‘স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রশ্ন করা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে’

ক্যাপ্টেন্সির প্রেশার আসলে আপনাদের বানানো-তামিম ইকবাল

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে তামিম ইকবালের ব্যাটিং ধরণ ও স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রশ্ন উঠে আসছে শুরু থেকেই। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে তামিমের ধীর গতির ব্যাটিং রীতিমত সমালোচনার জোয়ারে ভাসাচ্ছে। তবে তামিম নিজে মনে করছেন স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রশ্ন করা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। তার মতে স্ট্রাইক রেট যাই হোক না কেন তা দলের কাজে আসছে কিনা সেটাই মুখ্য।

আন্তর্জাতিক কিংবা সবধরণের টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে টাইগার ওপেনারের স্ট্রাইক রেট ১২০ এর নিচে। যা আধুনিক ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টির মত সংক্ষিপ্ত সংস্করণে বেশ কম বলেই মনে করা হয়। বিশেষ করে একজন ওপেনার শুরু থেকেই এতটা রক্ষণাত্মক মানসিকতায় ব্যাটিং করাটা দলের পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের জন্য চাপ তৈরি করে।

সদ্য সমাপ্ত বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে ৪০ এর বেশি গড়ে ৯ ম্যাচে ৩২৪ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তামিম ছিলেন দ্বিতীয় অবস্থানে। তবে ১১৫.৩০ স্ট্রাইক রেটই তাকে করেছে সমালোচিত। তার দল ফরচুন বরিশালও টুর্নামেন্টের প্লে-অফ নিশ্চিত করে বেশ কঠিনভাবে। ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে তামিম অবশ্য বলছেন তার স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রশ্ন করাটা এখন কেবলই ট্রেন্ড।

তিনি বলেন, ‘স্ট্রাইক রেট সম্পর্কে প্রশ্ন করাটা এখন ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগামীকাল দেখা যাবে আরেকটু ট্রেন্ড সামনে আসছে এবং আপনি যদি গত ১০ বছরে চোখ রাখেন দেখবেন কোন না কোন ট্রেন্ড ছিলই। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় শুরুতে এমন একটা ট্রেন্ড ছিল যে সে একজন রক্ষণাত্মক অধিনায়ক, এমনকি বড় দলের বিপক্ষে বড় দুই-তিনটি জয় তুলে নেওয়ার পরও।’

‘এখনকার ট্রেন্ড হল ব্যাটসম্যানকে তার স্ট্রাইক রেট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা। যদি দল আমার কাছ থেকে উপকৃত হয় সেটা ১১০ কিংবা ১৫০ স্ট্রাইক রেট যাই হোক না কেন তাতে আমার কিছু যায় আসেনা।’

ভুল কিছু করছেন বুঝতে পারলে নিজেই সেটি সামনে আনবেন বলেও যোগ করেন তামিম, ‘যখনই আমি অনুভব করবো যে আমি কিছু একটা ভুল করছি বা আমার হিসেবে ভুল হচ্ছে আমিই তা প্রথম ব্যক্তি হিসেবে মেনে নিব এবং আমি এটিকে প্রতিহত করার চেষ্টা করবোনা।’

‘বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে আমরা ধীর গতিতে শুরু করি এবং শুরুতেই দুইটি উইকেট হারাই। তবুও আমি মনে করি যে আমরা দুই-একটি ঝুঁকি নিতেই পারতাম কিন্তু আমরা তা করিনি। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গিয়ে আমিই প্রথমে হাত তুলে বলেছি যে হ্যা আমরা ধীরে খেলেছি।’

‘কিন্তু কখনো কখনো দলের আমার এমন (ধীর গতির) ব্যাটিংই প্রয়োজন হয়। তবুও আমাকে এ ধরণের প্রশ্নের জবাব দিতে হয়েছিল। এরপর বিষয়টা হতাশার কারণ আমি এরকম প্রশ্নের উত্তর দিতে অভস্ত নই।’

টি-টোয়েন্টিতে নিজের উন্নতির জায়গা অবশ্য স্পষ্ট তামিমের কাছেও, ‘টি-টোয়েন্টিতে, আমি অনুভব করি যে আমার অনেক উন্নতি করতে হবে। আমি মনে করি ওয়ানডে ও টেস্টে যা অর্জন করেছি তার তুলনায় টি-টোয়েন্টিতে খুব একটা অর্জন করতে পারিনি।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

অধিনায়কের ব্যাটে স্বপ্ন দেখছে শ্রীলঙ্কা

Read Next

অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ লোকেশ রাহুলের

Total
25
Share