ইমন ভাবেননি এমন কিছু, করেননি বাড়তি উদযাপন

ইমন ভাবেননি এমন কিছু, করেননি বাড়তি উদযাপন
Vinkmag ad

রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে দল জেতানোর পরও উদযাপনটা সীমিতই ছিল ফরচুন বরিশাল ব্যাটসম্যান পারভেজ হোসেন ইমনের। তার ৪২ বলে অপরাজিত ১০০ রানে ভর করে ২২১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দল জিতেছিল ১১ বল হাতে রেখে। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির মালিক ইমন বলছেন ব্যক্তিগত ৯৫ রানের আগেও ভাবেননি সেঞ্চুরির কথা।

টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে জিততেই হবে এমন ম্যাচে আগে বল করা ফরচুন বরিশালের সামনে লক্ষ্য ২২১! মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত হাঁকান সেঞ্চুরি, খেলেছেন ১০৯ রানের ইনিংস।

আগের ৫ ম্যাচে দলীয় সর্বোচ্চ ১৫২ ফরচুন বরিশালের। যা থেকে স্পষ্ট তামিম ইকবালের দল ব্যাটিং বিভাগে কতটা ব্যর্থ। তবে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে যে কেউই হয়ে উঠতে পারে হিংস্র, উজাড় করে দিতে পারে নিজের সবটুকু। বড় লক্ষ্যের চাপকেও জয় করেছে এক তরুণ তুর্কির ব্যাটে।

৪২ বলে ৯ চার ৭ ছক্কায় দল জেতানোর পাশাপাশি সেঞ্চুরির দেখাও পেয়ে যান পারভেজ হোসেন ইমন। তবে একসময় জয় হাতের নাগালে চলে আসলেও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরি। শেষদিকে দলের জয় ও ইমনের সেঞ্চুরি দুটোর জন্যই প্রয়োজন পড়ে ১১ রান। যার সবকটি রানই অবশ্য এসেছে পরে তার ব্যাট থেকেই। ফলে দলের জয়সূচক বাউন্ডারিতে সেঞ্চুরিও পূর্ণ হয় ইমনের।

ইমন নিজে কখন ভেবেছেন সেঞ্চুরির কথা শোনা যাক তার মুখেই, ‘(সেঞ্চুরি করার পর অনুভূতি) আমি ভাবিওনি যে এমন কিছু হবে। সেঞ্চুরিটা হচ্ছে এটা আমি শুরু থেকে ভাবিনি। সেঞ্চুরির কথা ভাবছি যখন আমার ৯৫ রান এবং দলের জয়ের জন্যও ৫ রান লাগে তখন। আমি ভাবলাম এখন সেট আছি হয়তো চেষ্টা করলে পারবো। তো তখনই মনে হইলো যে আমি হয়তো সেঞ্চুরি করতে পারবো।’

দারুণ জয়ে দলের প্লে-অফ স্বপ্ন টিকে থাকলো, নিজে পেলেন সেঞ্চুরির দেখা, করলেন রেকর্ড। তবে ম্যাচ শেষে উদযাপনটা ছিল সীমিত। ইমন বলেন, ‘রাতে উদযাপন একদম নরমাল ছিল।’

বয়সভিত্তিক থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করতে পছন্দ করা বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান অনূর্ধ্ব-১৯ দলে সুযোগ পাওয়ার পর কিছুটা ধরন বদলেছেন। মূলত ওয়ানডে বিবেচনায় কমিয়েছেন আগ্রাসণও। তবে যুব বিশ্বকাপ জয়ের পর এইচপি ক্যাম্পে ডাক পেয়ে আবারও খোলস ছেড়ে বের হয়েছেন।

তরুণ এই ব্যাটসম্যান যোগ করেন, ‘আমি এভাবে ব্যাট করতেই পছন্দ করি, আগে এভাবেই ব্যাট করতাম। অনূর্ধ্ব-১৯ দলে ঢোকার পরে ওখানে পরিস্থিতি অন্যরকম ছিল। তখন ব্যাটিং প্যাটার্নটা একটু পরিবর্তন করতে হয়েছে। কিন্তু এই টুর্নামেন্টটা টি-টোয়েন্টি বলে আমি মনে করেছি এরকম ব্যাটিংটাই ভালো হবে।’

‘(যুব বিশ্বকাপের পর) এমন (আক্রমণাত্মক ব্যাটিং) আসেনি। তবে আমি এইচপির শেষ দুইটা প্রস্তুতি ম্যাচে মেরে খেলার চেষ্টা করেছি। সেখানে সফল হয়েছি। এরপরই আত্মবিশ্বাসটা এসেছে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

‘ফ্রি’ খেলার লাইসেন্স চেয়ে নিয়েছিলেন ইমন

Read Next

‘আমাদের কালকের ম্যাচটা মূল ম্যাচ’

Total
3
Share