ঘাটতির কথা মানছে বিসিবি, নজর নিয়ন্ত্রণে

নিজাম উদ্দিন চৌধুরী

নিউ নরমালে ক্রীড়াঙ্গন মানেই হয়ে উঠেছে বায়ো বাবল বা জৈব সুরক্ষিত বলয়। আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে করোনা পরবর্তী প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ। তবে তার আগে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ও বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের মধ্য দিয়ে টাইগার ক্রিকেটারদেরও হয়েছে বায়ো বাবলের কঠিন অভিজ্ঞতা। কিন্তু কিছু জায়গায় এখনো আছে ঘাটতি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবির) প্রধান নির্বাহী অবশ্য বলছেন সময়ের সাথে সাথে বাড়বে এসব বিষয়ে নিয়ন্ত্রণও।

বেশ সফলভাবেই বিসিবি আয়োজন করে দুইটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট। বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ও বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে বিসিবির মেডিক্যাল টিমের তৈরি করা জৈব সুরক্ষিত বলয়ে অবশ্য ছিল কিছু ত্রুটিও। এমনকি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ সামনে রেখে আজ (১০ জানুয়ারী) থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ দলের অনুশীলনের সময়টাতেও কিছু বিষয় আলাদা করে নজরে আসে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ইনডোর অনুশীলন করতে যেতে হয় স্টেডিয়াম লাগোয়া ফার্নিচার মার্কেটের ভেতর দিয়ে। ফলে জৈব সুরক্ষিত বলয়ে থাকা ক্রিকেটাররা যখন অনুশীলনে যায় সে সময়টায় আশেপাশের লোকজনের সংস্পর্শ একটা বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করে।

বিসিবির প্রধান নির্বাহী অবশ্য বলছেন নিজেদের সাধ্যমত সর্বোচ্চটাই চেষ্টা করছেন তারা। সময়ের সাথে সাথে এসব বিষয়ে নিয়ন্ত্রণটা আরও কঠোর হবে বলেও জানান তিনি।

আজ (১০ জানুয়ারি) মিরপুরে গণমাধ্যমকে নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘দেখেন বিষয়গুলো কিন্তু আমাদেরও নলেজে আছে। আর বিষয়গুলো আমরা সেভাবেই অ্যাড্রেস করি যতটুকু সম্ভব নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আসা যায় পুরো বিষয়টার উপর। এবং সেভাবেই আমাদের টিমটা কাজ করছে।’

‘অবশ্যই আপনাকে স্বীকার করতে হবে আমরা যেকোন সময়ের তুলনায় এখন বেশি সতর্ক। সেটা স্টেডিয়াম বা তার আশেপাশের স্থানগুলো আপনারা ফিজিক্যালি দেখলে বুঝতে পারবেন। সুতরাং এখানে কিছু কিছু জিনিস আসবে, আস্তে আস্তে আমাদের এসব মানিয়ে নিতে হবে।’

শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের যেকোন জায়গায় ক্রিকেট ইভেন্ট আয়োজন করতে গিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে কিছুটা সমস্যায় পড়তেই হচ্ছে বলে মত বিসিবি প্রধান নির্বাহীর। যে কারণে বেশ কিছু জায়গায় সমন্বয়ও করতে হচ্ছে তাদের।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান কোভিড প্রোটোকলে যেসব বিধিনিষেধ আছে, যে সমস্ত চ্যালেঞ্জগুলো আছে সেগুলো মোকাবেলা করতেই কোথাও কোথাও আমাদের সমন্বয় করতে হচ্ছে। এই জিনিসগুলো আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের সাথে আলোচনা করেই করছি।’

‘এগুলো স্ট্যান্ডার্ড প্র্যাকটিস, শুধু বাংলাদেশ না যেখানে যেখানে ক্রিকেট ইভেন্ট হচ্ছে সেখানেই কিছু চ্যালেঞ্জ ফেস করতে হচ্ছে, এডজাস্টমেন্ট হচ্ছে। সুতরাং এটা নিউ নরমাল প্রসিডিউরের মধ্যেই আসবে। এগুলো আমাদের এভাবেই সমন্বয় করতে হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সময়সূচি ও বিসিবির ব্যাখ্যা

Read Next

ক্রুনাল পান্ডিয়ার ‘দাদাগিরি’তে দল ছাড়লেন দীপক হুদা

Total
1
Share