বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের টুর্নামেন্ট সেরা একাদশ

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের টাইটেল স্পন্সর ওয়ালটন

টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক (৩৯৩) লিটন দাস পেয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরা ব্যাটসম্যানের পুরস্কার। ৪৯.১২ গড় ও ১১৯.৪৫ স্ট্রাইক রেটে ৩৯৩ রান করা লিটন সঙ্গত কারণেই আমাদের একাদশে ওপেনার হিসাবে আছেন। ১০ ম্যাচের ৯ ইনিংসে গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো লিটন ১০ ডিসমিসালের মালিক (৮ ক্যাচ, ২ স্ট্যাম্পিং)। ইনিংস প্রতি ১.১১ ডিসমিসাল করা লিটন দাস পালন করবেন উইকেটরক্ষকের ভূমিকা।

উদ্বোধনী জুটিতে লিটন দাসের সঙ্গী হিসাবে থাকার দৌড়ে ছিলেন তামিম ইকবাল (৯ ম্যাচে ৩২৪ রান), সৌম্য সরকার (১১ ম্যাচে ২৯২ রান)। তবে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে এগিয়ে রেখেছে তার স্ট্রাইক রেট। টুর্নামেন্টের ৩য় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক (৮ ম্যাচে ৩০১ রান) শান্ত রান করেছেন ১৫৬.৭৭ স্ট্রাইক রেটে। ২ টি ফিফটি করা শান্ত ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে করেছেন সেঞ্চুরিও (১০৯)।

১ টি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটিতে ৯ ম্যাচে ২৩৩ রান করেছেন ফরচুন বরিশালের পারভেজ হোসেন ইমন। নাজমুল হোসেন শান্ত, রবিউল ইসলাম রবি ও শরিফুল ইসলামের সঙ্গে ইমনও পেয়েছেন টুর্নামেন্টের স্পেশাল পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড। তিন নম্বরে ব্যাটিং করবেন তিনি।

১০ ম্যাচে ২৮৭ রান করা মুশফিকুর রহিম আছেন একাদশে, নামবেন চারে। চ্যাম্পিয়ন জেমকন খুলনার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ নামবেন পাঁচ নম্বরে। টুর্নামেন্টের তিন অধিনায়ক একাদশে থাকলেও টুর্নামেন্ট সেরা এই একাদশের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১০ ম্যাচে ২৭৪ রান করা রিয়াদ ৭ ওভার বল করে নিয়েছেন ২ উইকেট।

৬ নম্বরে নামবেন বেক্সিমকো ঢাকার ইয়াসির আলি রাব্বি। টুর্নামেন্টের ৪র্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক (২৯৪) রাব্বি দলের প্রয়োজনে খেলেছেন দারুণ কিছু ইনিংস। ৭ ও ৮ নম্বরে দুই স্পিনিং অলরাউন্ডারকে বিবেচনা করা হয়েছে। ৯ ম্যাচে ১৪৬.৮৭ স্ট্রাইক রেটে ১৯৪ রান করেছেন আফিফ। ১১ ম্যাচে ৪৫ রান করা নাহিদুল উইকেট নিয়েছেন ১০ টি। পাওয়ার প্লে তে বল করলেও ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন কেবল ৬.০৫ করে।

১০ ম্যাচে ১১.০৪ গড়ে ২২ উইকেট পাওয়া মুস্তাফিজুর রহমান প্রায় সব ম্যাচেই বল করেছেন ডেথ ওভারে। তবুও ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ৬.২৫ করে। ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কার পাওয়া মুস্তাফিজুর রহমান নিশ্চিতভাবেই আছেন পেস আক্রমণে।

পেস আক্রমণে মুস্তাফিজের দুই সঙ্গী শরিফুল ইসলাম (১০ ম্যাচে ১৬ উইকেট) ও শহিদুল ইসলাম (৮ ম্যাচে ১৫ উইকেট)।

একনজরে টুর্নামেন্ট সেরা একাদশ-

লিটন দাস (উইকেটরক্ষক, গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম), নাজমুল হোসেন শান্ত (মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী), পারভেজ হোসেন ইমন (ফরচুন বরিশাল), মুশফিকুর রহিম (বেক্সিমকো ঢাকা), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক, জেমকন খুলনা), ইয়াসির আলি রাব্বি (বেক্সিমকো ঢাকা), আফিফ হোসেন ধ্রুব (ফরচুন বরিশাল), নাহিদুল ইসলাম (গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম), শহিদুল ইসলাম (জেমকন খুলনা), মুস্তাফিজুর রহমান (গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম) ও শরিফুল ইসলাম (গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম)।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

মেলবোর্নেও থাকছেন বার্নস, থাকছেন না পুকভস্কি

Read Next

মাঠে সেরা হবার লক্ষ্যে নিজেকে নিংড়ে দেন শামীম

Total
17
Share