অধিনায়কের টোটকাতেই মোসাদ্দেকের দুর্দান্ত এক স্পেল

অধিনায়কের টোটকাতেই মোসাদ্দেকের দুর্দান্ত এক স্পেল

নিজেদের প্রথম ম্যাচে বেক্সিমকো ঢাকাকে উড়িয়ে দিয়ে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে শুভ সূচনা করলো গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। বেক্সিমকো ঢাকাকে মাত্র ৮৮ রানে গুটিয়ে দিতে বড় অবদান আছে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের। তার ২ ওভারের স্পেলেই ফিরে গেছেন ক্রিজে ঢাকাকে পথ দেখাতে থাকা নাইম শেখ ও আকবর আলি। ম্যাচ শেষে মোসাদ্দেক জানালেন বাড়টি কিছু নয় অধিনায়কের টোটকা মেনে বল করেই সফল হয়েছেন।

ভূতুড়ে শুরুতে বেক্সিমকো ঢাকা ২১ রানেই হারায় তিন উইকেট। চতুর্থ উইকেট জুটীতে ৪৪ রান যোগ করে কিছুটা প্রতিরোধের আভাস দিচ্ছিলেন ওপেনার নাইম শেখ ও মিডল অর্ডারের আকবর আলি। কিন্তু আক্রমণে এসে দুজনকেই একই ওভারে ফেরান মোসাদ্দেক।

৪০ রান করা নাইম শেখ ও ১৫ রান করা আকবর আলির বিদায়ের পর হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে বেক্সিমকো ঢাকার ইনিংস। ২৩ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে টুর্নামেন্টের সর্বনিম্ন সংগ্রহের লজ্জায় পড়ে মুশফিকুর রহিমের বেক্সিমকো ঢাকা। ২ ওভারে ৯ রান খরচায় উইকেট দুইটি তুলে নিয়ে ম্যাচ সেরার পুরষ্কার জিতেন মোসাদ্দেক।

এই অফ স্পিনার পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন তার সাফল্য পাওয়ার নৈপথ্যে থাকা অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনের কথা, ‘অবশ্যই আমি খুশি। আমি যখন বোলিংয়ে এসেছি তখন আমাকে অধিনায়ক বলেছে তোমাকে সঠিক জায়গায় বল করতে হবে। এবং ডট বল করতে হবে। আমি আর অন্য কিছু নিয়ে ভাবিনি। কেবল ডট বল করার চেষ্টা করেছি।’

৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও লিটন দাস ৯.৪ ওভারে উদ্বোধনী জুটিতেই তুলে ফেলেন ৭৯ রান। লিটন (৩৪) ফিরে গেলেও মুমিনুলকে (৮*) নিয়ে সৌম্য (৪৪*) ১০.৫ ওভারেই লক্ষ্যে পৌছে দেন দলকে।

লিটন-সৌম্যের প্রশংসা করে মোসাদ্দেক যোগ করেন, ‘তারা (সৌম্য-লিটোন) দল যেটা চেয়েছে সেটাই দেখিয়েছে। তারা খুব খুব ভালো খেলেছে। যেটা দেখিয়েছে আসলে উইকেট কেমন ছিল।’

জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেও নিশ্চিন্তে থাকার সুযগ নাই উল্লেখ করে এই অলরাউন্ডার আরও বলেন, ‘রিল্যাক্স হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটা আমাদের প্রথম ম্যাচ ছিল এটা খুব ভালো জয় আমাদের জন্য। দল এটাই চেয়েছে আমাদের কাছে। আমরা সেটাই মাঠে করেছি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বিশ্বাসের ফল পেলেন মোহাম্মদ মিঠুন

Read Next

জোড়া সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার রানের পাহাড়

Total
3
Share