বাংলাদেশকে আক্রান্ত করতে চায়না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

বাংলাদেশকে আক্রান্ত করতে চায়না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

জানুয়ারিতে পূর্নাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তার আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবির) করোনা প্রটোকল পর্যবেক্ষণে আসেন ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের একটি প্রতিনিধি দল। আজ (২ ডিসেম্বর) পুরো পর্যবেক্ষণ শেষে নিজেদের সন্তুষ্টির কথা জানান তারা। এদিকে বাংলাদেশকে করোনা আক্রান্ত না করার উদ্দেশ্যে নিজেরা সর্বোচ্চ সুরক্ষা মানবেন বলেও আশ্বাস দেন।

সেক্ষত্রে দফায় দফায় কোভিড টেস্ট ছাড়াও কোয়ারেন্টাইনের প্রথম তিনদিন হোটেল বন্দী থাকতেও রাজি তারা। এরপর নেগেটিভ হলেই অনুশীলন শুরু করতে চান বলে জানিয়েছেন ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরিচালক ও মেডিকেল দলের সদস্য ড. আকশাই মানসিং।

সফরে কতদিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে ক্যারিবিয়ায়নদের তা অবশ্য এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে সুরক্ষা নিশ্চিতে অন্তত ৭ দিন যে থাকতে হবে সেটি ধরে নিয়েছেন ড. আকশাই মানসিং। আজ (২ ডিসেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শন দিয়ে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম শেষ হয় প্রতিনিধি দলটির।

বিকেলে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ পরচালক ডঃ আকশাই মানসিং বলেন, ‘তারিখ এখনও নির্দিষ্ট নয় সেই কারণেই (কোয়ারেন্টাইন)। কারণ কোভিড প্রোটোকল অনুযায়ী, কমপক্ষে সাত দিন কোয়ারেন্টাইন করতে হবে। কারণ আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে আমরা যেন বাংলাদেশকে আক্রান্ত না করি।’

‘সুতরাং আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে আমরা কোয়ারেন্টিনে থাকি। স্রেফ দিন নয়, তিনটি নেগেটিভ টেস্ট ফল আসতে হবে। বাংলাদেশে আসার আগে একটি নেগেটিভ টেস্ট হতে হবে। এবং সেজন্যই একদম নিশ্চিত তারিখ বলা যাচ্ছে না।’

সুরক্ষা নিশ্চিতে কোয়ারেন্টাইনে প্রথম তিন দিন নিজেরাই হোটেল বন্দী থাকার পরামর্শ দিবেন উল্লেখ করে তিনি যোগ করেন, ‘প্রথম তিন দিনের জন্য আমরা ইন-রুম কোয়ারেন্টাইনের পরামর্শ দেবো। প্রথম টেস্টটি হবে পৌছানোর পর। তিন দিনের পর আমরা আরেকবার টেস্ট করাবো । সেটিতে নেগেটিভ আসলে আমরা আমাদের স্কোয়াডের ভেতর প্র্যাকটিস করতে চাই।’

‘কিন্তু সাত দিন পার হবার আগে বাইরের কারো সামনে আসতে চাই না। আমরা ইন্ট্রা-স্কোয়াড প্র্যাকটিস করবো ততদিন, সাত দিনের পর আমরা বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নিয়ে নেট সেশন করতে পারবো।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশে আসা প্রতিনিধি দলটি একদিন পরই করোনা নেগেটিভ প্রমাণিত হয়ে ভেন্যু পরিদর্শনে নামেন। প্রথম দিন ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি), রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতাল ও হোটেল সোনারগাঁও পরিদর্শন করেন। পরদিন তারা চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলো পরিদর্শন করেন। আজ (২ ডিসেম্বর) সর্বশেষ পরিদর্শন করেন মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও তার আশেপাশের ব্যবস্থাপনাগুলো।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

শুক্রবারের ২ ম্যাচের শুরুর সময়ে বদল

Read Next

ব্যাটসম্যানদের দুষলেন তামিম ইকবাল

Total
4
Share