফিনিশার ও কয়েক ওভার দলকে বোলিং করে দেওয়ার মত করে গড়ে তুলতে চান। ওপেনিং থেকে শুরু করে চার নম্বর ছাড়া ৭ নম্বর পর্যন্ত পজিশনে খেলার অভিজ্ঞতা আছে এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের। তবে সবচেয়ে সফল হয়েছেন ওপেনিং ও তিন নম্বরে।

ভূমিকা বদলিয়ে সৌম্যকে লোয়ার মিডলে নেওয়া প্রসঙ্গে ডোমিঙ্গো বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি মনে করি তামিম-লিটনের ওপেনিং জুটিতে টপ অর্ডার প্রতিষ্ঠিত। আমরা সৌম্যকে সম্ভবত মিডল অর্ডারের জন্য ভাবতে পারি। আমরা আসলে এমন কাউকে খুঁজছি যে কিনা ইনিংসের শেষদিকে পাওয়ার হিট করবে এবং কয়েক ওভার বলও করতে পারবে।’

‘আমি জানি সৌম্য সবসময় টপ অর্ডারে খেলেছে। আমাদের মৌসুম শুরুর সাথে সাথে এসব ভূমিকায় উপযুক্ত এমনদের খুঁজে বের করতে হবে। এই মুহূর্তে আমরা রিয়াদের সাথে ফিনিশিংয়ে সৌম্যকে চাচ্ছি। তার অভিজ্ঞতা আছে এবং সে ক্লিন হিটার। তার ব্যাটিংয়ের উপর আমার প্রবল আস্থা রয়েছে। আমি আশা করি সে একসাথে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারবে। ৬ ও ৭ নম্বরে ভূমিকাটা কঠিন।’

‘মাঝে মাঝে এমন হবে যে ওভারে আপনাকে ১০ রান নিতে হবে এবং একটি ভালো বল পাবেন। মাঝে মাঝে আপনি ৫ উইকেটে ৫০ রান এমন পরিস্থিতিতে একটি ভালো বল পাবেন। এটা খুব কঠিন কাজ। তাকে অবশ্যই এই ভূমিকায় সফল দেখতে হলে সময় দিতে হবে, ধৈর্য্য ধরতে হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

প্রস্তুতি ম্যাচে আলো ছড়ালেন জশুয়া

Read Next

ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন যারা

Total
5
Share