মালান, বাটলারের বিশ্বরেকর্ডের দিনে হোয়াইটওয়াশ দক্ষিণ আফ্রিকা

মালানের দাপুটে ব্যাটিং, দক্ষিণ আফ্রিকাকে হোয়াইটওয়াশ করল ইংল্যান্ড

দুর্দান্ত ইংল্যান্ড, ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবল দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে প্রোটিয়াদের স্কোরবোর্ডে ১৯১ রান জমা হলেও হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারেনি। ডেভিড মালানের দাপুটে ইনিংস আর বিশ্বরেকর্ড গড়া দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৯ উইকেটের বড় জয় ইংল্যান্ডের। সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে সিরিজ সেরা ডেভিড মালান।

কেপটাউনে টস জিতে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ উইকেটে ১৯১ রানে থামে। জবাবে ১৭.৪ ওভারেই ১ উইকেটে ১৯২ রান করে ইংল্যান্ড। করোনা পরবর্তী সময়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। তবে স্বাগতিকদের জন্য অভিজ্ঞতাটা খুব একটা সুখকর হয়নি। ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ।

১৯২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ ওভারে দলীয় ২৫ রানে ওপেনার জেসন রয়ের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। এরপর পুরোটা সময় ডেভিড মালান আর জস বাটলারের দাপট। ১৬৭ রানের অপরাজিত জুটি তাদের, এই ফরম্যাটে যা দ্বিতীয় উইকেটে বিশ্ব রেকর্ড। আগের রেকর্ড বইয়ে প্রথমে ছিলেন মাহেলা জয়াবর্ধনে ও কুমার সাঙ্গাকারার ১৬৬, ২০১০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার সিরিজে।

৪৭ বলে ১১ চার ও ৫ ছয়ে ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন ডেভিড মালান। আর জস বাটলারের ৬৭ রানের ইনিংসে ছিল ৩ চার ও ৫ ছয়। আর তাতে ১৭.৪ ওভারেই ১ উইকেটে ১৯২ রান করে ইংল্যান্ড।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে দ্রুতই প্যাভিলিয়েন ফেরেন প্রোটিয়া ওপেনার কুইন্টন ডি কক। ক্রিস জর্ডানের বলে ক্যাচ তুলে ফেরার আগে করেন ১৭ রান। ইনিংস বড় করতে পারেননি আরেক ওপেনার টেম্বা বাভুমা। দুই ৬ ও এক চারে ২৬ রান করা এই ব্যাটসম্যানের উইকেট নেন বেন স্টোকস।

বেন স্টোকসের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে রেজা হেনড্রিকসের ব্যাট থেকে আসে ১৩ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরবোর্ডে তখন ৩ উইকেটে ৬৪। সেখান থেকে বড় সংগ্রহের দিকে রানের কাছে নিয়ে যান র‍্যাসি ভ্যান ডার ডুসেন ও ফাফ ডু প্লেসিস। এই দুইয়ের ব্যাট থেকে আসে ১২৭ রানের জুটি। ৩২ বলে পাঁচটি করে ছক্কা ও চারে ৭৪ রান করেন ডুসেন। ফাফ ডু প্লেসিস ৩৭ বলে তিন ৬ ও পাঁচ চারে করেন ৫২ রান।

বল হাতে ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস সর্বোচ্চ ২ ও ক্রিস জর্ডান ১ উইকেট শিকার করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

দক্ষিণ আফ্রিকাঃ ১৯১/৩ (২০ ওভার) ডি কক ১৭, বাভুমা ৩২, হেনড্রিকস ১৩, ডু প্লেসিস ৫২*, ভ্যান ডার ডুসেন ৭৪*; আর্চার ০/৪৪, জর্ডান ১/৪২, স্টোকস ২/২৬

ইংল্যান্ডঃ ১৯২/১ (১৭.৪ ওভার) জেসন ১৬, বাটলার ৬৭*, মালান ৯৯*; নরকিয়া ১/৩৭

ফলাফলঃ ইংল্যান্ড ৯ উইকেটে জয়ী

সিরিজঃ ৩ ম্যাচের সিরিজে ৩-০তে জয়ী ইংল্যান্ড

ম্যাচ সেরাঃ ডেভিড মালান (ইংল্যান্ড)

সিরিজ সেরাঃ ডেভিড মালান (ইংল্যান্ড)

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

নাইজেরিয়ার কোচ হলেন শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য

Read Next

তামিমদের হারিয়ে মুশফিকদের প্রথম জয়

Total
2
Share