চট্টগ্রামের আরো এক জয়, খাদের কিনারায় বরিশাল

চট্টগ্রামের আরো এক জয়, খাদের কিনারায় বরিশাল
Vinkmag ad

টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল উদ্বোধনী জুটি গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের। আগেই প্লে-অফ (শীর্ষ ২ এ থাকা) নিশ্চিত হওয়া দলটি বৃহস্পতিবার নিজেদের ৬ষ্ঠ জয় তুলে নিয়েছে ফরচুন বরিশালকে ৭ উইকেটে হারিয়ে। এ দিন নিয়মিত ওপেনার লিটন দাসকে বিশ্রাম দিলেও সৌম্য সরকারের সাথে দারুণ জুটি গড়েন সৈকত আলি। তাতে নিশ্চিত হয় সহজ জয়।

আগের ম্যাচে দুর্দান্ত এক জয়ে প্লে-অফে দৌড়ে টিকে থাকা ফরচুন বরিশাল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের বিপক্ষে হেরে অনেকটা ছিটকেই গেল বলা যায়। যদিও যদি কিন্তুর বদলৌতে কাগজে-কলমে তামিম ইকবালরা টিকে আছেন এখনো। শেষ ম্যাচে বেক্সিমকো ঢাকার বিপক্ষে জয় পাবার পাশাপাশি রাজশাহী-চট্টগ্রামের ম্যাচের ফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে তাদের।

১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় সৈকত আলি-সৌম্য সরকার উদ্বোধনী জুটিতে তোলেন ৭৯ রান। ব্যক্তিগত ৩১ রানে জীবন পেয়েও ৩৯ রানে থামতে হয় সৈকত আলিকে। সইকত আলি বিদায় নিলেও মাহমুদুল হাসান জয়কে নিয়ে জয়ের পথটা আরও মসৃণ করেন সৌম্য সরকার।

৩২ বলে ফিফটিতে পৌঁছানো বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান ৩৭ বলে ৭ চার ৩ ছক্কায় ৬২ রান করে সুমন খানের শিকার হন। দলীয় ১১৯ রানে সৌম্য বিদায় নিলেও মাহমুদুল হাসান জয় ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ৮ বল হাতে রেখেই। মাঝে অবশ্য ৩ রান করে ফিরে যান অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুর ছন্দ ধরে রাখতে না পেরে বড় সংগ্রহের আভাস দিয়েও ১৪৯ রানের বেশি স্কোরবোর্ডে তুলতে পারেনি ফরচুন বরিশাল। দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সাইফ হাসান ১০.৫ ওভার স্থায়ী উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৮৭ রান। ৩৯ বলে ৫ চারে ৪৩ রান করে সাইফ হাসান সাজঘরে ফিরলে ভাঙে জুটি। এরপর বেশিক্ষণ টিকেননি তামিম ইকবালও।

৩৩ বলে ৬ চার ২ ছক্কায় ৪৬ রান করা তামিম অবশ্য ফিরতে পারতেন খালি হাতেই। মুস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলামকে বিশ্রাম দিয়ে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম পেসার মেহেদী হাসান ও রুয়েল মিয়াকে। মেহেদীর করা ইনিংসের দ্বিতীয় ও নিজের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই তামিমের ক্যাচ ফেলে দেন সৈকত আলি। ঠিকঠাক তালুবন্দী করতে পারলে কোন রান না করেই ফিরতেন তামিম।

তামিম জীবন পেয়েছেন আরও একবার, মেহেদীর বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ ছাড়েন মোহাম্মদ মিঠুন। তখনও গ্লাভস বন্দী করতে পারলে তামিম ফিরতেন ব্যক্তিগত ১৪ রানে। তামিম-সাইফের বিদায়ের পর বরিশালের ইনিংসে নামে ধস। ১ উইকেটে ১০০ থেকে ৬ উইকেটে ১৪৯ রানেই থামে তাদের ইনিংস।

আফিফের অপরাজিত ২৮ রানের ইনিংস ছাড়া বলার মত কোন স্কোর করতে পারেনি বরিশালের মিডল, লোয়ার অর্ডার। গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের হয়ে দুইটি করে উইকেট শিকার সঞ্জীত সাহা, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও জিয়াউর রহমানের।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘অ্যাভিটা আইসিটি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০’

Read Next

আফ্রিদির চোখে শ্রীলঙ্কার পরবর্তী সাঙ্গাকারা

Total
4
Share