সুযোগ লুফে নিতে চান হাসান-মেহেদীরা

সুযোগ লুফে নিতে চান হাসান-মেহেদীরা

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বিবেচনায় পূর্ণ শক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ফেভারিট হয়েই মাঠে নামে বাংলাদেশ। তবে ঘরের মাঠে আসন্ন সিরিজে খর্ব শক্তির ক্যারিবিয়ান দলই মোকাবেলা করবে বাংলাদেশের। মূলত করোনা আশঙ্কায় দলটির বেশিরভাগ সিনিয়র ক্রিকেটার নাম সরিয়ে নেয়। প্রথমবার বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াডে জায়গা পাওয়া অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান জানালেন পূর্ণ শক্তির ক্যারিবিয়ান দল হলেও সমস্যা হতনা টাইগারদের।

প্রথমবার ওয়ানডে স্কোয়াডে জায়গা মিলেছে পেসার হাসান মাহমুদেরও। সিনিয়র ক্রিকেটারদের কাছ থেকে শিখে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান জাতীয় দলে। অন্যদিকে অলরাউন্ডার বলে সুযোগ পেলে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রটাও বেশি মেহেদীর। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে চাপ নয়, অনুপ্রেরণা হিসেবে নিতে চান এই অলরাউন্ডার।

শেখ মেহেদী হাসান ও হাসান মাহমুদ দুজনেই অবশ্য বাংলাদেশের জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন আগেই। হাসান মাহমুদের অভিজ্ঞতা বলতে এক টি-টোয়েন্টি, শেখ মেহেদী হাসান খেলেছেন ৪ টি টি-টোয়েন্টি।

এক ভিডিও বার্তায় ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা মেহেদী বলেন, ‘অবশ্যই পরিশ্রম করে আসছি বাংলাদেশ দলে খেলার জন্য। প্রথমে তো আমার টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয়েছে, এখন ওয়ানডেতে সুযোগ এসেছে। আলহামদুলিল্লাহ।’

‘যদি একাদশে সুযোগ হয়, নিজের সেরাটা দেয়ার অবশ্যই চেষ্টা থাকবে। যেহেতু আমি বোলিং করতে পারি, ব্যাটিং করতে পারি, যে জায়গায় যেখানে সুযোগ আসে চেষ্টা করব কাজে লাগানোর।’

‘এটা আসলে অনুপ্রেরণা। চাপ হবে কেন? আমরা যেহেতু ক্রিকেটার, চাপ নেওয়ার কিছু নাই। যেহেতু আমরা পরিশ্রম করছি, চেষ্টা করছি, এটা আমাদের অনেক কিছু। চাপ নিতে হলে সেটা ম্যাচের ভেতরে প্রভাব পড়ে, ম্যাচের বাইরে চাপটা ওরকম আসে না।’

খর্ব শক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ছোট করে দেখছেন না মেহেদী তবে পূর্ণ শক্তির দল আসলেও ভালো করতো বাংলাদেশ আছে এমন আত্মবিশ্বাস।

২৬ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার যোগ করেন, ‘পূর্ণশক্তির দল আসলেও সমস্যা ছিল না, যেহেতু আমরা মানসিকভাবে অনেক শক্ত অবস্থায় আছি। খেলা কখনও ছোট করে দেখতে নেই, যে দলই হোক। গোল বলের খেলা যেহেতু, বড় টিম আর ছোট টিম নেই। দিনশেষে যে ভালো করবে সে রেজাল্ট পাবে।’

এদিকে তরুণ পেসার হাসান মাহমুদের লক্ষ্য সামনে আসা সুযোগ লুফে নাওয়ার, ‘যেদিন থেকে খেলা শুরু করেছিলাম, সেদিন থেকেই জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন ছিল। এখন সুযোগ পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমি আমার সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করবো। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিজের সেরাটাই দিতে হবে। এটা দিয়ে তো আমার ক্যারিয়ার শুরু হবে। ধারাবাহিকতা বজায় রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার যেই সুযোগটা আছে সেটা কাজে লাগানো খুবই দরকার।’

২১ বছর বয়সী এই পেসার সিনিয়র ক্রিকেটারদের কাছ থেকে নিতে চান সর্বোচ্চটুকু, ‘ সিনিয়রদের অনুপ্রেরণা কাজ করে। দেশীয় ক্রিকেটারই হোক বা বিদেশী ক্রিকেটারই হোক। সবাইকে দেখে দেখেই এতটুকু আগানো। আর এখন তো অবশ্যই যেহেতু আছি, সিনিয়রদের দেখেই অনুপ্রাণিত হই।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ব্রিসবেন টেস্টে লড়াই জমিয়ে দিয়েছে শারদুল-সুন্দর

Read Next

গল টেস্টের শেষ দিনে রোমাঞ্চের হাতছানি

Total
35
Share