নাইমের শুরু আর শেষে মানসিকতার পার্থক্য দেখছেন কোচ

মোহাম্মদ নাইম শেখ
Vinkmag ad

ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্মার নাইম শেখ ইতোমধ্যে গায়ে চাপিয়েছেন জাতীয় দলের জার্সি। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে শুরুটা খুব একটা ভালো না হলেও লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে তুলে নেন সেঞ্চুরি। বেক্সিমকো ঢাকার হয়ে প্রথম ৬ ম্যাচে খোলসবন্দী থাকা নাইম শেষ দুই ম্যাচে ছিলেন ছন্দে। নাইমের শুরু আর শেষের পার্থক্যে মানসিকতার পরিবর্তনকেই তুলে ধরলেন দলটির কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন।

প্রথম ৬ ম্যাচে নাইম শেখের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১০২ রান! ৭ম ম্যাচে ৩৬ রানে ফিরলেও ১৭ বলের ইনিংসটিতে দেখিয়েছে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং। তবে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে ফিফটি ছুঁয়েছেন বেশ ধীরেই। ৪৩ বলে ফিফটি হাঁকালেও পরের ফিফটিতে খরচ করেছেন মাত্র ১৭ বল। ৬০ বলে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েও অবশ্য জেতাতে পারেননি দলকে।

প্রথম ৬ ম্যাচের সাথে পরের দুই ম্যাচে নাইমের ব্যাটিংয়ের পার্থক্য তুলে ধরেন বেক্সিমকো ঢাকা কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। রোববার মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় ওর (নাইম শেখ) মানসিকতায়, অন্য কিছু না। স্কিল আর টেকনিকে কোন সমস্যা থাকার কথা না। আমার মনে হয় মানসিকতা উইকেটে সেট হওয়ার পর বড় রান করা।’

‘মানে টি-টোয়েন্টি এমন একটি খেলা আপনাকে চান্স নিতেই হবে, পজিটিভ থাকতে হবে। আমার মনে হয় ওর মধ্যে ঐ পজিটিভনেসটা ওর মধ্যে অনেক কাজ করেছে। আমরা টিমের সকলে ওর সঙ্গে কথা বলেছে আমরা জানি ওর মধ্যেই সেই এবিলিটি আছে তো সেটার বহি:প্রকাশ করা খুব জরুরি আসলে।’

এদিকে টুর্নামেন্টে বিদেশি ক্রিকেটার না থাকায় মিডল অর্ডারে দ্রুত গতিতে রান তোলা কিংবা বড় শট খেলার সামর্থ্য আছে এমন ক্রিকেটারদের দেখা মিলছে। বেক্সিমকো ঢাকা কোচ মনে করেন সেদিক থেকে টুর্নামেন্ট আয়োজনের লক্ষ্য বেশ সফল।

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি এই টুর্নামেন্টের যেটা উদ্দেশ্য ছিল সেটা ভালো ভবেই পূরণ হয়েছে। প্রত্যেকটা ম্যাচ দেখেন বেশ উত্তজনাপূর্ণ হচ্ছে। আবার অনেক ছেলে পারফর্ম করছে যাদেরকে আমরা আশাই করিনি। সাইফ হাসানের ব্যাপারে যে কথাটা উঠেছিল যে সাইফ টি-টোয়েন্টি পারবে না। কিন্তু ও যেভাবে ব্যাট করেছে অনেককেই ভুল প্রমাণিত করে দিয়েছে সাইফ। সুতরাং আমার মনে হয় বাকি যারা আছে রবির কথা যদি বলেন হয়তবা বিপিএল যদি ওভাবে হত বিদেশি ক্রিকেটার থাকত কোন টিমে খেলারই সুযোগ পেত না।’

‘তো এটা একট বড় সাইন যে আমাদের ছেলেরা খেলার সুযোগ পাচ্ছে। জায়গা মত ব্যাটিং করার সুযোগ পাচ্ছে। সুতরাং ভবিষ্যতে এই টুর্নামেন্টটা যদি আমরা কন্টিনিউ করতে পারি তাহলে আমার মনে হয় আগামী কয়েক বছরে আমরা বেশ কিছু তরুণ ক্রিকেটার পেয়ে যাব। যারা ইন্টারন্যাশনল ক্রিকেটে ভারো খেলবে আমাদের ম্যাচ জেতাতে সাহায্য করবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ভনের ভাবনায়, ‘ভারত হোয়াইটওয়াশ’

Read Next

নাইমের আঙুলে চিড়টা বড়, যেতে হবে ছুরি কাঁচির নিচে

Total
5
Share