দলের খারাপ দিনেও জয় পেয়ে গর্বিত তামিম

দলের খারাপ দিনেও জয় পেয়ে গর্বিত তামিম
Vinkmag ad

একদিকে রাহির ইনজুরি, অন্যদিকে বোলারদের হতাশাজনক পারফরম্যান্স; এমন খারাপ দিনেও পারভেজ হোসেন ইমনের সেঞ্চুরিতে মূল্যবান জয় তুলে নেওয়ায় গর্বিত ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। নিজেও ৫৩ রানের ইনিংস খেলে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন।

মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে নাজমুল হোসেন শান্তুর দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং আনিসুল ইসলাম ইমনের হাফ সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে ২২০ রানের পাহাড় দাঁড় করায়। জবাবে ইমনের হার না মানা সেঞ্চুরি এবং তামিমের হাফ সেঞ্চুরিতে ১১ বল হাতে রেখে সে পাহাড় টপকে যায় ফরচুন বরিশাল।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by cricket97 (@cricket97bd)

দল জয় পেলেও প্রতিপক্ষ রাজশাহীকে কৃতিত্ব দিতে ভোলেননি তামিম। অন্যদিকে তরুণদের ব্যাটিংয়েরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

‘আমি মনে করি সর্বপ্রথম আমাদের রাজশাহীকে কৃতিত্ব দিতে হবে। তারা যেভাবে ব্যাট করেছে আমার মনে হয় না তারা খুব বেশি ভুল করেছে। আমরা দারুণ ব্যাটিং করেছি; বিশেষ করে তরুণরা যেভাবে ব্যাট করেছে, এটা দেখার মত ছিল। মাঝের একটা ওভারে ফরহাদ রেজার উপর চড়াও হয়েছিলাম। ঐ একটা ওভারই আমি ভেবেছি ম্যাচটা আমাদের আয়ত্বে এসে গেছে।’

জয় পেলেও নিজের বোলারদের সমালোচনা করেছেন তামিম। বিশেষ করে এ ম্যাচের পাওয়ারপ্লেতে বোলিং পারফরম্যান্স বেশ অসন্তুষ্ট তিনি।

‘অবশ্যই জয়টা এখানে ব্যপার। কিন্তু আমি যেটা পছন্দ করিনা সেটা হল আমরা যেভাবে বল করেছি। হ্যা, তারা (রাজশাহী) অসাধারণ ব্যাট করেছে। তারা বেশ কয়েকটি দুর্দান্ত ক্রিকেটিং শট খেলেছে। কিন্তু আপনি প্রথম ছয় ওভার দেখেন তারা (বরিশালের বোলার) অনেকগুলো খারাপ বল করেছে। অফ সাইডের বাইরে, শরীরের দিকে। তো এই একটা দিক যেখানে আমাদের অনেক পরিশ্রম করতে হবে। এই টুর্নামেন্টে আমি মনে করি বোলাররা খুবই ভালো করছে। এই একটা ম্যাচ যেটাতে তারা ভালো করতে পারেনি। খুবই গর্বিত যে আমাদের খারাপ দিনেও আমরা জয় পেয়েছি।’

বোলাররা বেধড়ক মার খাওয়ার পরেও শেষ ওভারে কামরুল ইসলাম রাব্বি ১০ রান দিয়ে হ্যাটট্রিকসহ ৪ উইকেট শিকার করেন।

‘আপনি যদি শেষ ওভার দেখেন আমরা মাত্র ১০ রান দিয়েছি। রাজশাহী যেভাবে ব্যাট করছিল তারা নিশ্চিত শেষ ওভারে ১৫-২০ রানের চিন্তা করছিল। আমরা ঐ ওভারে ৪ উইকেট পেয়েছি তারপরেও তারা যে ৫/৬ রান এক্সট্রা করেছে এটা খেলাটাকেই ঘুরিয়ে দিতে পারত। যেভাবে আমরা ম্যাচটি জিতেছি তাতে খুবই খুশি এবং খুবই গর্বিত আমি। আর অবশ্যই আমাদের অনেক বিষয়ে আরো কাজ করা প্রয়োজন।’

বড় সংগ্রহের পেছনে ছুটতে গিয়েও স্বাভাবিক ব্যাটিংয়ের দিকেই মনযোগ ছিল ব্যাটসন্যানদের। তামিমের মতে ছোট বাউন্ডারির দিকে লক্ষ্য ছিল তাদের। তবে পুরো মাঠ জুড়ে তরুণদের দর্শনীয় ব্যাটিংয়ের জন্য সাধুবাদ দিলেন।

‘যখন আপনি ২২০ এর মত রান তাঁড়া করতে গিয়ে স্কোর বোর্ডের দিকে তাকান তাহলে আপনি জিততে পারবেন না। আমরা যেটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আমরা ক্রিজে গিয়ে শুধু খেলে যাব। আমরা চিন্তা করি নি যে আমাদের প্রথম ৬ ওভারে ১০০ রান করতেই হবে। প্রথম ৬ ওভারে আমরা যদি ৫০-৫৫ রান করি তাহলে আমরা খেলায় থাকব। আমরা এটা নিয়েই আলোচনা করছিলাম এবং দারুণ ব্যাট করেছি বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোয়। আমরা কোন সুযোগের অপেক্ষায় থাকি নি। আমরা শুধু মাঠের ছোট্ট বাউন্ডারি লক্ষ্য করে ব্যাট করছিলাম এবং এটাই তরুণদের বলেছিলাম। কিন্তু তারপরেও যেভাবে তারা বড় দৈর্ঘ্যের বাউন্ডারিতে শট খেলেছে এটা সত্যি দুর্দান্ত ছিল।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ, জাতীয় দলের পুল প্রায় চূড়ান্ত

Read Next

অবশেষে আইসোলেশন থেকে মুক্ত হল পাকিস্তান দল

Total
2
Share