হতাশার কিছু দেখছেন না নান্নু, বললেন ধৈর্য ধরতে

মিনহাজুল আবেদিন নান্নু

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের বেশ কিছু ম্যাচ পেরিয়ে গেলেও সিনিয়র ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা নিজেদের মেলে ধরতে পারছেন না। তবে বড় দৈর্ঘ্যের টুর্নামেন্ট ও করোনা পরবর্তী মাঠে ফিরে নতুন পরিবেশে অভ্যস্ত হতে সময় লাগছে বলে এখনই হতাশার কিছু দেখেন না প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু।

চার ম্যাচে জেমকন খুলনার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ৭০ রান। একই দলের সাকিব আল হাসান যেখানে করতে পেরেছেন মাত্র ৪১ রান। ইমরুল কায়েস, এনামুল হক বিজয়, জহরুল ইসলাম ছাড়াও তরুণ ক্রিকেটাররাও নিজেদের সামর্থ্য পুরোপুরি তুলে ধরতে পারেননি।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক জানিয়েছেন দুই-তিন ম্যাচের পারফরম্যান্স দিয়ে কাউকে মূল্যায়ন করতে চান না।

তিনি বলেন, ‘মাত্র খেলা শুরু হলো। এক একটা দলের তিনটে করে খেলা গিয়েছে। এত আগে অনুমান করা কঠিন যে, কোন খেলোয়াড় কি করছে না করছে। কারণ টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি না গেলে আপনি কোন কিছু মূল্যায়ন করতে পারবেন না। তিনটা ম্যাচ দিয়ে আপনি মূল্যায়ন করতে পারবেন না, হাফ অফ দ্য টুর্নামেন্ট না যাওয়া পর্যন্ত। কিন্তু আমার বিশ্বাস যে আরও দুটো ম্যাচ গেলে প্লেয়াররা আগের অবস্থায় ফিরে আসবে।’

‘তারপর টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট এখানে আপনি সেভাবে পারফরম্যান্স আশা করতে পারেন না যে প্রতি ম্যাচে ভালো খেলবে। টি-টোয়েন্টিতে আপনি প্রতি ম্যাচেই একজন প্লেয়ারের কাছ থেকে রান পাবেন না।’

ক্রিকেটারদের সেরা ছন্দ দেখতে ধৈর্য ধরার আহ্বান মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর, ‘এটার জন্য ধৈর্য ধরতে হয়। একটা দলের মাত্র তিনটা করে খেলা গেছে। প্লেয়াররা প্রায় ৮ মাস খেলার বাইরে ছিল। কিছু প্লেয়ার তিন দলীয় টুর্নামেন্টে ছিল কিন্তু বাকিরা ৮ মাস পর খেলছে। তো ওই হিসাবে আপনাকে এটা মাথায় রেখেই চিন্তা করতে হবে।’

‘তারপরও একটা স্ট্যাবিলিটি থাকতে হবে, খেলোয়াড়দের দেখা হচ্ছে, তাদের অ্যাপ্রোচ কেমন। এই মুহূর্তে বায়ো-বাবলে থেকে তারা নিজেদের মানিয়ে নিয়ে ভালো পারফরম্যান্স করবে, এটা চ্যালেঞ্জিং।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

‘টি-টোয়েন্টিতে ২০-৩০ রানে আউট হয়ে যাওয়া পাপের মত’

Read Next

প্রতি ম্যাচেই শিখছেন তাসকিন, নজর দিচ্ছেন ভুল কমানোতে

Total
3
Share