আকবরদের যোগ্য উত্তরসূরি তৈরিতে স্টনিয়ারের প্রচেষ্টা অব্যাহত

রিচার্ড স্টনিয়ার
Vinkmag ad

করোনা প্রভাবে আগামী যুব বিশ্বকাপ সামনে রেখে দল গঠনে বিপাকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মূলত অন্য কোন দেশের সাথে সিরিজ আয়োজন কিংবা সফরে জটিলতার কারণেই পড়তে হচ্ছে চ্যালেঞ্জের মুখে। তবে নিজেদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলিয়ে যাচ্ছে দেশের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা। স্কিল ক্যাম্পের মাধ্যমে বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে আকবর আলিদের উত্তরসূরি খুঁজে বের করার কাজ।

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি), সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের পর বর্তমানে বোলারদের নিয়ে স্কিল ক্যাম্প চলছে মিরপুরে। ৯ পেসার ও ৫ স্পিনার নিয়ে গত ২২ ডিসেম্বর শুরু হওয়া ক্যাম্পটি চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ক্যাম্পটির পেসারদের দেখভাল করছেন জাতীয় দলের সাবেক পেসার তালহা জুবায়ের। তরুণ সব পেসারদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট তিনি। তাদের সাহায্য করছেন যুব দলের ট্রেইনার রিচার্ড স্টনিয়ার। বর্তমানে বাংলাদেশে না থাকলেও অনলাইনে শিষ্যদের দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন এই ইংলিশ।

আজ (২৪ ডিসেম্বর) মিরপুরে গণমাধ্যমকে তালহা জুবায়ের বলেন, ‘আমাদের ট্রেনার রিচার্ড যে আছে সে প্রচুর সাহায্য করছে আমাদের। ও এখন দেশে নেই কিন্তু আমাদের যে গ্রুপটা আছে ওখানে সে নিয়মিত ট্রেনিংয়ের কিছু জিনিস পাঠায়। খেলোয়াড়েরা সেগুলো অনুসরণ করছে। আমি বলবো যে তারা বেশ ভাগ্যবান এখনই এসব সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে।’

এই বয়সে বলে যেমন পেস থাকা দরকার তেমনটা আছে ক্যাম্পে ডাক পাওয়া পেসারদের এমনটাই জানান যুব দলের পেস বোলিং কোচ। সহজাত পেসের সাথে বোর্ডের অধীনে ক্যাম্পে রেখে আরও ভালো করে তোলার চেষ্টাই করছেন তারা।

তিনি বলেন, ‘ছোট বেলায় তো পেস টা ন্যাচারালি আসে। এখানেও আছে, একদম যে নাই তা না। আমরা স্পিড ওভাবে মাপতে পারিনি। খালি চোখে দেখে যেটা বোঝা যায় ওরা ১৩০ গতিতে বল করতে পারে। এখন আমরা যে চেষ্টাটা করছি স্ট্রেংথ ট্রেনিং হোক বা ফিটনেসে আরেকটু জোর দিয়ে হোক, কারণ ওরা যখন ন্যাচারালি ওদের দেশে বাড়িতে অনুশীলন করে এখানে কিন্তু এত সুযোগ সুবিধা পায়না কিংবা এসব সম্পর্কে জানেওনা।’

তবে ক্যাম্পের ফল কেমন আসবে তা দেখতে ম্যাচ খেলার দিকেই জোর তালহা জুবায়েরের। করোনার কারণে অন্য কোন দেশের সাথে ম্যাচ খেলার সুযোগ না থাকলেও নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেলছে যুব দলের ক্রিকেটাররা। সামনে আরও ম্যাচ খেলার বাপারে আশাবাদী সাবেক এই পেসারের।

তিনি যোগ করেন, ‘তাদের সামর্থ্য আছে এই বয়সে যে পেস থাকার দরকার, আরও বেটার করার জন্যই আমরা ক্যাম্পটা করছি। আমরা ট্যুরে যেতে পারছিনা, আমাদের দেশেও কেউ আসতে পারছেনা। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের সুবিধাগুলো দিয়ে যতটুকু সম্ভব ওদের বেটার বোলার বানানো যায়।’

‘আপনি যদি কষ্ট করেন যে কোন কিছুই সম্ভব। এই ক্যাম্পে যারা আছে তারা প্রত্যেকেই পরিশ্রমী। তারা মানসিক ও শারীরিক সব দিক দিয়েই প্রস্তুত। ওদেরকে একটা জিনিস মাথায় দেওয়া হয়েছে যে অনেক কষ্ট করতে হবে এবং ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। তারাও প্রস্তুত ত্যাগ স্বীকারের কথা বলেন , কঠোর পরিশ্রমের কথা বলেন। আর ত্রা কষ্ট করছেও।’

‘কিন্তু আপনি তখনই ফল পাবেন যখন আমরা ম্যাচ খেলতে পারবো বাইরের দেশগুলোর সাথে। এটাই বোর্ড থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে কিন্তু করোনার কারণে পারছে না। আমরা নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেলেছি এবং সামনে হয়তো আরও খেলবো। সামনে হয়তো আরও দুইটা অতিরিক্ত দল যোগ করে বড় কিছু হতে পারে। যদি হয় ভালো। আমরা যখন ম্যাচ খেলতে পারবো তখন প্রকৃত দৃশ্যটা বুঝতে পারবো যে তারা কি পর্যায়ে আছে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

১০ দলের আইপিএল, দরকার হবে প্রায় আড়াই মাসের উইন্ডো

Read Next

ড্রাফট শেষে যেমন হল টি-টেন লিগের ৮ দল

Total
22
Share