পরিদর্শন শেষে যা বলল ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিনিধি দল

পরিদর্শন শেষে যা বলল ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিনিধি দল

গত ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশে আসা ওয়েস্ট ইন্ডিজ পর্যবেক্ষক দলের ভেন্যু, হোটেল ও হাসপাতাল পর্যবেক্ষণ শেষ হয়েছে বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শনের মাধ্যমে। পরিদর্শন কার্যক্রম শেষে গণমাধ্যমকে প্রতিনিধি দলটি জানিয়েছেন বাংলাদেশের কোভিড-১৯ প্রোটোকল ব্যবস্থাপনায় বেশ সন্তুষ্ট তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ফিরে তাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লিউআই)।

জানুয়ারিতে বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ সফরে আসার কথা ওয়েস্ট ইন্ডিজের। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবির) করোনা প্রটোকল দেখে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরিচালক ও মেডিকেল দলের সদ্য ডঃ আকশাই মানসিং বলেন, ‘আমাদের বাংলাদেশে আসার কারণ ছিলো যে সেটি আগামী বছরের শুরুতে সম্ভব হবে কি না। আমাকে বলতে হবে যে, বিসিবি আমাদেরকে প্রোটোকলসমূহের যে বর্ণনা দিয়েছে, সেগুলো অত্যন্ত গভীর চিন্তার পরিচয় দেয়।’

‘তাদের তিনটি টুর্নামেন্ট হয়েছে এবং একটি হচ্ছে, সুতরাং তারা অভ্যস্ত। ঢাকা এবং চট্টগ্রামে আমরা যা দেখেছি তা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। এখানে সুযোগ-সুবিধা দারুণ, কোভিড প্রোটোকল অত্যন্ত স্পষ্ট এবং নিখুঁত। যে হাসপাতাল এবং হোটেলগুলোয় আমরা গিয়েছি, সেগুলোর আচরণ ও কাজ কোভিড-১৯ এর জন্য সুপারিশ করা আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

‘সুতরাং, স্বাস্থ্যগত দিক থেকে আমরা খুবই খুশি। এখন আমাদেরকে আমাদের পর্যবেক্ষণগুলো ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোর্ড অফ ডাইরেক্টরসের কাছে উপস্থাপন করতে হবে। কিন্তু আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী যে, আমরা যা দেখেছি, তা বিশ্বের যেকোন জায়গার আয়োজনের চেয়ে কম নয়। এখন পর্যন্ত আমরা খুবই খুশি।’

এদিকে পর্যবেক্ষক দলের অংশ হিসেবে আসা আরেক সদস্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের সিকিউরিটি এবং সেফটি ম্যানেজার পল স্লোওয়ে বলেন, ‘আমি খুশি যে, আমি যা দেখেছি, সেখানে আমাদের কাছে উপস্থাপন করা নিরাপত্তা পরিকল্পনা এবং প্রোটোকলগুলো খুবই সন্তোষজনক। আমার কোন সন্দেহ নেই যে সেই পরিকল্পনাগুলো যদি যেভাবে লেখা হয়েছে এবং আলোচনা করা হয়েছে সেভাবে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে কোন ধরণের অপ্রিয় ঘটনা ঘটবে না। আমি পুরো আয়োজনের ওপর অত্যন্ত খুশি, এয়ারপোর্ট, হোটেল, প্র্যাকটিস ভেন্যু থেকে ম্যাচের ভেন্যু সবকিছু নিয়ে।’

‘আমি এর আগে ২০১৬ সালে বাংলাদেশে এসেছিলাম অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের জন্য। এবং আমি বিশ্বাস করি যে বিসিবির সেই সক্ষমতা আছে একটি আন্তর্জাতিক সিরিজের জন্য প্রয়োজনমাফিক আয়োজন করার। আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের কাছে আমাদের রিপোর্ট পেশ করবো। সফর নিশ্চিত হলে আমি আরেকবার বাংলাদেশে আসবো প্রোটোকলগুলো মানা হচ্ছে কি না সেটি যাচাই করতে।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশে আসা প্রতিনিধি দলটি একদিন পরই করোনা নেগেটিভ প্রমাণিত হয়ে ভেন্যু পরিদর্শনে নামেন। প্রথম দিন ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি), রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতাল ও হোটেল সোনারগাঁও পরিদর্শন করেন। পরদিন তারা চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলো পরিদর্শন করেন। আজ (২ ডিসেম্বর) সর্বশেষ পরিদর্শন করেন মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও তার আশেপাশের ব্যবস্থাপনাগুলো।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

১ রানে ম্যাচ জিতল চট্টগ্রাম

Read Next

শুক্রবারের ২ ম্যাচের শুরুর সময়ে বদল

Total
4
Share