শীষ্যদের মত চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত গুরু রায়ান কুকও

শীষ্যদের মত চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত গুরু রায়ান কুকও

ক্রিকেটে ব্যাটিং-বোলিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েরও আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। আধুনিক ক্রিকেটে ফিল্ডিংকে সেরা পর্যায়ে নিয়ে যেতে চেষ্টার কমতি নেই দলগুলোর। বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক জানালেন দীর্ঘ বিরতির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে যাওয়া টাইগার ক্রিকেটারদের মত নিজেও চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে আছেন।

করোনা বিরতিতে ক্রিকেটারদের সবচেয়ে বেশি ঘাটতি হয়েছে ফিটনেসে। লম্বা বিরতিতে যা দৃশ্যমান হয়েছে ফিল্ডিংয়ের ক্ষেত্রে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা খেলেছে দুইটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট। রায়ান কুকের বিশ্বাস এই দুই টুর্নামেন্ট চাঙা রাখছে তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিমদের।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ সামনে রেখে বাংলাদেশ দলের অনুশীলন ক্যাম্প শুরু হয়েছে গতকাল (১০ জানুয়ারি) থেকে। আজ (১১ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দিন অনুশীলন শেষে এক ভিডিও বার্তায় রায়ান কুক জানান চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে থাকার কথা।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় ফিল্ডিং সাদা বল কিংবা লাল বল, দুই ক্ষেত্রেই পার্থক্য গড়ে দেয়। অবশ্যই ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টিতে এটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় কিন্তু তার মানে এই না যে এটি টেস্টে কম গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয় খেলার সব দিক বিবেচনায় এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

‘ওয়ানডেতে আপনি ক্যাচিং, থ্রোয়িং, গ্রাউন্ড ফিল্ডিং- সব ক্ষেত্রেই পুরো ৫০ ওভার ধরে চাপে থাকবেন। আমি সেই চ্যালেঞ্জটির জন্য মুখিয়ে আছি এবং আমি নিশ্চিত যে ছেলেরাও প্রস্তুত আছে।’

ক্রিকেটারদের বর্তমান অবস্থার কথা জানিয়ে রায়ান কুক যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় তারা বেশ কিছু প্রস্তুতি ম্যাচ পেয়েছে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে। পঞ্চাশ ওভারের টুর্নামেন্টের (বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ) সময় আমি এখানে ছিলাম এবং সেখানে তাদের ফিল্ডিং খুবই প্রশংসনীয় ছিল। সবারই বেশ সুস্থ, সতেজ এবং প্রস্তুত থাকবার কথা।’

‘আমার মনে হয় তাদের মধ্যে দারুণ এনার্জি আছে। তারা তাদের ফিল্ডিং নিয়ে পরিশ্রম করছে। তারা অতিরিক্ত কাজ করতে চাচ্ছে এবং দারুণ চেষ্টা করছে যা আমি পছন্দ করি।’

তবে টেকনিক নিয়ে কাজ করার জায়গা আছে উল্লেখ করে টাইগারদের ফিল্ডিং কোচ বলেন, ‘তাদের টেকনিক নিয়ে অনেক কাজ করতে হবে, বিশেষ করে ক্যাচিং এবং গ্রাউন্ড ফিল্ডিংয়ের কিছু দিক নিয়ে। কিন্তু সাধারণত তাদের থ্রোয়িং বেশ ভালো তাই আমি আশা করছি তাদের উন্নতি করার এই উৎসাহ তাদের আগামী দুই বছরে উন্নতি করতে সাহায্য করবে।’

‘খেলোয়াড়রা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের পর একটি বিরতি থেকে ফিরেছে। তাই তাদেরকে ধীরে ধীরে অনুশীলনের মধ্যে ফিরিয়ে আনছি, মাঠে তাদের মুভমেন্ট এবং বেসিকের ওপর কাজ করছি, তাদের থ্রোয়িংকে আগের জায়গায় আনার চেষ্টা করছি যেহেতু বেশ কিছু সময় পর তারা ফিরছে। কিছু ক্ষেত্রে আপনি একটু অনভ্যস্ত হয়ে গিয়ে চোট বাধাতে পারেন।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

আমির ইস্যুতে মুখ খুললেন মিসবাহ

Read Next

অনিশ্চিত সিডনি টেস্ট ড্রয়ের নায়ক হনুমা বিহারি

Total
7
Share