গোলাপী বলে খেলার অভিজ্ঞতা জানালেন মুমিনুল

মুমিনুল হক
Vinkmag ad

নানা আয়োজনের গোলাপী বলের টেস্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ইডেন গার্ডেন্সে ভারতীয় পেসারদের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে বাংলাদেশ। গত নভেম্বরে মুমিনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছে ইনিংস ও ৪৬ রানে। দুই দলেরই দিবা রাত্রির টেস্টের অভিজ্ঞতা হয় প্রথমবার।

যে মঞ্চে উমেশ যাদব, মোহাম্মদ শামিদের সামলাতে গিয়ে রীতিমত হিমশিম খেতে হয় টাইগার ব্যাটসম্যানদের। অ্যাডিলেডে চলমান ভারত-অস্ট্রেলিয়া গোলাপী বলের টেস্ট সামনে রেখে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন মুমিনুল হক।

টস জিতে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে অল আউট হয়েছিল ১০৬ রানে। দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেনি দলের ৮ ব্যাটসম্যান, সর্বোচ্চ ২৯ রান সাদমান ইসলামের। ভারতীয় তিন পেসার ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদব ও মোহাম্মদ শামি যথাক্রমে শিকার করেন ৫, ৩ ও ২ টি উইকেট। জবাবে ভারত ইনিংস ঘোষণা করে ৯ উইকেটে ৩৪৭ রান তুলে। যেখানে ১৩৬ রানের দারুণ এক ইনিংস উপহার দেন ভারতীয় কাপ্তান ভিরাট কোহলি।

২৩১ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ১৯৫ রানেই। তিন দিনে শেষ হওয়া ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের কঠিন পরীক্ষা নেন যাদব, ইশান্ত, শামিরা। ইশান্ত শর্মা চার উইকেট নিলেও উমেশ যাদবের শিকার পাঁচটি। দুই ইনিংসেই খালি হাতে ফিরেছেন টাইগার কাপ্তান মুমিনুল হক। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিকুর রহিম।

এক বছরের বেশি সময় পর ভারত যখন আবারও গোলাপী বলের টেস্ট খেলতে নেমেছে তার আগে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন মুমিনুল হক। পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় গণমাধ্যম আনন্দ বাজারকে গতকাল (১৭ ডিসেম্বর) দেওয়া এক সাক্ষাতকারে মুমিনুল জানালেন শামি, যাদবদের খেলা কতটা কঠিন ছিল তাদের জন্য।

মুমিনুল বলেন, ‘গোলাপী বলে রাতে ব্যাট করা প্রচণ্ড কঠিন। বিপক্ষে যদি উমেশ, শামির মতো বোলার থাকে তা হলে অস্বাভাবিক হয়ে যায়। ইডেনে আমি বেশিক্ষণ টিকতে পারিনি। সুইং ও গতিতে খেই হারিয়ে ফেলি।’

‘তবে মুশফিক ভাই (মুশফিকুর রহিম) রান পেয়েছিল। তার অভিজ্ঞতা জানতে চাওয়ায় সে বলেছিল, শুরুর দিকে বল সুইং করে ঠিকই। ৩৫ ওভারের পর থেকে সাদা বলের মতোই আচরণ করে। সেই সময়টা প্রচুর রান ওঠে। তবে রাতের দিকে উমেশ, শামিরা যে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিল, তা স্বীকার করেছিল।’

‘রাতে যদি কোনও দল ব্যাট করে, তাদের সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা বেশি। গোধূলি হওয়ার সময় বল ঠিক মতো দেখা যায় না। স্লিপে ফিল্ডিং করাও কঠিন হয়ে যায়।’

অধিনায়ক হিসেবে কেমন ছিল ভিন্ন অভিজ্ঞতা মুমিনুল জানিয়েছেন সেটিও, ‘মনে রাখতে হবে টেস্ট ম্যাচের সকালের সঙ্গে দিবারাত্রির টেস্টের সন্ধ্যার অনেক মিল। সেই সময় থেকেই সাহায্য পেতে শুরু করে পেসাররা। সেই ভাবে একজন অধিনায়ককে বোলারদের ব্যবহার করাতে হবে।’

‘স্পিনারদের দিয়ে অতিরিক্ত বল করানো যায় না। কারণ গোলাপী বল দ্রুত পুরনোও হয়ে যায়। যে কোনও বোলারের জন্য স্লিপে একজন ফিল্ডার রাখতেই হয়। গোলাপী বল পিছলে যায় পিচে। যা ব্যাটসম্যানের ব্যাট ছুঁয়ে চলে যেতে পারে স্লিপে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

দেশী কোচদের পারিশ্রমিক নিয়ে লজ্জিত সালাউদ্দিন

Read Next

চ্যাম্পিয়ন মাশরাফির অভিজ্ঞতা কাজে লাগছে জেমকন খুলনার

Total
3
Share