আজও খুলনার ত্রাণকর্তা আরিফুল হক

আজও খুলনার ত্রাণকর্তা আরিফুল হক

কাগজে-কলমে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের সেরা দল হয়েও ঠিক সেভাবে দাপট দেখাতে পারছেনা জেমকন খুলনা। প্রথম ম্যাচে আরিফুল হকের অবিশ্বাস্য এক ক্যামিওতে ম্যাচ জিতলেও আজ (২৬ নভেম্বর) মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর বিপক্ষে আবারও ব্যর্থ জেমকন খুলনার ব্যাটসম্যানরা। শেষ পর্যন্ত শামীম হোসেন পাটোয়ারী ও আরিফুল হকের ব্যাটে ১৪৬ রানে থামে জেমকন খুলনার ইনিংস।

টস জিতে ব্যাত করতে নেমে শুরু থেকেই বিপাকে জেমকন খুলনা। শেখ মেহেদী হাসানের শিকার হয়ে আগের ম্যাচের মত খালি হাতেই ফিরতে হয় ওপেনার ইমরুল কায়েসকে। তবে আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয় দিয়েছিলেন ভালো কিছুর ইঙ্গিত। রান আউটে কাটা পড়ায় তাকে ফিরতে হয় ২৬ রান করে।

তার আগেই অবশ্য ফিরে গেছেন সাকিব আল হাসানও। মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধের বলে ফরহাদ রেজাকে ক্যাচ দেওয়ার আগে করতে পেরেছেন ১২ রান। দ্রুত ফিরে গেছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৭) ও জহরুল ইসলাম অমি (১)। ৫১ রানেই ৫ উইকেট হারায় জেমকন খুলনা।

এরপর শামীম হোসেন পাটোয়ারী ও আরিফুল হকের ৪৯ রানের জুটিতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে জেমকন খুলনা। ২৫ বলে ৩ চার ২ ছক্কায় ৩৫ রান করে এবাদত হোসেনের বলে উইকেট রক্ষক নুরুল হাসান সোহানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান শামীম। শামীম ফিরে গেলেও আরিফুল হক ইনিংস টেনে নেন শেষ পর্যন্ত।

আরিফুলের ব্যাট থেকে আসে দলের পক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৩১ বলে ২ চার ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৪১ রান। শেষদিকে ১২ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকা শহিদুল ইসলামও দলের সংগ্রহ বাড়ানোয় দারুণ ভূমিকা রাখেন। জেমকন খুলনা থামে ৬ উইকেটে ১৪৬ রানে।

মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ দুইটি উইকেট নেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। একটি করে ভাগাভাগি করেন এবাদত হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান ও আরাফাত সানি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (১ম ইনিংস শেষে):

জেমকন খুলনাঃ ১৪৬/৬ (২০ ওভার), এনামুল ২৬, কায়েস ০, সাকিব ১২, মাহমুদউল্লাহ ৭, জহুরুল ১, আরিফুল ৪১*, শামীম ৩৫, শহিদুল ১৭*; এবাদত ১/২৭, মেহেদী ১/২৩, মুকিদুল ২/৪৪, আরাফাত সানি ১/১৭, ফরহাদ ০/২৯, ইমন ০/৫

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ম্যারাডোনার জন্য মিরপুরে এক মিনিট নীরবতা

Read Next

ঢাকার পর খুলনা, রাজশাহীর দুইয়ে দুই

Total
4
Share